প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

প্যাকেটের মহিষ হচ্ছে গরু (ভিডিও)

সময়ের আলো : মাংসের বাজারে শুরু হয়েছে ভয়ঙ্কর প্রতারণা। টাটকা গরুর মাংস ভেবে আমরা কী খাচ্ছি! আস্থা রাখার মতো আর যেন কিছুই নেই। জবাই করা টাটকা গরুর মাংস মনে করে যা খাচ্ছি, দেখা যাচ্ছে তা গরুর মাংসই নয়। এটি আসলে দীর্ঘদিন আগের বিদেশ থেকে আসা কার্টন-প্যাকেটজাত মহিষের বা অন্য কোনো পশুর মাংস। ভয়ঙ্কর অপকর্মটি সম্পন্ন হচ্ছে খোদ রাজধানীতে। বক্সের ওই মাংস কোল্ড স্টোরেজ বা গুদাম থেকে গভীর রাতে বের করে ভোর রাতের মধ্যেই তা সদ্য জবাইকৃত গরুর মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে বিক্রি হচ্ছে। চরম উদ্বেগের বিষয় হলো এসব কার্টনের গায়ে মহিষের মাংস উল্লেখ থাকলেও আদৌ এগুলো কিসের মাংস, কোন দেশ থেকে আনা, মানসম্পন্ন কিনা বা মেয়াদ ঠিক আছে কিনা তা নিয়ে খোদ বিক্রেতারাই সন্দিহান। নেই বিএসটিআই বা গুণগত মান সংক্রান্ত কোনো সিল বা নমুনা। এমন প্রেক্ষাপটেও কেবলমাত্র অধিক মুনাফার লোভেই ভয়ানক এ প্রতারণা চালিয়ে যাচ্ছে এক শ্রেণির মাংস ব্যবসায়ী।

গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাত (২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯) থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত রাজধানীর কারওয়ান বাজার, কাপ্তানবাজার, গাবতলী, গুলশান-১ ও ২ সহ বিভিন্ন কাঁচাবাজারে অনুসন্ধান চালিয়ে এসব তথ্য ও প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ সংক্রান্ত একাধিক ভিডিও, ছবি ও জড়িত সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথোপকথনের অডিওরেকর্ড সংরক্ষিত আছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে এ অপকর্মের মূলঘাঁটি কারওয়ান বাজার। এখান থেকেই মূলত প্যাকেটজাত কথিত মহিষের মাংস বিশেষ কৌশলে প্রক্রিয়ার মাধ্যমে গরুর মাংস হিসেবে বিক্রি বা সরবরাহ করা হচ্ছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই এসব প্যাকেটজাত মাংস সরবরাহ হচ্ছে তারকাখচিত বিভিন্ন হোটেল, সুপারশপ, অভিজাত রেস্তোরাঁ, তেহারি বা বিরিয়ানি হাউস ও চাইনিজ হোটেলে। পাশাপাশি কৌশলে কিছুটা বিক্রি করা হচ্ছে সাধারণ ক্রেতাদের কাছেও। পাইকারি মাত্র ২৫০ টাকা কেজি দরের প্যাকেটজাত মহিষের মাংস গরুর মাংসের সঙ্গে মিশিয়েই তা দেদারসে বিক্রি হচ্ছে ৫০০ থেকে ৫৫০ টাকায়। ৫০ কেজি গরুর মাংসের সঙ্গে ১৫০ কেজি প্যাকেটজাত মহিষের মাংস মিশিয়ে হরহামেশায় বিক্রি করা হচ্ছে।

সরেজমিনে অনুসন্ধানকালে দেখা গেছে সময় তখন শুক্রবার ভোর রাত সাড়ে ৩টা। রাজধানীর কারওয়ান বাজারের অধিকাংশ দোকানপাট বন্ধ। পুরাতন মার্কেট ভবনের নিচতলায় পশ্চিম প্রান্তে একটি মাত্র প্রবেশপথ খোলা ছিল। প্রবেশ দ্বারের কেঁচিগেট পেরিয়ে এগোতেই মাংস কাটার ও কসাইদের আওয়াজ পাওয়া যাচ্ছিল। কাছে গিয়ে দেখা গেল মাংসের দোকানগুলোয় সদ্য জবাই করা গরুর বিভিন্ন অংশ ঝুলিয়ে রাখা হয়েছে। এ সময় দেখা যায় একপাশে জবাই করা সেই গরুর মাংস ছোট ছোট করে কাটা হচ্ছে, অন্যপাশেই কার্টন ও পলিথিনের প্যাকেট থেকে প্রক্রিয়াজাতকৃত মাংস বের করে ছোট সাইজ করা হচ্ছে। এ সময় প্যাকেটজাত মাংসগুলো জবাইকৃত গরুর মাংসের সঙ্গে মেশাচ্ছিলেন দোকানের মধ্যবয়সি এক কর্মচারী। পরে জানা যায়, তার নাম হাফিজুর রহমান। এ ছাড়া আরেক দোকানে কার্টন থেকে চারটি পলিথিন প্যাকেটের হিমায়িত মাংস বের করেও সেখানে গরুর মাংসের সঙ্গে মেশানোর কাজ করতে দেখা যায়। হিমায়িত হলেও প্যাকেটের মাংসগুলো তখন স্বাভাবিক তাপমাত্রায় নরম হয়েছিল। হিমায়িত মাংসে ও প্যাকেটের গায়ে দেখা যায় মরা কালচে রক্ত। এমন অরুচিপূর্ণ হিমায়িত মাংসই মেশানো হচ্ছিল টাটকা গরুর মাংসের সঙ্গে।

একইভাবে এ দোকানের পূর্বপাশের দোকানে তখন ছিল প্রায় ১৫টি কার্টন। যার প্রতিটিতে ছিল ২০ কেজি করে প্যাকেটজাত মাংস। লাল ও হলুদ রঙের ওই কার্টনগুলোর গায়ে ইংরেজিতে বড় করে লেখা ছিল ‘সামির’। তার নিচে লেখা ছিল ‘ফ্রজেন বনলেস বাফেলো মিট’ অর্থাৎ হিমায়িত হাড়মুক্ত মহিষের মাংস। আরেক পাশে লেখা ‘আল্লানা’। ওজন ২০ কেজি। আরেকদিকে সাদা কাগজের ওপর প্রিন্ট করা কিউআর কোড, রফতানি তথ্য ও মেয়াদ। ২০২০ সাল পর্যন্ত এসব কার্টনে মেয়াদ উল্লেখ থাকলেও, আদৌ তা সঠিক কিনা তা নিয়ে যথেষ্ট প্রশ্ন রয়েছে। রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে লেখা ছিল ‘আল সামির এক্সপোর্ট প্রাইভেট লিমিটেড, ইন্ডিয়া’। তবে আমদানিকারক প্রতিষ্ঠানের নাম কার্টন বা প্যাকেটের গায়ে উল্লেখ দেখা যায়নি। তবে জানা গেছে, দেশি ট্রেডার্স নামে একটি প্রতিষ্ঠান এগুলো আমদানি করেছে। এগুলো কারওয়ান বাজারের দীপ্ত টিভি চ্যানেল অফিসের পাশের ‘সেভ অ্যান্ড ফ্রেস’ নামে একটি হিমাগার থেকে বের করে আনা বলে জানান মাংস বিক্রেতারা। এরকম আরও কয়েকটি প্রতিষ্ঠান হিমায়িত মাংস আমদানি করছে। অবশ্য ভোর রাতেই সেই ‘সেভ অ্যান্ড ফ্রেস’ হিমাগারে গিয়ে দেখা যায়, মূল গেটের অর্ধেকাংশ খোলা। ভেতরে একটি প্রাইভেট কার রাখাছিল। হিমাগারের ভেতরের গেট বন্ধ থাকলেও সেখানে সামনে দুজন নিরাপত্তাকর্মী বসেছিলেন। এর আগে গত ২৬ ফেব্রুয়ারি কারওয়ান বাজারে সেভ অ্যান্ড ফ্রেশ নামের এ হিমাগারে অভিযান চালিয়ে মজুদ রাখা হিমায়িত প্রায় হাজার মণ পচা মাছ ও মাংস জব্দ করেছিল র‌্যাব।

কারওয়ান বাজারে হিমায়িত ‘মহিষের’ মাংস গরুর মাংসের সঙ্গে মেশানোর প্রক্রিয়ায় যুক্ত কর্মীরা (কসাই) বলেন, এসব প্যাকেটজাত মাংসের বিষয়ে তারা কিছুই জানেন না। দোকান মালিকরা যেভাবে বলেন সেভাবেই কাজ করেন। তারা বলেন, এসব প্যাকেটজাত মাংস বেশিরভাগই বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান বা খাবার দোকানে সরবরাহ করা হয়। এর বেশি কিছু বলা সম্ভব না বলেও মন্তব্য করেন তারা।

তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কারওয়ান বাজারের একজন মাংস দোকানের কর্মী সময়ের আলোকে বলেন, এই প্যাকেটের মধ্যে আদৌ মহিষের মাংস কিনা আমরা নিজেরাও সন্দিহান। মানুষকে কী খাওয়াচ্ছি তা নিয়ে ভাবতে গেলে খারাপ লাগে। কিন্তু আমরা তো মহাজনের চাকরি করি, পেটের দায়ে এসব দেখেও কিছু করার নেই। এর মধ্যে মহিষের মাংস না ঘোড়ার মাংস আমরা সেটি জানি না। এগুলো যদি মহিষ বা হালাল মাংসও হয়, সেগুলো এক বছর মেয়াদ দিয়ে বাজারজাত করা হচ্ছে। তার মধ্যে কী ধরনের কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয়েছে তা তো বোঝার উপায় নাই। আমরা চাই, মাংসের দেশীয় বাজার ভালো থাকুক। আমরাও বেঁচে থাকি।

এ অপকর্মের সঙ্গে জড়িত একাধিক মাংস বিক্রেতার সঙ্গে কৌশলে কথা বলে জানা যায়, প্যাকেটজাত হিমায়িত মহিষের মাংস পাইকারী কেজি মূল্য ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি। তবে কারওয়ান বাজারে গরুর মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে প্যাকেটের মহিষের মাংস বিক্রি করছে ৫৫০ থেকে ৫৭০ টাকা কেজিতে। আগে থেকেই চাহিদা দেওয়া (অর্ডারযুক্ত) তারকা হোটেল, সুপারশপ, অভিজাত রেস্তোরাঁ থেকে শুরু করে চাইনিজ হোটেলে সরবরাহ করা হচ্ছে এসব মাংস। কেবল কারওয়ান বাজারেই প্রতিদিন অন্তত ৪০ থেকে ৫০ মণ প্যাকেটজাত হিমায়িত মাংস গরুর মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে বিক্রি করা হচ্ছে। বর্তমানে জ্যান্ত মহিষের আমদানি কমে যাওয়ায় অসাধু সিন্ডিকেট আমদানি করছে এসব প্যাকেটজাত মাংস। যার গুণগত মান নিয়ে যথেষ্ট সন্দেহ রয়েছে স্বয়ং বিক্রেতাদেরই। এ ছাড়া রয়েছে মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকিরও শঙ্কা।

বিশিষ্ট মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডা. খান আবুল কালাম আজাদ বলেন, মহিষের মাংস শতভাগ হালাল এবং যথেষ্ট পুষ্টিগুণ সম্পন্ন। কিন্তু বিদেশ থেকে বক্সে বা প্যাকেটজাত হয়ে আসা হিমায়িত এসব মহিষের মাংস কতটা মানসম্পন্ন সেটি আগে নিশ্চিত হতে হবে। এসব হিমায়িত মাংসে মানবদেহের জন্য ক্ষতিকর কিছু আছে কিনা, ক্ষতিকর অ্যান্টিবায়েটিক ও ক্ষতিকর কেমিক্যাল রয়েছে কিনা তা নিরীক্ষণ ছাড়া বাজারজাত করলে তা অবশ্যই অপরাধ। গুণগত মান পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়া এসব মাংস খেলে সেটি মানব স্বাস্থ্যের জন্য চরম হুমকিও হতে পারে। এ ছাড়াও হিমায়িত এসব প্যাকেটের মাংস টাটকা গরুর মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে বিক্রি করাও চরম অপরাধ। তিনি জানান, উন্নত দেশগুলোয় যথাযথ মান সংরক্ষণের মাধ্যমে হিমায়িত মহিষ ও গরুর মাংস ব্যাপক হারে বিক্রি ও খাওয়ার প্রচলন আছে। তবে ওইসব দেশে অবশ্য খাদ্যপণ্যের মান নিয়ে কোনো ধরনের আপস করা হয় না।

