প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সাভার আমিনবাজারে বিআইডব্লিউটিএর উচ্ছেদ অভিযান

এম.এ.হালিম সাভার থেকে: সাভারে তুরাগ নদীর আমিনবাজার বড়দেশী এলাকায় নদীর তীর দখল করে গড়ে ওঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে অভিযান চালিয়েছে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডব্লিউটিএ)।  বুধবার সকাল ৯ টা থেকে শুরু হওয়া এ অভিযান চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

উচ্ছেদ অভিযানের সময় বিআইডব্লিউটিএ এর যুগ্ম পরিচালক একে এম আরিফ উদ্দিনের নের্তৃত্বে তুরাগ নদীর তীর ঘেষে সীমানা পিলারের অভ্যন্তরে গড়ে উঠা বিভিন্ন ধরনের অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়। এসময় উচ্ছেদ অভিযানে নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেটের দায়িত্ব পালন করেন মো. মোস্তাফিজুর রহমান।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, চলমান এ অভিযানে নদীর তীরবর্তি জমিতে গড়ে উঠা বিভিন্ন অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, কয়েকটি হাউজিং কোম্পানীর সীমানা পিলার গুড়িয়ে দেয়াসহ কয়েকটি কয়লা এবং বালুর গদি উচ্ছেদ করা হয়েছে। এছাড়া রাজ গ্রুপের একটি কয়লার গদি ২৫ লাখ টাকায় নিলাম করা হয়েছে।

তবে স্থানীয়দের অভিযোগ রাজ গ্রুপের কয়লার গতি নিলাম করাটি লোক দেখানো। যেখানে কয়েক কোটি টাকার কয়লা নদীর জমিতে রেখে জনগনের চলাচলে বাঁধার সৃষ্টি করা হয়েছে তা মাত্র ২৫ লাখ টাকায় নিলাম করা হলো। তাহলে আরও দুটি কয়লার গদি নিলাম না করে বালু মিশিয়ে নষ্ট করে দেয়া হলো কেন?

বিআইডব্লিউটিএ’র সহকারী পরিচালক মো. নুর হোসেন বলেন, উচ্ছেদ অভিযান চালানোর জন্য জাতীয় পত্রিকায় বিজ্ঞাপন দিয়ে, মাইকিং করে, দলখলদারকে নোটিশ প্রদান এবং মৌখিক ভাবে অবৈধ স্থাপনা সরানোর নির্দেশ দেয়া হলেও তা কোন কাজে আসেনি।

বিআইডব্লিউটিএ’র যুগ্ম-পরিচালক একে এম আরিফ উদ্দিন বলেন, ঢাকা শহরের চারদিকের নদীগুলোতে যে দখল এবং দূষনের মহোৎসব চলছে প্রকৃতপক্ষে নদীগুলোকে দখল-দূষন মুক্ত করাই এ চলমান অভিযানের মূল লক্ষ্য। এ অভিযানের মাধ্যমে নদীর জমি নদীকে ফিরিয়ে দেয়া এবং নদীর গতিপ্রবাহ ফিরিয়ে আনা হবে। আগামী এপ্রিলের মধ্যে ঢাকার পার্শ্ববর্তী চারটি নদীর দখলদারদেরকে উচ্ছেদ করা হবে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত