শিরোনাম
◈ ৪৯তম বিশেষ বিসিএসে বাদ পড়া আরও ৪০ জনকে নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি  ◈ আমার বক্তব্য থেকে এক ফোটাও সরব না, দেশে আর কোনো স্বপ্ন নেই: ঠিকানায় খালেদ মুহিউদ্দীন’ টকশোতে মুখোমুখি সালমান মুক্তাদির ◈ ফারুকী-তিশার বিচ্ছেদ গুঞ্জন: ভিত্তিহীন বলছে সংশ্লিষ্টরা ◈ ঘুষের টাকা দিয়ে পোশাক লাগিয়েছি ঘুষ খাব না তো কি বায়তুল মোকাররমের ইমাম হব: এএসআইর বক্তব্যে তোলপাড় ◈ দুর্গাপূজায় রাত ১০টা পর্যন্ত শপিংমল-দোকান খোলা রাখা যাবে ◈ ৭০০ পুলিশ সদস্যের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ◈ ৬ দিন বন্ধ থাকছে একাধিক ব্যাংকের অনলাইন-এটিএম-কার্ডসহ নানা সেবা ◈ বিমানবন্দরে লাগেজ হ্যান্ডলিং লাইভ সিসিটিভিতে দেখানোর দাবিতে আইনি নোটিশ ◈ দুর্গাপূজায় টানা পাঁচ দিনের ছুটি, আগের শনিবার খোলা থাকবে অফিস ◈ খাদ্য নিরাপত্তায় বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৩০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তি

প্রকাশিত : ২৮ মে, ২০১৯, ১০:০৫ দুপুর
আপডেট : ২৮ মে, ২০১৯, ১০:০৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পরিস্থিতি উত্তরণে আসন্ন বাজেটে পৌনে ১২ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনার দাবি বিজিএমইএ’র

মোহাম্মদ মাসুদ : পোশাকের দাম কমে যাওয়াসহ নান কারণে প্রতি মাসে বন্ধ হচ্ছে গড়ে ২০টি রপ্তানিমুখী কারখানা। এতে বেকার হচ্ছে হাজারো শ্রমিক। পরিস্থিতি উত্তরণে আসছে বাজেটে পৌনে ১২ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা দাবি করেছে মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি

দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮২ ভাগই আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। উদ্যেক্তারা বলছেন, বিশ্ববাজারে পোশাকের দাম কমে যাওয়া, শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি এবং সংস্কার কাজের ব্যয়সহ বিভিন্ন কারণে চাপে আছেন তারা। বিজিএমইএর হিসেবে গত এক মাসে শ্রমিকের বেতন ভাতা না দিতে পেরে বন্ধ হয়েছে ২২টি কারখানা। এতে বেকার হয়েছেন প্রায় ১১ হাজার শ্রমিক। ঈদের আগেও কিছু কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা উদ্যোক্তাদের।

রাজধানীর একটি হোটেলে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন বিজিএমইএ, বিটিএমইএ, বিকেএমইএ’র নেতারা। তৈরি পোশাক শিল্পকে বাঁচাতে সরকারের কাছে রপ্তানিতে নগদ ৫ ভাগ প্রণোদনা দাবি করেন তারা। বলেন, ৫ বছরে সুবিধা পেলে ঘুরে দাড়াবে এ খাত।

বিজিএমইএ’র সভাপতি রুবানা হক বলেন, শুধুমাত্র নিউমার্কেটের জন্য ৪% দিয়ে সাড়ে চারশ পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি হতে পারে। তাহলে সব মার্কেটের জন্য ৫% দেয় হয় তাহলে স্বাভাবিভাবে আমাদের সক্ষমতা বেড়ে যেতে পারে। নেতারা জানান রপ্তানিমুখী খাত হিসেবে তৈরি পোশাক শিল্প ভ্যাটের আওতা মুক্ত। তা সত্বেও ভ্যাট চালানসহ নানাধরণের নথি তাদের সংগ্রহ করতে হয়। এ নিয়ে এনবিআরের হয়রানির মুখেও পড়তে হয় তাদের।

অন্যতম শীর্ষ নেতা মোহাম্মদ হাতেম বলেন, আমি মুশক চালান দিলাম না তাতে রাষ্টের কি ক্ষতি হচ্ছে কারণ আমার তো ভ্যাট নেই। সহজ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী যেখানে বলছেন সেখানে তারা এগুলোকে আরও কঠিন করে তুলছে। সুতরাং সকল প্রকার ভ্যাটের অত্যাচার থেকে আমাদের মুক্তি দেয়া হোক। পোশাক শিল্প রক্ষায় ডলারের বিনিময় হার যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা, ভালো ঋণ গ্রহীতাদের প্রণোদনা দেয়াসহ গ্যাস-বিদ্যুতের দাম না বাড়ানোর দাবিও তুলে ধরেন বিজিএমই নেতারা।

  • সর্বশেষ