শিরোনাম
◈ চট্টগ্রাম বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষা ১৬ জুলাই পর্যন্ত স্থগিত ◈ স্বাস্থ্যখাতে বড় নিয়োগের ঘোষণা, দেশেই উন্নত চিকিৎসার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ◈ বিশ্বকাপে সাফল্যের স্বীকৃতি! কেপ ভা‌র্দের তারকা ফুটবলার  ভোজিনহার নামে নতুন প্রাণীর নামকরণ ◈ জাপান-তাইওয়ান পেরিয়ে এবার টাইফুন ‘বাভি’ ধেয়ে আসছে চীনের দিকে, নিরাপদ আশ্রয়ে ৬ লাখেরও বেশি মানুষ ◈ ডা. জুবাইদা রহমানের স্মৃতিবিজড়িত হোস্টেলে প্রধানমন্ত্রী, শিক্ষার্থীদের উচ্ছ্বাস ◈ বান্দরবানে বন্যা পরিস্থিতির অবনতি, রাঙামাটি-খাগড়াছড়ির সঙ্গে সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন ◈ চট্টগ্রাম বিভাগে বন্যার তাণ্ডব: ৩৯ প্রাণহানি, ক্ষতিগ্রস্ত ৯ লাখের বেশি মানুষ ◈ সরকারি নিয়োগে দীর্ঘ অপেক্ষা, শূন্য পদের সংখ্যা ৫ লাখ ছাড়াল ◈ ইমাম-খতিবদের উদ্দেশে ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সতর্কবার্তা ◈ সাবধান! চায়ে মেশানো হচ্ছিল কৃত্রিম রং কাঠের গুঁড়া, এমনকি চামড়ার বর্জ্য ও বিষাক্ত রাসায়নিক, জানুন চেনার ৪ উপায়

প্রকাশিত : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০২:০৩ রাত
আপডেট : ১৭ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০২:০৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ইসলাম প্রচারে সমকালীন বিদ্যায় পারদর্শী হতে হবে

আমিন মুনশি : বিজ্ঞানের উন্নতির এই যুগে দাওয়াতের অন্যতম মাধ্যম হচ্ছে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার। আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে অল্প সময়ে, কম কষ্টে অসংখ্য মানুষের কাছে দ্বীনি দাওয়াত পৌঁছে দেওয়া খুব সহজ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষের ফলে পৃথিবী এখন বলতে গেলে হাতের মুঠোয়। বিজ্ঞানের কল্যাণে গোটা বিশ্বই এখন একটি গ্রামে পরিণত হয়েছে। বর্তমান ডিজিটাল যুগ তথ্যপ্রযুক্তির। তথ্যপ্রযুক্তির এ যুগে ধর্মবিদ্বেষীরা এসব প্রযুক্তিকে ইসলাম ও মুসলমানদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করছে। তারা তাদের ওয়েবসাইট, ফেইসবুক, টুইটার, ইন্টারনেটের মাধ্যমে মুসলমানদের কাছে তাদের ভ্রান্ত মতাদর্শ ব্যাপকভাবে প্রচার করছে। আমরা এখনও দাওয়াতি কজে মসজিদের মিম্বর, বইপুস্তক, ওয়াজ মাহফিল ও তালিমি জলশার মধ্যে সীমাবদ্ধ। পত্রপত্রিকার মতো আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্বীনি দাওয়াত দেওয়ায় আমরা এখনও পুরোদমে এগিয়ে আসতে পারিনি।

ইতিহাস সাক্ষ্য দেয়, নবী-রাসুলগণ তাদের যুগে তৎকালীন প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে মহান আল্লাহর বিধান মানুষের কাছে প্রচার করেছেন। মুসা (আ.) এর যুগে জাদুর প্রভাব ছিল অধিক। মুসা (আ.) সে যুগের প্রেক্ষাপটে আল্লাহর দেওয়া মুজেজা ব্যবহার করে ফেরাউন ও তার সম্প্রদায়ের কাছে দ্বীনের দাওয়াত দিয়েছেন। ফলে অসংখ্য জাদুকর আল্লাহর প্রতি ঈমান এনেছিল। ঈসা (আ.) এর সময়ে চিকিৎসা বিদ্যার ব্যবহার ছিল বেশি। তাই তিনি আল্লাহ প্রদত্ত চিকিৎসা বিদ্যার ব্যবহারের মাধ্যমে দ্বীনি দাওয়াত দিয়েছেন। সর্বশেষ নবী মুহাম্মদ (সা.) এর সময়ে সাহিত্যের প্রভাব ছিল খুব বেশি। তাই তিনি আরবি সাহিত্য ব্যবহার করে আল্লাহর সুমহান বাণী মানুষের কাছে পৌঁছে দিয়েছেন।

সব নবী-রাসুল মানবজাতির কাছে গিয়ে মহান প্রভুর পরিচয় তুলে ধরে ইসলামের পথে দাওয়াত দিয়েছেন। সৎকাজের আদেশ, অসৎকাজের নিষেধ প্রদান করাই ছিল নবী-রাসুলদের কাজ। সব নবীই তার উম্মতকে তাওহিদ ও ইবাদতের আদেশ করেছেন এবং শিরক ও বিভিন্ন পাপকর্ম থেকে নিষেধ করেছেন। মহান আল্লাহ তায়ালা বলেন, ‘যারা অনুসরণ করে বার্তাবাহক উম্মি নবীর- যার উল্লেখ তারা তাদের কাছে রক্ষিত তাওরাত ও ইনজিলে লিপিবদ্ধ পায়, যিনি তাদের সৎকাজের নির্দেশ দেন এবং অসৎকাজ থেকে নিষেধ করেন।’ (সূরা আরাফ : ১৫৭)

দ্বীনি দাওয়াতের পদ্ধতি একদিকে যুগোপযোগী উন্নতমানের হওয়া দরকার, অন্যদিকে সমকালীন বাতিল শক্তির মোকাবিলা করার মতো যোগ্যতা, দক্ষতা ও কৌশল প্রয়োগের সক্ষমতা থাকাও জরুরি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়