শিরোনাম
◈ শেখ হাসিনার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ এই দেশে আর নেই: তথ্য উপদেষ্টা (ভিডিও) ◈ এমসি কলেজে তরুণী ধর্ষণ, ১ জনকে মৃত্যুদণ্ড ও যাবজ্জীবন ৩ ◈ স্টার্টআপ উদ্যোক্তাদের ৫ লাখ থেকে ৫ কোটি টাকা সহায়তা দেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ◈ ঘরে বসেই এখন জমির গুরুত্বপূর্ণ নথি অনলাইনে খুঁজবেন যেভাবে ◈ চলমান এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রশ্নে ত্রুটি থাকলে পূর্ণ নম্বর দেওয়া হবে: আন্তঃশিক্ষা বোর্ড ◈ নতুন দায়িত্বে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ◈ ২০ জুলাই শরিকদের সঙ্গে প্রথম বৈঠকে বসছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণ এখনো পাননি অনেক নেতা ◈ ফের জেন-জি বিদ্রোহে টালমাটাল নেপাল, বালেন্দ্র শাহের পদত্যাগ দাবি (ভিডিও) ◈ এবার বিএনপি নেতাকে লাথি দেওয়া এমপির ভিডিও ভাইরাল ◈ ‘ফার্মের মুরগি’ মন্তব্যের প্রতিবাদে সড়কে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা, শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি

প্রকাশিত : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৬:৫৬ সকাল
আপডেট : ০৩ ফেব্রুয়ারি, ২০১৯, ০৬:৫৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রিজভী বললেন, প্রতারণাকারী সরকারের জয়োল্লাসের চা-চক্রে দেশের গণতন্ত্রমনা কোনো রাজনৈতিক দলই অংশগ্রহণ করেনি

শাহানুজ্জামান টিটু : প্রতারণাকারী সরকারের জয়োল্লাসের চা-চক্রে দেশের গণতন্ত্রমনা, গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশগ্রহণরত কোনো রাজনৈতিক দলই অংশগ্রহণ করেনি। যারা জনগণের ভোট লুট করেছে তাদের সাথে গণতন্ত্রপ্রেমী কোন ব্যক্তি, দল, গোষ্ঠী কেউই সেই লুটের আনন্দের পাপে অংশগ্রহণ করেনি। এটাই জনগণের বিজয়। এ মন্তব্য করেছে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। রোববার রাজধানীর নয়াপল্টন দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ মন্তব্য করেন।

রিজভী বলেন, গতকাল গণভবনে নির্বাচন পরবর্তী ‘২৯শে ডিসেম্বর রাতের ভোটের’ প্রধানমন্ত্রীর চা-চক্রে শেখ হাসিনার সদাহাস্য চেহারা ও সরকারের আনুকুল্য পাওয়া উৎফুল্ল উচ্ছিষ্ট রাজনীতিবিদ চেহারা দেখে মনে হয়েছিল তারা আনন্দে মাতোয়ারা।

তিনি বলেন, মহাভোট ডাকাতির পর অনুশোচনাহীন সরকারের চা-চক্রের এই আনন্দায়োজন দেখে একটি বিখ্যাত উক্তি মনে পড়লো, সেটি হলো-Pleasure without conscience' মানে বিবেকহীন আনন্দ। এই আনন্দ একটি সামাজিক পাপ। গোটা জাতির সাথে নির্লজ্জ মহা তামাশার নির্বাচনের পর উল্লসিত সরকারের চা-চক্রের আয়োজন বিবেকহীন আনন্দেরই সমতুল্য। জনগণের সাথে ডাকসু নির্বাচন প্রসঙ্গে বিএনপির এই নেতা বলেন, দুর্দশাগ্রস্ত গণতন্ত্রে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ কতটুকু সুষ্ঠ‚ নির্বাচন নিশ্চিত করতে পারে এ নিয়ে জনমনে সংশয় রয়েছে। যেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘ষ্ট্যান্ডার্ড’ বিচার করা হচ্ছে, জ্ঞানান্বেষণ বা সৃজনশীলতার শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনে নয়, বরং চা-সমুচা ও আলুর চপ এর মূল্যে।

পৃথিবীর দেশে-দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বজনীন সজ্ঞায় ‘Freedom of learning’ এবং ‘Freedom of research' এর প্রত্যয় বিধৃত। এর মূল লক্ষ্য হচ্ছে `To communicate the truth' অর্থাৎ সত্যের সঙ্গে যোগাযোগ স্থাপন। এটিই হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ‘Academic tone'। কিন্তু বাংলাদেশে বর্তমানে শিক্ষাব্রতীদেরকে এই শিক্ষা স্বর থেকে দুরে ঠেলে দেয়া হচ্ছে।

তিনি বলেন, শেখার স্বাধীনতা, গবেষণার স্বাধীনতার মাধ্যমে সত্যের সন্ধান কখনোই নিশ্চিত হবে না, যদি সেখানে সহাবস্থান ও পরমতসহিষ্ণুতার স্থান না থাকে। মুক্তকন্ঠে বিতর্কের স্বাধীনতা না থাকে। ক্যাম্পাসগুলো একদলীয় দুঃশাসনের প্রবল প্রতাপের অংশীদার বলেই এখন শিক্ষার উৎকর্ষতার চেয়ে চা-সিঙ্গারা-চপ-এর উৎকর্ষতার বাণী শুনতে পাওয়া যায়।

রিজভী বলেন, সুতরাং ডাকসু নির্বাচনে সব ছাত্র সংগঠনগুলোর সহাবস্থান নিশ্চিত না হলে ডাকসু নির্বাচন হবে মহাভোট ডাকাতির নির্বাচনের ধারাবাহিকতার আরেকটি সংযোজন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়