শিরোনাম
◈ অজুহাত দেখিয়ে বাংলাদেশ দল ছে‌ড়ে চ‌লে যাওয়া শন টেইট এখন পাকিস্তানের কোচ  ◈ জল্পনার অবসান, দিল্লির কোচ সৌরভ গাঙ্গু‌লি ◈ ইউরোপের স্বপ্নে দালালের ফাঁদ, ঋণ-প্রতারণায় বিপর্যস্ত বাংলাদেশিরা ◈ ফের লঘুচাপের আভাস, দেশজুড়ে বাড়তে পারে বৃষ্টি ◈ প্রবৃদ্ধি নামতে পারে ৩.৪ শতাংশে, বড় ঝুঁকিতে বাংলাদেশের অর্থনীতি : বিশ্বব্যাংক ◈ ভিসা-অন-এরাইভালসহ ইন্দোনেশিয়াকে বাংলাদেশের ৫ প্রস্তাব ◈ আওয়ামী লীগের রাজনীতিতে ফেরার পথ কতটা খোলা? ◈ প্রিজন ভ্যান থেকে পিচ্চি রাজার পালানোর সিসিটিভি ফুটেজে যা দেখা গেলো ◈ সৌদি-হুতি সংঘাতে পাকিস্তান-তুরস্কের সেনা, কতটা জড়াবে ইয়েমেন যুদ্ধে আর কতদিন থাকতে পারবে পাকিস্তান? ◈ বিশ্বজুড়ে কোথায় কোথায় মার্কিন বোমারু বিমান মোতায়েন থাকে? যা জানাগেল

প্রকাশিত : ০৮ আগস্ট, ২০১৯, ০৫:৩৫ সকাল
আপডেট : ০৮ আগস্ট, ২০১৯, ০৫:৩৫ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইউএনওদের স্কুলছাত্রীর চিঠি, অভিযুক্ত যুবকের দণ্ড

ডেস্ক রিপোর্ট : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে নিজের বাল্য বিয়ে ঠেকানোর জন্য মোমিনা আক্তারের চিঠি দেয়ার একদিন পর অভিযুক্ত উছমান ভূঁইয়াকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দিয়েছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। বুধবার রাতে আশুগঞ্জের ইউএনও মো. নাজিমুল হায়দার এ আদালত পরিচালনা করেন ।

এর আগে গত সোমবার আশুগঞ্জের ইউএনও এবং মঙ্গলবার সরাইলের ইউএনও'র কাছে চিঠি দেয় মোমিনা । সে আশুগঞ্জ উপজেলার বগৈর গ্রামের মৃত নুরুল আমিনের মেয়ে ও সরাইল উপজেলার বেড়তলা উচ্চ বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্রী।

আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. নাজিমুল হায়দার জানান, স্কুলছাত্রী মোমিনা আক্তারের চিঠির প্রেক্ষিতে উভয় পক্ষকে ডাকা হয়। সেখানে উভয়ের সঙ্গে কথা বলে দণ্ডবিধির ৫০৯ ধারা মোতাবেক উছমান ভূঁইয়াকে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারদণ্ড দেয়া হয়েছে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের কাছে পাঠানো চিঠিতে মোমিনা বেগম উল্লেখ করে, আশুগঞ্জ উপজেলার বইগর গ্রামের শেখ সাদি ভূঁইয়ার ছেলে উছমান ভূঁইয়া প্রায়ই তাকে উত্ত্যক্ত করে। এ ঘটনায় তার পরিবারের কাছে নালিশ দিলে উছমান তাকে জোরপূর্বক বিয়ে করার ঘোষণা দেয়।

কয়েকদিন আগে উছমানের পক্ষে গ্রামের কয়েকজন তার বাড়িতে গিয়ে তার মাকে চাপ সৃষ্টি করে উছমান ভূঁইয়ার সঙ্গে তার বিয়ের কথা আপসরফা করেন। এ অবস্থায় মোমিনা সরাইল উপজেলার কাটানিশার গ্রামে তার ভগ্নিপতি জাবেদ মিয়ার বাড়ি আশ্রয় নেয়। গত ৩ আগস্ট উছমান ভূঁইয়া সেখান থেকে তাকে ধরে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

চার বছর আগে মোমিনার বাবা খুন হন। বখাটেদের ভয়ে মোমিনা গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বিদ্যালয়ে আসছে না। গত তিন দিন আগে তাকে জোরপূর্বক তুলে নেয়ারও চেষ্টা করা হয়েছে। এ অবস্থায় মোমিনার মা এ বিয়েতে রাজি হয়ে যান। কিন্তু মোমিনা পড়তে চায়, তাই বিয়েতে রাজি নয়। তার এক বড় বোনও বিয়ের বাকি রয়ে গেছে। সম্পাদনা : সুতীর্থ

 

  • সর্বশেষ