শিরোনাম
◈ জ্বালানি অনিশ্চয়তায় ছাদভিত্তিক সৌরবিদ্যুতে ঝুঁকছে কারখানাগুলো, সক্ষমতা ৫০০ মেগাওয়াট ছাড়িয়েছে ◈ ২০৩০ সালে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানির ওপর ৫% কার্বন কর আরোপ করবে ইইউ ◈ ব্যাংকঋণে শীর্ষে সরকার, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও সার খাতে বাড়বে ভর্তুকি ◈ ইরান যুদ্ধ ঠেকাতে মাঠে চীন-পাকিস্তান, ৫ দফা পরিকল্পনা প্রকাশ ◈ সংবিধান সংশোধন বিশেষ সংসদীয় কমিটি গঠনের প্রস্তাব ◈ সিঙ্গাপু‌রের কা‌ছে এক গো‌লে হে‌রে এশিয়ান কাপ বাছাই শেষ করলো বাংলাদেশ ◈ সংবিধান কি মনে করিয়ে দেয় এটা একাত্তরের পরাজয়ের দলিল? প্রশ্ন পার্থের ◈ গাজী আশরাফ লিপুর আনুষ্ঠানিকভাবে দা‌য়িত্ব শেষ হলো, এবার পা‌বেন সম্মাননা ◈ সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ক্যান্সার আক্রান্ত, চিকিৎসার আবেদন করেছেন তার আইনজীবী ◈ বিগত সরকারের দুর্নীতিতে স্থবির স্বাস্থ্যখাত, সেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

প্রকাশিত : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০১:৩৩ রাত
আপডেট : ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০১:৩৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গুলশানের বাড়ি ছেড়ে দিচ্ছেন খালেদা জিয়া!

ক্লোজউই রিপোর্ট : প্রায় ৮ মাস বাড়িটির ভাড়া ও স্টাফদের বেতন বকেয়া পড়ায় গুলশানের বাসভবন ‘ফিরোজা’ ছেড়ে দিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। বর্তমানে বাড়িটি দেখভাল ও পরিচর্যা করার মানুষও নেই। বিষয়টি নিয়ে পরিবারের সদস্যরা কারাগারে খালেদা জিয়ার সঙ্গে সাক্ষাতের সময় কথা বলেছেন। দায়িত্বশীল সূত্র এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

সেনানিবাসের বাড়ি হাতছাড়া হওয়ার পর বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) কামরুল ইসলামের বাড়িটি ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন খালেদা জিয়া। যদিও জিয়াউর রহমানের মৃত্যুর পর গুলশানে সরকার থেকে পাওয়া বাড়িটি অন্যত্র ভাড়া দিয়ে রেখেছেন তিনি।

সূত্র জানায়, গুলশান-২ এর ৭৯ নম্বর রোডে ১ নম্বর বাড়িটিতে একাই বাস করতেন খালেদা জিয়া। নিজস্ব নিরাপত্তা ব্যবস্থা ছাড়াও বাড়িটিতে কর্মরত ছিলেন ১৫ জন স্টাফ। খালেদা জিয়া দুর্নীতি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত হয়ে কারাগারে যাওয়ার পর দলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন নেতা ৪ মাস ভাড়া পরিশোধ করেন। এর পর প্রায় ৮ মাস থেকে ভাড়া ও স্টাফদের বেতন দেয়া হচ্ছে না। ভাড়া-বেতন পরিশোধের দায়িত্বও নিচ্ছেন না কোনো নেতা। বেতন না পেয়ে স্টাফরাও একে একে বাড়ি ছেড়ে চলে যাচ্ছেন। প্রথমদিকে স্টাফদের বেতন খাওয়া-দাওয়াসহ আনুষঙ্গিক খরচ বিএনপির নেতারা বহন করলেও গত ৮ মাস থেকে তা বকেয়া পড়েছে। স্টাফরা একে একে চলে যাওয়ায় বাড়িটি এখন প্রায় অরক্ষিত। পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও রক্ষণাবেক্ষণ করার মানুষও এখন নেই।

বিএনপি সূত্র জানায়, বিষয়টি নিয়ে বাড়ির মালিক বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) কামরুল ইসলাম খালেদা জিয়ার ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দারের সঙ্গে কথা বলেছেন। সূত্রমতে, যেহেতু খালেদা জিয়ার সম্প্রতি মুক্তির কোনো সম্ভাবনা নেই, তাই তার পরামর্শে বাড়িটি ছেড়ে দিয়ে বাড়ির আসবাবপত্র শামীম ইস্কান্দারের বাসায় বা অন্য কোথায়ও সরিয়ে নেয়ার চিন্তা-ভাবনা চলছে।

প্রসঙ্গত. গত বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি মামলার রায়ের পর থেকে কারাগারে রয়েছেন খালেদা জিয়া। কারাগারে যাওয়ার আগ পর্যন্ত তিনি ‘ফিরোজা’য় বাস করছিলেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়