শিরোনাম
◈ দাবি না মানলে সৌদি ছাড়তে প্রস্তুত রোনালদো ◈ বিএনপির কাইয়ুমের প্রার্থিতা বাতিল চেয়ে এবার আপিল বিভাগে নাহিদ ইসলাম ◈ দায়িত্বশীল সাংবাদিকতা প্রত্যাশা করে সরকার: প্রেস সচিব ◈ পাকিস্তান ৯ মার্চ বাংলা‌দেশ সফ‌রে আস‌ছে, খেল‌বে টি-‌টো‌য়ে‌ন্টি সি‌রিজ ◈ শ্রীলঙ্কার অনুরোধে বিশ্বকা‌পে ভারতের স‌ঙ্গে খেলতে পারে পাকিস্তান ◈ জনগণের টাকা লুটকারীদের শান্তিতে থাকতে দেওয়া হবে না: জামায়াত আমির ◈ বাংলাদেশের পরিচয় হবে মেধা দিয়ে, ধর্ম দিয়ে নয়: তারেক রহমান ◈ যশোর সীমান্তে আবারো আগ্নেয়াস্ত্রের চালান আটক ◈ ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচন নিয়ে কোনো ষড়যন্ত্র হলে দাঁতভাঙা জবাব দেওয়া হবে : তারেক রহমান ◈ বিশ্বকা‌পের উ‌দ্বোধনী ম‌্যা‌চে পরাজ‌য়ের দ্বারপ্রা‌ন্তে থাকা পা‌কিস্তান‌কে জয় এ‌নে দি‌লেন ফা‌হিম আশরাফ

প্রকাশিত : ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৭:৫৬ সকাল
আপডেট : ০৮ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৭:৫৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

অ্যালার্জি এবং অ্যাজমা কি আলাদা?

ডা. মো. সাব্বির আহমেদ : ডাক্তাররা চিকিৎসা দেয়ার পূর্বে রোগীর অন্তত ৩টি রোগ আছে কিনা তা জানার চেষ্টা করে থাকেন। রোগ ৩টি হলো অ্যাজমা বা হাঁপানি, হাইব্লাডপেশার বা উচ্চরক্তচাপ এবং ডায়াবেটিস। কারণ এসব রোগের সঙ্গে সামঞ্জস্য করেই বর্তমান রোগের চিকিৎসা কিংবা ওষুধ নির্ধারণ করা হয়। জিজ্ঞাসায় অনেক রোগীই বলে থাকেন তার হাঁপানি নেই, কিন্তু একটু বিস্তারিত জিজ্ঞাসা করলে জানা যায় তার ধুলাবালিতে গেলে শ্বাসকষ্ট হয়। সারাবছর সর্দি কাঁশি লেগেই থাকে কিংবা কিছু খাবার খেলেই সারা শরীরে লাল লাল ছোপ ছোপ হয়ে যায়। আসলে এটিই অ্যালার্জি। আর অ্যাজমা এবং অ্যালার্জি হলো মুদ্রার এপিঠ-ওপিঠ।

অ্যাজমা বা হাঁপানি কি?
শ্বাসনালীর প্রদাহজনিত রোগ অ্যাজমা বা হাঁপানি। যদি কোনো কারণে শ্বাসনালীগুলো অতিরিক্ত সংবেদনশীল হয়ে পড়ে এবং বিভিন্ন কারণে উদ্দীপ্ত হয় তখন শ্বাসনালীতে বাতাস চলাচলের পথে বাধার সৃষ্টি হয়।

এতে করে শ্বাস-প্রশ্বাসে কষ্ট হয়।

যে সমস্ত জিনিসে অ্যালার্জি হয়
ঘরের পুরনো ফাইল/ বইপত্রের ধুলা, ফুলের রেণু, কিছু ফলমূল, শাকসবজি, খাদ্যদ্রব্য, ছত্রাক, দূষিত বাতাস ও ধোঁয়া, কাঁচা রঙের গন্ধ এবং ঘরের চুনকাম থেকেও অ্যালার্জি হতে পারে। ঘরের অনেক দিনের জমে থাকা ধুলাবালিতে মাইট নামক এক ধরনের পোকা থাকে যা অ্যালার্জিজনিত হাঁপানির অন্যতম কারণ।

লক্ষণ
বুকের ভেতর শোঁ শোঁ শব্দ হওয়া। শ্বাসকষ্ট। বুক চেপে ধরা, দম বন্ধ হয়ে আসা। কাঁশি এবং রাতে শ্বাসকষ্ট কিংবা অতিরিক্ত কাঁশির কারণে ঘুম ভেঙে যাওয়া। কিছু রোগীর অবশ্য কাঁশি ছাড়া আর কোনো লক্ষণ থাকে না। এ ধরনের অ্যাজমাকে মেডিকেলের ভাষায় ‘কফ ভ্যারিয়েন্ট অ্যাজমা’ বলে। বেশির ভাগ সময়ই বংশগত কারণে অ্যাজমায় আক্রান্ত হতে দেখা যায়।

প্রতিকার
ধুলা এড়িয়ে চলতে হবে। ঘর পরিষ্কার এবং বিছানাপত্র ঝাড়ু দেয়ার সময় মুখে মাস্ক ব্যবহার করতে হবে। যে সমস্ত খাদ্যের কারণে অ্যালার্জি হয় যেমন- গরুর মাংস, ইলিশ মাছ, বোয়াল, চিংড়ি, মসুরের ডাল, পুঁইশাক, মিষ্টি কুমড়া, পাকা কলা, আনারস, বেগুন, নারিকেল ও হাঁসের ডিম ইত্যাদি না খাওয়া।হাঁপানি রোগ সম্পূর্ণ ভালো হয় না। তবে সঠিক সময়ে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হলে এই রোগটি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়