প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

আরেফিন সিদ্দিক বললেন, নির্বাচন কমিশনের সদস্যদের দ্বিমত প্রকাশ উন্নত গণতান্ত্রিক চর্চার অংশ

লিয়ন মীর : ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক বলেছেন, নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা ভিন্ন ভিন্ন মতপ্রকাশ করতেই পারে। দ্বিমত প্রকাশ উন্নত গণতান্ত্রিক চর্চার অংশ।

এ প্রতিবেদকের সঙ্গে আলাপকালে তিনি বলেন, প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার মতের সাথে ভিন্নমত প্রকাশ করেন নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার। তাদের এই ভিন্নমত প্রকাশের মধ্যমে বোঝা যাচ্ছে, নির্বাচন কমিশন গণতান্ত্রিক চর্চার মধ্য দিয়ে এগিয়ে যাচ্ছে। কেননা ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা গণতান্ত্রিক চর্চার অন্যতম উদাহরণ।

তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান। এই প্রতিষ্ঠানের সব সদস্যের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আছে। সব বিষয়ে সবার একমত হবে, এমনটা আশা করা ঠিক নয়। একটি বিষয়ের ওপর বিভিন্নজন বিভিন্ন মত প্রদান করবে এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু সংখ্যাগোরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে। তখন সেই সিদ্ধান্ত হবে সবার সিদ্ধান্ত। তখন সেটাতে দ্বিমত করা যাবে না। এটাই হচ্ছে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার উন্নত চর্চা এবং স্বচ্ছতার ও নৈতিকতার উদাহরণ।

তিনি আরো বলেন, গণতান্ত্রিক চর্চা আছে বলেই তো মতপ্রকাশে বাধা নেই। কিন্তু গণতান্ত্রিক চর্চাটা শুধুমাত্র একজনের দ্বিমতের জন্য হতে পারে না। সংখ্যাগরিষ্ঠতার চর্চা উপেক্ষা করাটা গণতান্ত্রিক চর্চা হতে পারে না। গণতান্ত্রিক চর্চায় সংখ্যাগরিষ্ঠতাকে প্রধান্য দিতে হবে।

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সিদ্ধান্ত গ্রহণের বেলায় নির্বাচন কমিশনের সদস্যরা নিজেদের সভায় দ্বিমত প্রকাশ করবে কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গৃহীত হওয়ার পরে বাইরে এসে প্রকাশ্যে সে বিষয়ে ভিন্নমত প্রকাশ করা ভালো দৃষ্টান্ত নয়। জনগণ এ বিষয়ে বুঝতে পারে, কী উদ্দেশ্য নিয়ে এমনটা করা হচ্ছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত