শিরোনাম
◈ ময়মনসিংহ মেডিকেলের ময়লার সঙ্গে ‘কায়দা করে’ পাচার করা হয় সিরিঞ্জ-ক্যানুলা-স্যালাইন, পরে পাইকারি দরে বিক্রি ◈ চার জেলার ২৯ বাঁওড়ে মাছের উৎপাদন ১০ শতাংশ বাড়াতে ৪৭ কোটি টাকার প্রকল্প প্রস্তাব ◈ বাংলাদেশে ৬০০ কোটি ডলার বিনিয়োগের উদ্যোগ জাপানের, অগ্রাধিকার পাবে গাড়ি ও জ্বালানি খাত ◈ সাইবার হামলার ঝুঁকি এড়াতে বন্ধ বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইট, চলছে নিরাপত্তা যাচাই ◈ পিএইচপি কী, এটি ঘিরে বৈশ্বিক সাইবার নিরাপত্তা-সংকট সৃষ্টি হয়েছে কেন? ◈ বিশ্বে প্রথমবার মানুষের শরীরে শামোন্ডা ভাইরাস শনাক্ত, ফ্রান্সে প্রথম আক্রান্ত ব্যক্তির মৃত্যু ◈ বিফ‌লে গে‌লো ইংল‌্যা‌ন্ডের ব্রুকের ডাবল সেঞ্চুরী, ৪২৯ রান তাড়া করে শ্রীলঙ্কার রেকর্ড জয়  ◈ ব্যক্তিগত নিরাপত্তা চাইতে থানায় রুমিন ফারহানা, ওসির সাথে তুমুল বাগবিতণ্ডা (ভিডিও) ◈ থাইল্যান্ডে ‘সয়েল ফিভারে’ ৪৫ জনের মৃত্যু, আক্রান্ত ৫৭০ জন ◈ এবার বাংলাদেশের দুর্গাপূজার প্রশংসায় পঞ্চমুখ ভারতীয় সাংবাদিক ময়ূখ রঞ্জন, বললেন ‘শাবাশ বাংলাদেশ!’

প্রকাশিত : ৩১ মে, ২০১৯, ০৩:০৯ রাত
আপডেট : ৩১ মে, ২০১৯, ০৩:০৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

চট্টগ্রাম কাস্টমসে আমদানির আড়ালে চলছে অর্থপাচার, কন্টেইনারে পণ্যের বদলে মিলছে ইট-বালু

মোহাম্মদ মাসুদ : আমদানি বাণিজ্যের আড়ালে নানা কায়াদায় চলছে অর্থপাচার। ঘোষিত পণ্যের বদলে মিলছে কন্টেইনার ভর্তি ইট, মাটি, বালি, ছাই। আইনী ক্ষমতা না থাকায় অর্থ পাচারের ঘটনায় মামলা করতে পারছেনা চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস। শাস্তির নাজির নেই বলে পার পেয়ে যাচ্ছে অপরাধীরা বলছেন বিশেজ্ঞরা। যমুনা টিভি

গত মে মাসে হুইল চেয়ারের ঘোষণা দিয়ে ২ ব্যাগ ইট নিয়ে আসে ঢাকার লোটাস সারজিক্যাল। গেলো বছরে প্রগেস লিমিটেড নামের একটি প্রতিষ্ঠান কাগজ ঘোষণায় নিয়ে আসে ৪১০ বস্তা বালু। ৫ মাসে এমন অন্তত ১০টি ঘটনায় বড় অংকের অর্থ পাচারের প্রমাণ পেয়েছে চট্টগ্রাম কাস্টমস হাউস।

আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যের আড়ালে এভাবে নানা কায়দায় চলছে অর্থ পাচার। সংশ্লিষ্টরা বলছেন দেশ থেকে বেশি অর্থ পাচার হচ্ছে চট্টগ্রাম কাস্টমস দিয়ে। কিন্তু এসব ঘটনায় একটি মামলাও দায়ের করতে পারে নি কর্তৃপক্ষ। কাস্টমসের দাবি আইনী ক্ষমতা নেই, তাই ধরা পরলেও অর্থ পাচারের ঘটনায় মামলা হয় না।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের কমিশনার কাজী মোস্তাফিজুর রহামান বলেন, ইতিপূর্বে এ ধরনের মামলার ইখতিয়ার কাস্টমসে ছিলো না। এর পূর্বে বিষয়গুলো বাংলাদেশ ব্যাংককে অবহিত করা হলেও ব্যাংক থেকে সেধরনের কোনো উদ্যোগ নেয়া হয়নি।
শুল্কগোয়েন্দা অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আব্দুল হাকিম বলেন, গোয়েন্দা কর্মকর্তাদের কিছু ক্ষেত্রে ক্ষমতায়ন করা যেতে পারে।

কাস্টমসের গঠন করা মানিলন্ডারিং ইউনিটের তদন্তে দেখা গেছে, বেশিরভাগ আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান অস্তিত্বহীন। যাচাই-বাছাই না করেই পাঠিয়ে দিচ্ছে ব্যাংকগুলো।

মানি লন্ডারিং ইউনিটের সদস্য নুর উদ্দিন মিলন বলেন, প্রতিষ্ঠানের অস্তিত্ব না থাকে সেক্ষত্রে যদি এলসি ওপেন করে সেক্ষেত্রে সুনির্দিষ্টভাবে চলে আসে ব্যাংকের কিছু অসাদু কর্মকর্তা এর সাথে জড়িত।

বিশেজ্ঞরা বলছেন, আমদানি রপ্তানি বাণিজ্যের আড়ালে প্রতি বছর শতকোটি টাকা পাচার হচ্ছে কিন্তু গলদ চিহ্নিত করা এবং জড়িতদের শাস্তির কোনো উদ্যেগ নেই।

চট্টগ্রাম শাখার অর্থনীতি সমিতির সাবেক সভাপতি ড. সিকান্দার খান বলেন, কারা জড়িত তাদের যে শনাক্ত করা যাবে না এটা ঠিক না। তারা যদি পদে পদে ব্যাপারটি অনুসন্ধান করে দেখেন এবং সেটা প্রতিষ্ঠিত হয় তাহলে এর জন্য মামলা হয় না কেনো।

  • সর্বশেষ