শিরোনাম
◈ মাটির নিচেই গোটা গ্রাম, ২০০ বছরের পুরোনো বাড়িতে আজও বসবাস করছেন হাজারো মানুষ! ◈ ৩৫৭ পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা আছে কি না, জানতে চাইল পুলিশ সদর দপ্তর ◈ দাঙ্গা নিয়ন্ত্রণ ও জনশৃঙ্খলা রক্ষায় আনসার সদস্যদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে তুরস্কের বিশেষজ্ঞ দল ◈ রাজনৈতিক দলগুলোর এত টাকা আসে কোথা থেকে, দল চালাতে কত টাকা লাগে: টিআইবির গবেষণা ◈ কাঙ্ক্ষিত দামে বিক্রি না হওয়ায় আবুধাবিতে ফেরত যাচ্ছিল ৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার স্বর্ণের ডিম, আটক ৬টি ◈ ওয়ারীতে বাসায় কুশ চাষ ও মাদক সরবরাহ, যুক্তরাষ্ট্রফেরত ২২ বছর বয়সী তৌসিফ গ্রেপ্তার ◈ বারে মদ্যপান শেষে প্রেমিকার সঙ্গে বিরোধের পর হেরোইন খুঁজতে টঙ্গীর মাঠে যান তাহসিফ: রিমান্ডে দীপের বয়ানে চাঞ্চল্যকর তথ্য ◈ দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্র মোকাবিলায় সবাইকে সতর্ক থাকার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ ক্রিপ্টোকারেন্সি চুরির পর হ্যাকাররা সেগুলো দিয়ে কী করে? কীভাবে নিজেদের নিয়ন্ত্রণে আনে? ◈ ভারত থেকে আসা ১৮ কোচগুলোতে যা যা বিশেষ ব্যবস্থা রয়েছে, আগামী সপ্তাহেই পরীক্ষামূলক চলাচল

প্রকাশিত : ২৮ মে, ২০১৯, ১০:০৫ দুপুর
আপডেট : ২৮ মে, ২০১৯, ১০:০৫ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পরিস্থিতি উত্তরণে আসন্ন বাজেটে পৌনে ১২ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনার দাবি বিজিএমইএ’র

মোহাম্মদ মাসুদ : পোশাকের দাম কমে যাওয়াসহ নান কারণে প্রতি মাসে বন্ধ হচ্ছে গড়ে ২০টি রপ্তানিমুখী কারখানা। এতে বেকার হচ্ছে হাজারো শ্রমিক। পরিস্থিতি উত্তরণে আসছে বাজেটে পৌনে ১২ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা দাবি করেছে মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ। ইন্ডিপেনডেন্ট টিভি

দেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮২ ভাগই আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। উদ্যেক্তারা বলছেন, বিশ্ববাজারে পোশাকের দাম কমে যাওয়া, শ্রমিকের মজুরি বৃদ্ধি এবং সংস্কার কাজের ব্যয়সহ বিভিন্ন কারণে চাপে আছেন তারা। বিজিএমইএর হিসেবে গত এক মাসে শ্রমিকের বেতন ভাতা না দিতে পেরে বন্ধ হয়েছে ২২টি কারখানা। এতে বেকার হয়েছেন প্রায় ১১ হাজার শ্রমিক। ঈদের আগেও কিছু কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা উদ্যোক্তাদের।

রাজধানীর একটি হোটেলে যৌথ সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য তুলে ধরেন বিজিএমইএ, বিটিএমইএ, বিকেএমইএ’র নেতারা। তৈরি পোশাক শিল্পকে বাঁচাতে সরকারের কাছে রপ্তানিতে নগদ ৫ ভাগ প্রণোদনা দাবি করেন তারা। বলেন, ৫ বছরে সুবিধা পেলে ঘুরে দাড়াবে এ খাত।

বিজিএমইএ’র সভাপতি রুবানা হক বলেন, শুধুমাত্র নিউমার্কেটের জন্য ৪% দিয়ে সাড়ে চারশ পর্যন্ত প্রবৃদ্ধি হতে পারে। তাহলে সব মার্কেটের জন্য ৫% দেয় হয় তাহলে স্বাভাবিভাবে আমাদের সক্ষমতা বেড়ে যেতে পারে। নেতারা জানান রপ্তানিমুখী খাত হিসেবে তৈরি পোশাক শিল্প ভ্যাটের আওতা মুক্ত। তা সত্বেও ভ্যাট চালানসহ নানাধরণের নথি তাদের সংগ্রহ করতে হয়। এ নিয়ে এনবিআরের হয়রানির মুখেও পড়তে হয় তাদের।

অন্যতম শীর্ষ নেতা মোহাম্মদ হাতেম বলেন, আমি মুশক চালান দিলাম না তাতে রাষ্টের কি ক্ষতি হচ্ছে কারণ আমার তো ভ্যাট নেই। সহজ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী যেখানে বলছেন সেখানে তারা এগুলোকে আরও কঠিন করে তুলছে। সুতরাং সকল প্রকার ভ্যাটের অত্যাচার থেকে আমাদের মুক্তি দেয়া হোক। পোশাক শিল্প রক্ষায় ডলারের বিনিময় হার যৌক্তিক পর্যায়ে রাখা, ভালো ঋণ গ্রহীতাদের প্রণোদনা দেয়াসহ গ্যাস-বিদ্যুতের দাম না বাড়ানোর দাবিও তুলে ধরেন বিজিএমই নেতারা।

  • সর্বশেষ