শিরোনাম
◈ তিন লাল কার্ডের ম‌্যা‌চে নাপোলির জয় ◈ বাংলাদেশের প্রতি ভারতের শত্রুভাবাপন্ন নীতি এখনো বদলায়নি ◈ শেষ মুহূ‌র্তে ম‌্যান‌চেস্টার সি‌টি‌কে জয়ব‌ঞ্চিত কর‌লো চেল‌সি ◈ মাদুরোকে আটকের পর উত্তাল ভেনেজুয়েলা: রাজপথে নামার ডাক দিলেন ছেলে মাদুরো গেরা ◈ ভোররাতে ৫.৪ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্পে কাঁপলো সিলেট ◈ সীমান্তে ব্রিজ নির্মাণের চেষ্টা, বিজিবির বাধার মুখে নির্মাণাধীন ব্রিজ ফেলে পালাল বিএসএফ ◈ ২০২৬ সালে ভ্রমণের জন্য সেরা ২০ আন্তর্জাতিক গন্তব্য ◈ ১২ জানুয়ারি ঢাকায় আসছেন নতুন মার্কিন রাষ্ট্রদূত ◈ গণভোটের প্রচারে সরকারের উদ্যোগ: জনগণকে জানাতে সকল বিভাগে বড় আয়োজন ◈ মোস্তাফিজের শেষ ওভারের ম্যাজিকে ঢাকাকে হারিয়ে রংপুরের শ্বাসরুদ্ধকর জয়

প্রকাশিত : ১০ অক্টোবর, ২০১৯, ০২:০৩ রাত
আপডেট : ১০ অক্টোবর, ২০১৯, ০২:০৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শেখ হাসিনা আপাতত আত্মজীবনী লিখছেন না

দেবদুলাল মুন্না : প্র্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বুধবার বিকালে গণভবনে সংবাদ করার সময় দৈনিক কালের কন্ঠের সম্পাদক ইমদাদুল হক মিলন নিজের পরিচয় দিয়ে জানতে চান প্রধানমন্ত্রীর আত্মজীবনী লেখার পরিকল্পনা আছে কিনা।জবাবে তিনি জানান,এখন আত্মজীবনী লেখার কথা ভাবছেন না।অতীতে অনেক সময় তার বান্ধবী বেবী মওদুদের তাগিদে লিখেছেন। এখন বেবী মওদুদ জীবীত নেই। ফলে লেখার বিষয়ে তাগিদ দেওয়ারও কেউ নেই।আর লেখক হিসেবে তাকে স্মরণ করুক সেজন্য বই লেখার চেয়ে তিনি বেশি দায়িত্ববোধ মনে করেন মানুষের পাশে দাড়াঁনোয়।

শেখ হাসিনার সর্বশেষ বই প্রকাশিত হয়েছে ‘আমাদের ছোট রাসেল সোনা’।এ বইটি এবছরের জুনে প্রকাশ করে শিশু একাডেমি। এ বইয়ের প্রকাশনা উৎসবে অধ্যাপক আনিসুজ্জামান বলেছিলেন, ‘এটি একটি আত্মজীবনীমুলকও বই।বইয়ের শেখ হাসিনা লিখেছেন, 'বাসায় আব্বার জন্য কান্নাকাটি করলে মা ওকে ( রাসেল) বোঝাতেন এবং মাকে আব্বা বলে ডাকতে শেখাতেন। মাকেই আব্বা বলে ডাকত।'

শেখ রাসেলের জন্মগ্রহণ থেকে শুরু করে তার জীবনকাহিনী এবং ঘাতকের হাতে নির্মমভাবে নিহত হওয়ার ঘটনাপ্রবাহ বইটিতে তুলে ধরা হয়েছে।

বইয়ের ২১ পৃষ্ঠায় কারাগারে বঙ্গবন্ধুর সাথে সাক্ষাৎ করতে যাওয়ার বিষয়ে শেখ হাসিনা লিখেছেন ‘আব্বার সঙ্গে প্রতি ১৫ দিন পর আমরা দেখা করতে যেতাম। রাসেলকে নিয়ে গেলে ও আর আসতে চাইত না। খুবই কান্নাকাটি করত। ওকে বোঝানো হয়েছিল যে, আব্বার বাসা জেলখানা আর আমরা আব্বার বাসায় বেড়াতে এসেছি। আমরা বাসায় ফেরত যাব। বেশ কষ্ট করেই ওকে বাসায় ফিরিয়ে আনা হতো। আর আব্বার মনের অবস্থা কী হতো, তা আমরা বুঝতে পারতাম। বাসায় আব্বার জন্য কান্নাকাটি করলে মা ওকে বোঝাতেন এবং মাকে আব্বা বলে ডাকতে শেখাতেন। মাকেই আব্বা বলে ডাকত।'

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়