শিরোনাম
◈ মাটির নিচেই গোটা গ্রাম, ২০০ বছরের পুরোনো বাড়িতে আজও বসবাস করছেন হাজারো মানুষ! ◈ ৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে কি না, জানতে চাইল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ দল ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর এত টাকা আসে কোথা থেকে, দল চালাতে কত টাকা লাগে: টিআইবির গবেষণা ◈ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় আবুধাবিতে ফেরত যাচ্ছিল ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার স্বর্ণের ডিম, আটক ৬টি ◈ ওয়ারীতে বাসায় কুশ চাষ ও মাদক সরবরাহ, যুক্তরাষ্ট্রফেরত ২২ বছর বয়সী তৌসিফ গ্রেপ্তার ◈ বারে মদ্যপান শেষে প্রেমিকার সঙ্গে বিরোধের পর হেরোইন খুঁজতে টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ: রিমান্ডে দীপের বয়ানে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির পর হ্যাকাররা সেগুলো দিয়ে কী করে? কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে? ◈ ভারত থেকে আসা ১৮ কোচগুলোতে যা যা বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষামূলক চলাচল

প্রকাশিত : ১৪ জুন, ২০১৯, ০৫:০১ সকাল
আপডেট : ১৪ জুন, ২০১৯, ০৫:০১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রবৃদ্ধি এখন ভোগবৃদ্ধি হয়ে দাঁড়িয়েছে, বললেন সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা

নুর নাহার : গবেষণা প্রতিষ্ঠান সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, সামগ্রিক একটি সংস্কার না করে রাজস্ব আয়ে তেমন একটা উন্নয়ন ঘটানো যাবে না। এক দিকে যেমন প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা বাড়াতে হবে আবার সেখানে সংস্কারও করতে হবে। অবশ্যই এর প্রযুক্তিগত ব্যবহারের মাধ্যমে এটি আদায় করা সম্ভব। বিবিসি সংবাদ-৭.৩০

ফাহমিদা বলেন, প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে রাখা হয়েছে। প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতা শুধুমাত্র একটি অবকাঠোমোগত উন্নয়ন নয়। প্রতিষ্ঠানগুলো যে স্বাধীনভাবে কাজ করার যে ব্যবস্থা ও পরিবেশ দরকার সেটি তৈরি না হলে রাজস্ব আয় সম্ভব নয়।

তিনি বলেন, যদি সত্যিকারভাবে খেলাপি ঋণ বাস্তবায়ন করতে হয়, তাহলে সুশাসন ও প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার পরিবর্তন না করে খেলাপি ঋণ আদায় করা যাবে না। শুধু মাত্র কথার কথা লক্ষ্যমাত্রা দিলাম এভাবে হবে না। দেখা যায় স্বেচ্ছাকৃতভাবে খেলাপি ঋণের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। মানুষ আজকাল বড় বড় ঋণগুলো নেয় সেগুলো এই ভেবে নেয় যে আর পরিশোধ করতে হবে না। কারণ সেই প্রতিষ্ঠানগুলো যে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে সেটি পারে না। এখানে একটি রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ বা প্রভাব থাকে।

তিনি আরো বলেন, খুবই দুঃখজনক যে বাজেটে কৃষকের জন্য তেমন কোনো উদ্যোগ দেখা যাচ্ছে না। এটি যে শুধু কৃষকের সমস্যা তা নয়। এটি সামগ্রিকভাবে বিশ্বেরও একটি সমস্যা। যে কৃষক আমাদের জন্য খাদ্যের যোগান দিচ্ছে তারা যদি প্রণোদনা না পায়, উৎপাদনের যথাযথ মূল্য না পায়, তাহলে আমরা খাদ্যে যে স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জন করেছি। সেখানে আঘাত আসবে। অন্যান্য খাতও গুরুত্বপূর্ণ। গত ৩০- ৩৫ বছর ধরে পোশাক খাতে বিভিন্ন ধরণের সুযোগ সুবিধা দিয়েই আসছে। তিনি বলেন, প্রবৃদ্ধি এখন ভোগবৃদ্ধি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই ধরণের প্রবৃদ্ধি তো কর্মসংস্থান বাড়াতে পারবে না, বৈষম্য কমাতে পারবে না। প্রবৃদ্ধি তো বৈষম্য এটি শুধু সংখ্যার মধ্যেই আটকে থাকবে। সম্পাদনা : রাশিদুল

  • সর্বশেষ