শিরোনাম
◈ বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম আরও বাড়লো ◈ যে ভাসমান গ্যাস স্টেশনে গোপনে বেচাকেনা হয় ইরানের তেল ◈ সমন্বিত উদ্যোগে দুই মহাসড়কে কমেছে যানজট, ফিরছে স্বস্তি ◈ লিমন–বৃষ্টি নিখোঁজের পর বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত কি করেছিল সন্দেহভাজন খুনি, গতিবিধিতে উঠে এলো চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ চীন থেকে চোরাচালান: দুই বিদেশিসহ তিনজন কারাগারে ◈ গণমাধ্যমে অসত্য তথ্য, ড. ইউনূসের ভিভিআইপি মর্যাদা বাতিল হয়নি ◈ এআইতে করা প্রশ্ন কি সত্যিই গোপন থাকে?—বাস্তবতা, ঝুঁকি ও করণীয় ◈ বসুন্ধরা চেয়ারম্যানসহ পরিবারের ৪ সদস্যের বিদেশযাত্রার অনুমতি মেলেনি ◈ রাজধানীতে শতভাগ পাম্পে চালু হচ্ছে ফুয়েল পাস! ◈ ফ্যামিলি কার্ড প্রকল্প জোরদার করা হবে : অর্থমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৩ আগস্ট, ২০১৯, ০৯:১৯ সকাল
আপডেট : ১৩ আগস্ট, ২০১৯, ০৯:১৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

কোরবানির চামড়া বাড়িয়েছে এতিম মিসকিনের কান্না

মতিনুজ্জামান মিটু : চামড়া ব্যবসায় তেলেসমাতিতে ইতোমধ্যে হারিয়ে গেছে অনেকে। মরার ওপর খাড়ার ঘায়ের মতো এবার ইতিহাসের সর্বনিম্ন মন্দার স্রোতে ভেসে যাচ্ছে দেশের মসজিদ মাদ্রাসাসহ মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ী এবং ব্যপারীরাও। পঁচে নষ্ট হচ্ছে দেশের অন্যতম অর্থকরি সম্পদ কোরবানির পশুর ২০ ভাগ চামড়া। দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় চামড়ার মোকাম রাজারহাটে প্রতি বছর ২০ থেকে ২৫ কোটি টাকা লেনদেন হলেও এবার ৫ কোটি টাকার চামড়াও বেচাকেনা হয়নি।

চামড়ার ব্যবসায়ী হারুন অর রশিদ জানান, গত কয়েক বছরের মন্দায় অসহনীয় ক্ষতির মুখে ঝরে গেছে বহু মৌসুমী চামড়া ব্যবসায়ী। এবার তাদের বেশির ভাগই চামড়া কিনতে নামেননি। এই শুণ্যতাপূরণের জন্য বাড়ি বাড়ি যেয়ে গতবারের চেয়ে অপেক্ষাকৃত কম দামে চামড়া কিনেছে মসজিদ ও মাদ্রাসাগুলো। কিন্তু স্থানীয় হাট বাজারগুলোতে এনে তারা ক্রেতার অভাবে ওই চামড়া বিক্রি করতে পারছে না। এর কারণ হিসেবে জানা গছে. ক্রমাগত লোকসানের কারণে হাতে নগদ টাকা না থাকায় অনেক চামড়া ব্যবসায়ী এবার হাট বাজার থেকে চামড়া কিনতে পারছেন না। এসব ব্যবসায়িদের অনেকে ট্যানারি মালিকদের কৌশলী আচরণকে দায়ি করে বলেছেন, ট্যানারিগুলো পাওনা পরিশোধ না করায় তারা নগদ টাকার ভয়াবহ সংকটে পড়েছেন।

এদিকে কেনাবেচার অচলাবস্থার কারণে বিপুল চামড়া পড়ে থেকে নষ্ট হচ্ছে। নিজম্ব লবন দেওয়া ও রাখার ব্যবস্থা না থাকায় চামড়া নিয়ে অনেক মসজিদ মাদ্রাসা ও মৌসুমী ব্যবসায়িদের মাঝে চলছে হাহাকার। পশুর শরীর থেকে ১০ থেকে ১২ ঘন্টার মধ্যে যথাঝথ নিয়মে লবন দেওয়া হলে চামড়া ১৫ থেকে ২০ দিন রাখা যায়। কোনো কোনো মাদ্রাসা ও এতিমখানায় লবন দিয়ে চামড়া রাখার এ ব্যবস্থা থাতলেও অধিকাংশের তা নেই।

বৃহত্তর যশোর জেলা চামড়া ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলাউদ্দিন মুকুল বলেন, দেশের ট্যানারিগুলো বিগত দিনের পাওনা পরিশোধ করেনি। তাই ক্ষুদ্র ব্যবসায়িরা এবার নগদ টাকার অভাবে প্রয়োজনীয় চামড়া কিনতে পারেননি। পোস্তগোলার আড়তদাররা এবং নোয়াপাড়া ও ফুলতলাসহ দেশের ট্যানারিগুলোর কাছে চামাড়া ব্যবসায়ীদের কোটি কোটি টাকা পড়ে রয়েছে।

তিনি বলেন, এবার সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে এতিম মিসকিন এবং এতিমখানা ও মাদ্রাসার। কারণ কোরবানির চামড়া দিয়েই চলতে হয় তাদের। দূরাবস্থার মুখে পড়ে এবার কোরবানির ২০ ভাগ চামড়া নষ্ট হচ্ছে। বকেয়া না দিয়ে ব্যবসায়ী ও আড়তদারদের পাশকাটিয়ে অনেক ট্যানারি সরাসরি মাদ্রাসা ও এতিমখানা থেকে চামড়া কিনেছে। এতে সংকট আরো বেড়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়