শিরোনাম
◈ জাতিসংঘের সর্বোচ্চ আদালতে মিয়ানমারের বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা গণহত্যা মামলার শুনানি শুরু ◈ নিজেকে ভেনেজুয়েলার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট ঘোষণা করলেন ট্রাম্প ◈ গণভোট প্রচারণার দায়িত্ব বিএনপির নয়: মির্জা ফখরুল (ভিডিও) ◈ পালিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনাও ছিল তাদের, যে কারণে খুন হন বনশ্রীর সেই শিক্ষার্থী ◈ তারেক রহমানের নির্দেশে যেসব ‘বিদ্রোহী’ প্রার্থী সরে দাঁড়ালেন ◈ ফিলিং স্টেশন-দোকানে ঝুলছে ‘গ্যাস নেই’, চরম বিপাকে গ্রাহকরা ◈ ৬৬টি আন্তর্জা‌তিক সংস্থা থেকে যুক্তরাষ্ট সরে যাওয়ার কারণে কতটা ক্ষতিগ্রস্ত হবে বাংলা‌দেশ ◈ বিক্ষোভ ছড়িয়ে ক্ষমতায় আসতে চান ইরানের যে নির্বাসিত নেতা ◈ আগামী নির্বাচনের ফলাফলে সুইং ভোটাররা 'প্রভাবক' হয়ে উঠতে পারেন ◈ মুক্ত বিশ্বকোষে উইকিপিডিয়া নিরপেক্ষতা হারাচ্ছে, মুছে ফেলা হচ্ছে জুলাই শহীদদের পেইজ!

প্রকাশিত : ৩০ এপ্রিল, ২০১৯, ০৬:৪২ সকাল
আপডেট : ৩০ এপ্রিল, ২০১৯, ০৬:৪২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নিহত দুই জঙ্গির আঙ্গুলের ছাপ নেয়ার সুযোগ নেই

ইসমাঈল হুসাইন ইমু : ঢাকার মোহাম্মদপুর বসিলায় সন্দেহভাজন জঙ্গি আস্তানায় র‌্যাবের অভিযানের মধ্যে বিস্ফোরণে নিহত দুইজনের ছিন্নভিন্ন দেহ চেনার উপায় নেই। তবে তারা দুই বছর আগে মিরপুর ও সীতাকুÐ অভিযানের সময় পালিয়ে যাওয়া দুই জঙ্গি কি না, তা খতিয়ে দেখার কথা বলেছেন একজন র‌্যাব কর্মকর্তা।

সিআইডির সহকারী পুলিশ সুপার খন্দকার তৌহিদ হাসান বলেন, মরদেহগুলো একেবারে ছিন্নভিন্ন হয়ে গেছে। আঙ্গুলের ছাপ নিয়েও পরিচয় শনাক্তের কোনো সুযোগ নেই। ডিএনএ পরীক্ষা বা অন্য কোনো সূত্র ধরে তাদের পরিচয় বের করতে হবে। সুজন ও সুমন নিহতদের প্রকৃত নাম কিনা সে ব্যাপারে তারা নিশ্চিত হতে পারেননি। বাড়ির মালিক ওয়াহাবও এর বেশি তথ্য দিতে পারেননি।
তবে মিরপুরের বর্ধনবাড়ীর জঙ্গি আস্তানার এক জঙ্গির কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। সীতাকুন্ডের  জঙ্গি আস্তানা থেকেও একজন পালিয়ে গিয়েছিল। বসিলায় নিহত দুজন তারা কি না সে বিষয়ে আমরা খোঁজ খবর নিচ্ছি।

২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে মিরপুরের বর্ধনবাড়ী এলাকায় ‘কমল প্রভা’ নামের একটি বাড়িতে র‌্যাবের অভিযানের মধ্যে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটানো হলে একই পরিবারের সাতজন নিহত হয়। ওই বছর মার্চ মাসে সীতাকুন্ডে কাছাকাছি দুটি জঙ্গি আস্তানায় অভিযানের সময় চারজন নিহত হয়, গ্রেপ্তার হয় নব্য জেএমবিতে জড়িত এক দম্পতি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়