প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

কিছু ভালোবাসা মোনেম মুন্নার জন্যও রাখুন আপনারা

লুৎফর রহমান হিমেল : কিছু ভালোবাসা মুন্নার জন্যও রাখুন আপনারা। মুন্না! কোন মুন্না? মুন্না, মোনেম মুন্না। আবাহনীর মুন্না। বাংলাদেশ জাতীয় দলের সেরা ডিফেন্ডার মুন্না। কলকাতার ইস্ট বেঙ্গলের হয়ে খেলা অসংখ্যবারের সেরা খেলোয়াড় মুন্না। দেশের বাইরে বাংলাদেশ ফুটবলে প্রথম শিরোপা জয় করে এনে দেয়া মুন্না। মুন্নাকে ভুলবেন না।
১২ ফেব্রুয়ারি ২০০৫। মোনেম মুন্না মাত্র ৩৯ বছর বয়েসে চলে গেছেন এই পৃথিবী ছেড়ে। ১২ ফেব্রুয়ারি মুন্নার ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী। অথচ এই তো সেদিনই ২০০৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারির ভোর ছয়টায় তিনি আমাদের ভুলে যাওয়ার সীমানায় চলে গেলেন। সেদিনই তো! বেশিদিনের কথা না কিন্তু।
ভোলা না ভোলা নিয়ে একটি ঘটনা বলি- আমি তখন প্রথম আলোয়। ঘটনাটি ২০০৮ সালের। সে বছর ঢাকা সিটি কর্পোরেশন কর্তৃপক্ষ মোনেম মুন্নার স্মরণে ধানমন্ডির ৮ নম্বর সেতুটির নামকরণ করে ‘মোনেম মুন্না সেতু’। সেই খবরটি প্রেসরিলিজ হিসেবে আসে আমাদের পত্রিকায়। সেই প্রেসরিলিজটি সম্পাদনা করেছিলেন আমাদের রিপোর্টিং বিভাগের এক সিনিয়র সাংবাদিক। আমি সংবাদটি পত্রিকার ১৭ নম্বর পৃষ্ঠায় মেকআপ করতে নিয়ে গেছি। দেখি, যতো জায়গায় ‘মোনেম মুন্না’ লেখা ছিলো, সেগুলোকে তিনি ‘মোনেম মান্না’ করে দিয়েছেন। আমি সেদিন বিস্মিত হয়েছিলাম, কীভাবে তার মতো একজন সিনিয়র সাংবাদিক মুন্নাকে চিনতে ব্যর্থ হলেন বা ভুলে গেলেন বা…!
ওই সিনিয়রের কথা বাদই দিই। মোনেম মুন্নার মৃত্যুবার্ষিকীতে আজকে বাফুফের প্রাক্তন খেলোয়াড় কর্তারা, ক্লাব কর্তারা কী করছেন? পত্রিকাগুলো কী ছেপেছে ১২ ফেব্রুয়ারি? অথচ পেলে, মেসি, নেইমারদের নিয়ে কতো লেখালেখি দেখি, কতো জায়গা বরাদ্দ। আফসোস! মুন্নার মতো প্লেয়াররা ব্রাজিল, আর্জেন্টিনা, হল্যান্ড, জার্মান, ইংল্যান্ডের মতো দেশে জন্মাতেন, তবে নিশ্চিতভাবে পৃথিবী খ্যাত হতেন তারা।
আমি আবাহনীর সমর্থক হয়েছিলাম মোনেম মুন্নার মতো খেলোয়াড়দের খেলা দেখে। তার ভক্ত মোহামেডানেও অসংখ্য। তার মৃত্যু দিনটায় তাই মনবিষাদে ভরে যায়।
মৃত মানুষের হয়তো কেউ থাকে না। তাই তার অবদানগুলোও বিস্মৃত হতে থাকে। জীবিতদের হয়তো কোনো ঠেকাই পড়ে না মরা মানুষদের অবদান স্বীকার করার। ফেসবুক থেকে

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত