শিরোনাম
◈ ভারতীয় ভিসা পেতে বাংলাদেশিদের জন্য আসছে নতুন পরিবর্তন ◈ আজ দুপুর ২টায় পদত্যাগের চূড়ান্ত ঘোষণা দেবেন ইশরাক হোসেন ◈ তিন বছর পর ভারতে ফিরছে আইপিএল নিলাম, ১৬ ডিসেম্বর গোয়ায় বসছে ক্রিকেটার কেনাবেচার আসর? ◈ মোহাম্মদ রিজওয়ান এবার অ‌ধিনায়ক হ‌য়েই ফির‌ছেন পা‌কিস্তান দ‌লে ◈ বাংলাদেশের বিরু‌দ্ধে সিরিজ শুরুর আগে স্কোয়াডে পরিবর্তন আনলো ওয়েস্ট ইন্ডিজ ◈ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে ঢাকার ২০ জোনে বিশেষ নজরদারি কমিটি ◈ মৃত্যুর পরও রেহাই নেই : মর্গের হিমঘরে নারীর মরদেহের সঙ্গে বিকৃত যৌনাচারের অভিযোগ ◈ মন্ত্রিসভা থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনের পদত্যাগের নির্দেশ নিয়ে ধোঁয়া ◈ নারী টি-টোয়েন্টিতে বাংলা‌দেশ দলের নতুন অধিনায়ক নাহিদা আক্তার ◈ পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সীমান্তে পরিস্থিতি হঠাৎ করেই খুব উত্তপ্ত, দফায় দফায় সংঘর্ষ

প্রকাশিত : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:০২ সকাল
আপডেট : ১৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৪:০২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অপরাধবিষয়ক অনুষ্ঠান উপস্থাপনের ক্ষেত্রে ভিজুয়াল মিডিয়াগুলোকে আরো সতর্ক ও সচেতন হওয়া উচিত বলে মনে করেন রাশেদা রওনক খান

সৌরভ নূর : ক্রাইম প্যাট্রলসহ বিভিন্ন অপরাধ বিষয়ক টিভি সিরিজগুলোর সামাজিক প্রভাব প্রসঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক রাশেদা রওনক খান বলেছেন, যে কোনো বিষয়েরই ভালো-মন্দ দুটি দিক আছে। তেমনি টিভি সিরিয়াল ক্রাইম প্যাট্রল এটিরও উভয় দিকই রয়েছে। এর মধ্য দিয়ে কেউ সচেতন হতে পারে আবার কেউ চট্টগ্রামের ঘটনাটির মতো অপরাধের হোতা হয়ে যেতে পারে, কোনটা হবে তা নির্ভর করছে দর্শকের দৃষ্টিভঙ্গির ওপর। তবে এটাও ঠিক, এ ধরনের কনটেন্ট দর্শকের মধ্যে বিভিন্ন প্রভাব ফেলতে পারে। যেমন বিভিন্ন হিন্দি-বাংলা সিরিয়াল দেখে আমাদের পারিবারিক জীবনে কলহ বেড়ে গেছে। আবার নির্মাতাদেরও দায়িত্ব দর্শককে কোনদিকে প্রণোদনা জোগাবেন। তবে এ ধরনের অনুষ্ঠান উপস্থাপনের ক্ষেত্রে ভিজুয়াল মিডিয়াগুলোকে সতর্ক এবং সচেতন দায়িত্ব পালন করা উচিত। এই প্রতিবেদকের সাথে আলাপকালে রাশেদা রওনক খান এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ভিজুয়াল মিডিয়ার শাখাগুলোকে সেন্সরের মাধ্যমে অনুষ্ঠান প্রচারের অনুমতি প্রদানের সিস্টেম শুরু করতে হবে। আমার দেশে ডিস লাইন আছে বলেই অন্য সংস্কৃতির সবকিছুই দেখার সুযোগ করে দিতে হবে সে রকমটা নয়, তাহলে একটা রাষ্ট্রের কন্ট্রোলিং পাওয়ার থাকলো কোথায়। রাষ্ট্রের কাজ শুধু তার নিজের দেশের গণমাধ্যমকে কন্ট্রোল করা নয়, বিদেশি চ্যানেলগুলো কী ধরনের কনটেন্ট দেখানো হচ্ছে সেগুলোকে কন্ট্রোল করাও তথ্য মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব এবং উচিত। সেক্ষেত্রে তথ্য মন্ত্রণালয় যদি মনে করে এই প্রোগ্রামটি আমাদের দেশের মানুষের মধ্যে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে তাহলে অবশ্যই সেই চ্যানেলটিকে বন্ধ করে দিতে হবে। যদি দেশকে শৃঙ্খলাবদ্ধ করতে ফেসবুকসহ সব গণমাধ্যকে নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আনা সম্ভব হয় তাহলে বিদেশি চ্যানেলগুলোকে নিয়ন্ত্রণ করা কেন সম্ভব হবে না।
অন্যদিকে আমাদের দেশে যারা গণমাধ্যমকে (ভিজুয়াল মিডিয়া) নিয়ন্ত্রণ করছেন তারা আসলে গণমাধ্যমের ভূমিকা ও রাজনীতিটাকে কতোটুকু বুঝতে পারেন। তাদের ভাবতে হবে, বুঝতে হবে কোন ধরনের কনটেন্ট দেশের সংস্কৃতি রক্ষায় বন্ধ করা উচিত। আসলে গণমাধ্যমের রাজনৈতিক প্রভাবকে যতোটা প্রাধান্য দেয়া হয় সেভাবে সামাজিক বিষয়গুলোকে ভাবা হয় না।

  • সর্বশেষ