শিরোনাম
◈ চট্টগ্রামে ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনকালে দুর্ঘটনায় ২ সেনাসদস্য নিহত, আহত ১ ◈ বিআরটিএর অনুমতি ছাড়া স্লিপার বাস চালানো যাবে না: হাইকোর্ট ◈ সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য স্থানীয় সরকার নির্বাচন উপহার দিতে ইসি প্রস্তুত : সিইসি ◈ পলিথিন-প্লাস্টিকের ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ ডেঙ্গুর প্রকোপ সেপ্টেম্বরের শেষে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে: স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ◈ দুর্গাপূজায় বাংলাদেশ থেকে ইলিশ চায় ভারত, রপ্তানির বিষয়ে ইতিবাচক সরকার ◈ ১০০ ডলার ছুঁইছুঁই তেলের দাম, বাড়তে পারে আরও ◈ বাঁধনের ওপর হামলার খবর ইতালীয় গণমাধ্যমগুলোতে, তদন্তে বিশেষ পুলিশ ◈ আফ্রিকায় আশ্রয় চেয়ে আবেদন ৬০ হাজার বাংলাদেশির ◈ মার্কিন এফ-৩৫: আকাশের আধিপত্য নাকি প্রযুক্তিগত ত্রুটির বোঝা?

প্রকাশিত : ১৪ মার্চ, ২০১৯, ১১:১৪ দুপুর
আপডেট : ১৪ মার্চ, ২০১৯, ১১:১৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

‘বর্তমানে সবচেয়ে বেশি কলড্রপ গ্রামীণফোনে’

সাজিয়া আক্তার : মোবাইলে কথা বলার সময় হঠাৎ করে সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যাওয়াকেই বলে কলড্রপ। টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসির তথ্য অনুযায়ী, এখন সবচেয়ে বেশি কলড্রপ হচ্ছে গ্রামীণফোনে। টেলিকম কমপ্লায়েন্স অনুযায়ী, মাসে কলড্রপ ২ শতাংশের মধ্যে রাখার নির্দেশনা রয়েছে। অথচ গ্রামীণফোন কলড্রপ এখন ৩.৩৮ শতাংশ। তবে, প্রতিটি কলড্রপ নয়। তিনটি কলড্রপ হলে গ্রাহককে ক্ষতিপূরণ দেয় গ্রামীণফোন। খরচ বেশির অজুহাতে যন্ত্র ও তরঙ্গে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে না গ্রামীণফোনসহ অন্য অপারেটরগুলো। নতুন বিনিয়োগ ছাড়া টেলিকমে গ্রাহক সেবার মান রক্ষা করা সম্ভব নয়- বলছেন টেলিকম-খাত বিশেষজ্ঞরা। ডিবিসি টিভি

গ্রামীণফোন হেড অব রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স হোসেন সাদাত জানান, জানুয়ারিতে আমরা ক্ষতিপূরণ হিসেবে গ্রাহকদের প্রায় ৪.৫ মিলিয়ন মিনিটস দিয়েছি। একইভাবে গ্রাহকদের ফেব্রুয়ারি মাসে আমরা ৪ মিলিয়ন মিনিটস দিয়েছি, যারা এই ক্ষতিপূরণের প্রাপ্য ছিলেন।

কিন্তু এমন নিয়মে গ্রাহক প্রকৃত ক্ষতিপূরণ পাচ্ছে না বলে জানান টেলিকম-খাত বিশেষজ্ঞরা।

এই খাতের বিশেষজ্ঞ রোকন-উজ-জামান জানান, ধরা যাক, একজন ডাক্তার তাঁর রোগীর সঙ্গে কথা বলছেন। সে হয়তো দশ মিনিট কথা বলবেন, কিন্তু এই দশ মিনিটের সেশনে বাজার মূল্য দাঁড়াবে এক হাজার টাকা। মাঝপথে কলটা কেটে গেল, সেক্ষেত্রে আবার তাঁকে এই সেশনটা শুরু করতে হবে। তাহলে এই বিবেচনায় গ্রাহক শুধু টকটাইমের টাকার ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে না, তাঁর প্রোডাক্টিভ বাজার মূল্যও সে হারাচ্ছে। সুতরাং কোম্পানিগুলোকে এর ক্ষতিপূরণ দিতে হবে।

কলড্রপ কমাতে হলে, যন্ত্র ও তরঙ্গে নতুন বিনিয়োগ প্রয়োজন। কিন্তু খরচ বেশির অজুহাতে তা করছে না অপারেটরগুলো।

রবি হেড অব রেগুলেটরি অ্যাফেয়ার্স শাহেদ আলম জানান, যদি আমাকে গড়ে একটা কল ড্রপ কমাতে হয়, সেখানে কিন্তু আমাদের একটা উল্লেখযোগ্য বিনিয়োগের প্রয়োজন আছে। এই বিনিয়োগ আমরা তখনই করবো যখন দেখা যাবে সেখানে আমাদের একটা মুনাফার সুযোগ রয়েছে। না হলে এই বিনিয়োগের কোনও অর্থ থাকবে না।

সেই সঙ্গে, গ্রাহক সেবার মান রক্ষা করতে হলে, নতুনভাবে বিনিয়োগ করা ছাড়া উপায় নেই বলেও জানান টেলিকম খাত বিশেষজ্ঞরা। রোকন-উজ-জামান জানান, ‘যদি গ্রামীণফোনের মুনাফার দিকে তাকানো যায়, তাহলে দেখা যাবে এটা উল্লেখযোগ্য মাত্রার মুনাফা। গ্রামীণফোন মাত্র ২০০ মিনিয়ন ডলার বিনিয়োগ করেছে। অথচ গত বছরেই শুধু তারা ৪০০ থেকে ৫০০ মিলিয়ন ডলারের মুনাফা অর্জন করেছে। সুতরাং এই মুনাফার সাপেক্ষে স্পেকট্রামের দাম খুবই নগণ্য।

 

  • সর্বশেষ