এদিকে কারওয়ান বাজার ছাড়াও গত বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শুক্রবার সকাল পর্যন্ত রাজধানীর বিভিন্ন কাঁচাবাজার ও বিভিন্ন পয়েন্টে অবস্থান করেও মানুষের প্রিয় খাদ্য মাংসের ভয়াবহ চিত্র লক্ষ করা যায়। প্রথমত জ্যান্ত মহিষ ঢাকায় ঢুকে ‘গরুতে’ পরিণত হয় এমন খবরে রাতে অনুসন্ধান শুরু করা হয়। বৃহস্পতিবার রাত ১টায় মিরপুর-নিউমার্কেট রোডের সোবহানবাগ মসজিদ সংলগ্ন ফুটওভার ব্রিজে অবস্থান নিয়ে দেখা যায়, রাত ১টা ২০ মিনিটে দশটি গরু নিয়ে দুজন রাখাল গাবতলীর দিক থেকে কাপ্তানবাজার অভিমুখে হাঁটছিলেন। এরপর আরও কয়েক দলে গরু একইভাবে এগোতে থাকে। মাঝেমধ্যে ট্রাকে করেও গরু নেওয়া হচ্ছিল। রাত আড়াইটা পর্যন্ত সেখানে অবস্থান করে মহিষের দেখা মেলেনি। এরপর গাবতলীতে গিয়েও কিছু সময় একই অবস্থা লক্ষ করা যায়। তবে গাবতলীর পশুর হাটে কয়েকটি মহিষ লক্ষ করা যায়। গাবতলী থেকে এক মাধ্যমে মহিষ-গরুর রূপান্তর নিয়ে তথ্য পেলে সে অনুসারে রাত ৩টার পরপরই পুরান ঢাকার কাপ্তানবাজারে অবস্থান নেওয়া হয়। সেখানে বড় বড় কালো রঙের গরু জবাই করা দেখা গেলেও মহিষ ছিল না। এ সময় বেশকিছু ভেড়া জবাই করে প্রক্রিয়া করতে দেখা যায়। অনেকেই বলেছেন, এ ভেড়ার মাংস অধিকাংশ সময়ই খাসি বলে বিক্রি করা হয়। এই কাপ্তানবাজারেই অনুসন্ধানে মিলে যায় প্রতীক্ষিত প্রয়োজনীয় গোপন তথ্য। সেই তথ্যের ভিত্তিতে ভোর রাত সাড়ে ৩টায় কারওয়ান বাজারে গেলে দেখা মেলে প্যাকেটজাত হিমায়িত মহিষের মাংস কীভাবে গরুর মাংসে ‘পরিণত’ হচ্ছিল। কারওয়ান বাজারের কার্যক্রম শেষে ভোর সোয়া ৪টার দিকে গুলশান-২-এর কাঁচাবাজারে গেলে সেখানেও মহিষ জবাইয়ের চিত্র পাওয়া যায়নি। এরপর ভোর পৌনে ৫টায় গুলশান-১-এর ডিএনসিসি (আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত) মার্কেটে গেলে সেখানে খাসি বা ছাগল জবাইয়ের পর মাংস প্রক্রিয়া করা হচ্ছিল। এ সময় মার্কেটের নিরাপত্তা কর্মী আখতার হোসেন বলেন, এখানে গরু বা মহিষ জবাই করা হয় না। ব্যবসায়ী যারা আছেন তারা কারওয়ান বাজার থেকে মাংস কিনে এনে চাহিদা অনুসারে সরবরাহ করে থাকেন। তবে গুলশান-১-এর একাধিক ব্যবসায়ী বলেছেন, কারওয়ান বাজারের সেই প্যাকেটজাত মাংসই গরুর মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে মাঝেমধ্যে এখানেও সরবরাহ করা হয়েছে। কেবল কারওয়ান বাজার বা গুলশান-১ এলাকায় নয়, ওইসব প্যাকেটজাত মাংস প্রতারণার মাধ্যমে গরুর মাংস হিসেবে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হয়। যেহেতু দাম অনেক কম তাই সুযোগ কাজে লাগাচ্ছে এক শ্রেণির অসাধু মাংস ব্যবসায়ীরা।

ঢাকা মেট্রোপলিটন মাংস ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক শামীম আহমেদ বলেন, কয়েকটি প্রতিষ্ঠান এলসির (লেটার অব ক্রেডিট) মাধ্যমে ভারতসহ একাধিক দেশ থেকে হিমায়িত মাংস আমদানি করছে। যদিও দেশীয় মাংস বা পশু খাত ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে তারপরও আমাদের দেশে পশু উৎপাদন কম হওয়ায় এসব মাংস দিয়ে চাহিদা পূরণ করা হচ্ছে। প্যাকেটজাত এসব মাংস টাটকা গরুর মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে বিক্রির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এমন কোনো অভিযোগ আমার জানা নেই। কোনো দোকানে কেউ এমন যদিও করে থাকে সেটি জানা নেই। এসব মাংসের গুণগত মান বা মেয়াদ প্রসঙ্গে শামীম বলেন, কার্টনের গায়ে লেখা মেয়াদের ওপরই ভরসা রাখা হয়। আলাদা করে মান পরীক্ষার কোনো ব্যবস্থা নেই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