মঈন মোশাররফ : জ্বালানি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ড.এম সামসুল আলম বুধবার নিউজ টুয়েন্টিফোরের ‘জনতন্ত্র গণতন্ত’ অনুষ্ঠানে বলেন, সকল জনগণেরই বিদ্যুত পাওয়ার অধিকার আছে। এই স্বীকৃতি সরকারই দিয়েছে। আমাদের মতো দেশের জন্য অবশ্যই এটা আশার কথা। কিন্তু শতভাগ বিদ্যুতায়ন বাস্তবায়নে আমাদের কৌশল কী হবে, সেটা নির্ধারণ করতে হবে। সেই কৌশল নির্ধারণের ক্ষেত্রে আমাদের সরকার বিভ্রান্তির শিকার।
তিনি আরো বলেন, এখন পর্যন্ত শতভাগ বিদ্যুতায়ন বাস্তবায়নে যা ঘটছে সে বিষয়ে সরকার তথ্য সংকটে রয়েছে। অর্থাৎ প্রকৃত তথ্য সরকার পাচ্ছে না। সরকারের যখন উন্নয়ন প্রক্রিয়া শুরু হয় তখন তার মধ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহল তাদের স্বার্থ উদ্ধার করে। তাদের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য অনেক কিছু থেকে সরকারকে আঁধারে রাখে। দেখা যাচ্ছে, ২০১৭ সালে যখন বিদ্যুতের দাম নির্ধারণ করা হলো, তখন পাইকারি বিদ্যুতের ঘাটতি দেখানো হলো ৪ হাজার কোটি টাকা। এক বছর পর তা দাড়ীয়ে গেল ৮ হাজার কোটি টাকার।
এ প্রসঙ্গে জ্বালানি ও বিদ্যুত প্রতিমন্ত্রী নজরুল হামিদ বিপু বলেন, আমরা আধারে বা অন্ধকারে নেই। আমরা আলোতেই আছি। এখানে বিভ্রান্তির অবকাশ নেই। আমাদের সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে শতভাগ, নিরবিচ্ছিন্ন ও সাশ্রয়ী বিদ্যুতায়ন। তবে যত দ্রুত পৌছাতে পারবো ততো ভালো। দক্ষিণ কোরিয়ার এই পর্যায়ে পৌঁছাতে সময় লেগেছে ৬০ বছর। তবে আমাদের এত সময় লাগবে না। আমাদের বিদ্যুতায়নের সক্ষমতা পূর্বের তুলনায় বর্তমানে অনেক ভালো।
তিনি আরো বলেন, এই বিষয়টি একটা প্রক্রিয়ার বিষয়। আমরা শতভাগ কাজ করে যাচ্ছি। আমরা অতি দ্রুত আমাদের লক্ষে পৌঁছাতে পারোবো ।