শিরোনাম
◈ বাংলাদেশের সমুদ্রসীমায় তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে দরপত্রের নথি কিনেছে ৩ বিদেশি কোম্পানি ◈ জমি জটিলতায় দুই বছরেও খনন হয়নি সিলেটের ২ গ্যাস কূপ, ঝুঁকিতে ৫৬ বিসিএফ গ্যাস উৎপাদন! ◈ ঢাকা-কুমিল্লা উড়াল রেলপথে ব্যয় ৮৪ হাজার কোটি টাকা, কমবে চট্টগ্রামের দূরত্ব ◈ এসএসসিতে দুই বিষয়ে ফেল করলেই ১৫ দিনের মধ্যে আবার পরীক্ষা: শিক্ষামন্ত্রী ◈ হামলার ভয়ে এক প্রাসাদ থেকে অন্য প্রাসাদে ছুটছেন সৌদি যুবরাজ ◈ জা‌র্সিতে থাকা সৌদি আরবের পতাকায় চুমু খেলেন ক্রিশ্চিয়া‌নো রোনালদো  ◈ সৌদি-হুথি সংঘাত দীর্ঘায়িত হলে বড় অর্থনৈতিক সংকটে পড়তে পারে বাংলাদেশ ◈ বগুড়ায় ক্লাসে শাসন করায় শিক্ষককে লাঠিপেটা, সেই সপ্তম শ্রেণির ছাত্রকে স্থায়ী টিসি ◈ চকবাজারে আগুন নিয়ন্ত্রণে, ভবনের ৬-৭ তলায় এখনও তীব্র তাপ: ধোঁয়ায় চেহারা কা‌লো হ‌য়ে গে‌ছে ফায়ার ফাইটার ও স্বেচ্ছা‌সেবক‌দের ◈ অনুমোদিত মাধ্যম ছাড়া ট্রেনের টিকিট কিনে প্রতারিত হলে দায় নেবে না রেলওয়ে

প্রকাশিত : ১৩ আগস্ট, ২০১৯, ০৯:১৯ সকাল
আপডেট : ১৩ আগস্ট, ২০১৯, ০৯:১৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোরবানির চামড়া বাড়িয়েছে এতিম মিসকিনের কান্না

মতিনুজ্জামান মিটু : চামড়া ব্যবসায় তেলেসমাতিতে ইতোমধ্যে হারিয়ে গেছে অনেকে। মরার ওপর খাড়ার ঘায়ের মতো এবার ইতিহাসের সর্বনিম্ন মন্দার স্রোতে ভেসে যাচ্ছে দেশের মসজিদ মাদ্রাসাসহ মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ী এবং ব্যপারীরাও। পঁচে নষ্ট হচ্ছে দেশের অন্যতম অর্থকরি সম্পদ কোরবানির পশুর ২০ ভাগ চামড়া। দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় চামড়ার মোকাম রাজারহাটে প্রতি বছর ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা লেনদেন হলেও এবার ৫ কোটি টাকার চামড়াও বেচাকেনা হয়নি।

চামড়ার ব্যবসায়ী হারুন অর রশিদ জানান, গত কয়েক বছরের মন্দায় অসহনীয় ক্ষতির মুখে ঝরে গেছে বহু মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ী। এবার তাদের বেশির ভাগই চামড়া কিনতে নামেননি। এই শুণ্যতাপূরণের জন্য বাড়ি বাড়ি যেয়ে গতবারের চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম দামে চামড়া কিনেছে মসজিদ ও মাদ্রাসাগুলো। কিন্তু স্থানীয় হাট বাজারগুলোতে এনে তারা ক্রেতার অভাবে ওই চামড়া বিক্রি করতে পারছে না। এর কারণ হিসেবে জানা গছে. ক্রমাগত লোকসানের কারণে হাতে নগদ টাকা না থাকায় অনেক চামড়া ব্যবসায়ী এবার হাট বাজার থেকে চামড়া কিনতে পারছেন না। এসব ব্যবসায়িদের অনেকে ট্যানারি মালিকদের কৌশলী আচরণকে দায়ি করে বলেছেন, ট্যানারিগুলো পাওনা পরিশোধ না করায় তারা নগদ টাকার ভয়াবহ সংকটে পড়েছেন।

এদিকে কেনাবেচার অচলাবস্থার কারণে বিপুল চামড়া পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। নিজম্ব লবন দেওয়া ও রাখার ব্যবস্থা না থাকায় চামড়া নিয়ে অনেক মসজিদ মাদ্রাসা ও মৌসুমী ব্যবসায়িদের মাঝে চলছে হাহাকার। পশুর শরীর থেকে ১০ থেকে ১২ ঘন্টার মধ্যে যথাঝথ নিয়মে লবন দেওয়া হলে চামড়া ১৫ থেকে ২০ দিন রাখা যায়। কোনো কোনো মাদ্রাসা ও এতিমখানায় লবন দিয়ে চামড়া রাখার এ ব্যবস্থা থাতলেও অধিকাংশের তা নেই।

বৃহত্তর যশোর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন মুকুল বলেন, দেশের ট্যানারিগুলো বিগত দিনের পাওনা পরিশোধ করেনি। তাই ক্ষুদ্র ব্যবসায়িরা এবার নগদ টাকার অভাবে প্রয়োজনীয় চামড়া কিনতে পারেননি। পোস্তগোলার আড়তদাররা এবং নোয়াপাড়া ও ফুলতলাসহ দেশের ট্যানারিগুলোর কাছে চামাড়া ব্যবসায়ীদের কোটি কোটি টাকা পড়ে রয়েছে।

তিনি বলেন, এবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে এতিম মিসকিন এবং এতিমখানা ও মাদ্রাসার। কারণ কোরবানির চামড়া দিয়েই চলতে হয় তাদের। দূরাবস্থার মুখে পড়ে এবার কোরবানির ২০ ভাগ চামড়া নষ্ট হচ্ছে। বকেয়া না দিয়ে ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের পাশকাটিয়ে অনেক ট্যানারি সরাসরি মাদ্রাসা ও এতিমখানা থেকে চামড়া কিনেছে। এতে সংকট আরো বেড়েছে।

  • সর্বশেষ