প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

পুনর্বাসনের ব্যবস্থা নেই মাদকসেবীদের

কালের কন্ঠ :  ১৪ বছরের কিশোর নূর নবীর চোখে-মুখে ঘুম, আর ক্লান্তির ছাপ। মুখে নেই দুরন্তপনা বা শিশুসুলভ চাহনি। বড় কয়েকটা জখমের দাগও সেখানে। রাজধানীর কারওয়ান বাজারে রেললাইনের পাশে ঘুমায় নূর নবী। সেখানে সম্প্রতি সে অকপটে জানায়, উচ্ছিষ্ট কুড়িয়ে যা আয় হয় তার বেশির ভাগ খরচ করে চাক্কি (ঘুমের ওষুধ), গাঁজা, ইয়াবা সেবনে। প্রশ্নের জবাবে সে বলে, ‘কয়েকজন স্যার একবার হাসপাতালে নিয়ে গেছিল। পরে আর কী করমু? সবাই খায়। আমিও খাই! কেউ তো বালা কইরা দেয় না। রাস্তায় না নামলে খামু কী?’

নূর নবী জানায়, গাবতলীর একটি বস্তিতে থাকে তার মা-বাবা। তিন ভাই ও এক বোন আছে তার। সংসারের অভাব-অনটন থেকে কাজের সন্ধানে বের হয়ে বন্ধুদের পাল্লায় পড়ে গাঁজা সেবন শুরু করে সে। একে একে অন্য মাদকও। ফুটপাতের বন্ধুরা তাকে শিখিয়েছে, ‘নেশা খেয়ে ঘুমিয়ে থাকলে ক্ষুধা লাগবে না, ঠাণ্ডা লাগবে না।’ একবার মাদক নিরাময় কেন্দ্রে যাওয়ার পর এখন নূর নবী বুঝতে পারছে, সে দিনে দিনে খারাপের দিকে যাচ্ছে। সে সুস্থ হয়ে স্কুলে যেতে চায়।

সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে নিয়মিত গাঁজা ও ইয়াবা সেবন করেন আব্দুল মালেক (৩৮)। বাসা লালবাগের শহীদনগরে। চার মাস আগে একবার অনেকের সঙ্গে তাঁকে আটক করা হয়। কারাগার থেকে দুই মাস পর তিনি ছাড়া পেয়েছেন। তিনি বলেন, ‘জেলেও মাদক আছে। আমার জীবনে অনেক সমস্যা। কিছুই ঠিক নাই। আর কে আমারে চিকিৎসা দিবে।’

নূর নবী ও মালেকের মতোই লাখো মাদকসেবী এভাবেই চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের আওতার বাইরে অন্ধকার জীবনে তলিয়ে আছে। তাদের কেউ কেউ মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রে গেলেও স্বল্পকালীন চিকিৎসায় সুস্থ হয়নি। অনেকেই গ্রেপ্তার হয়ে কারাগার থেকে মুক্তি পেয়েছে, কিন্তু মুক্তি মেলেনি মাদক থেকে।

তথ্যানুসন্ধানে দেখা গেছে, ছিন্নমূল বা দরিদ্র মাদকসেবীদের জন্য সরকারি বা বেসরকারি পর্যায়েও নেই পুনর্বাসনের ব্যবস্থা। মাদকসহ আটকের কারণে মাদকাসক্তদের আইনগত প্রক্রিয়ায় কারাগারে পাঠানো হচ্ছে। তবে সেই কারাগারে নেই মাদকাসক্তি

নিরাময়ের চিকিৎসা। দেশের কারাগারে এখন মোট বন্দির অর্ধেক মাদকাসক্ত। মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার হলেও মাদকসেবীদের পুনর্বাসনের দিকে নজর নেই। বিশেষ অভিযানেও গ্রেপ্তারকৃতদের মধ্যে প্রায় অর্ধেক মাদকসেবী।

বিশ্লেষকরা বলছেন, মাদকাসক্তি অপরাধ নয়, বিশ্বব্যাপী স্বীকৃত রোগ। এর দীর্ঘ মেয়াদি চিকিৎসা ও পুনর্বাসন প্রয়োজন। বর্তমান মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মাদকসেবীদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন পাওয়ার অধিকার থাকলেও মাদকসেবীদের অপরাধীর চোখেই দেখা হচ্ছে। মাদকাসক্তরাই মাদকের চাহিদা তৈরি করে। একজনের মাধ্যমে আরো কয়েকজন মাদকদ্রব্যে আসক্ত হয়ে পড়ে।

কোনো নির্ভরযোগ্য পরিসংখ্যান না থাকায় দেশে মাদকসেবীর সংখ্যা কত এ প্রশ্নের সঠিক উত্তর নেই কারো কাছে। বেসরকারি সংস্থার বরাত দিয়ে অনেক স্থানে বলা হয়, ৭০ লাখের বেশি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বলেছেন, “আমেরিকান ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব ড্রাগ অ্যাবিউজের তথ্য অনুসারে ‘মাদকাসক্তি দীর্ঘ মেয়াদি পুনঃপতনশীল মস্তিষ্কের রোগ’, যার জন্য চিকিৎসাসেবা একান্ত প্রয়োজন। দেশের ৭০ লাখ মাদকাসক্তকে সেবা দিয়ে মূল ধারায় আনা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য যা করা দরকার সে পদক্ষেপ আমরা নিচ্ছি।”

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহমুদুর রহমান কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘চিকিৎসা পাওয়া মাদকাসক্তদের চাহিদা ও অধিকার। এদের চিকিৎসার মাধ্যমে পুনর্বাসন দরকার। আটকে রাখলে লাভ নেই। আর কারবারিদের মধ্যে যাদের কম দণ্ড হবে তাদের বিচারের সঙ্গে পুনর্বাসনও করতে হবে। উদাহরণ হিসেবে বলতে পারি, জার্মানিতে মাদকে জড়িতদের আটক করার পরে জানতে চাওয়া হয় জেলে যাবে, নাকি চিকিৎসা কেন্দ্রে। সে অনুযায়ী প্রশাসন ব্যবস্থা নেয়।’

কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের চিফ কনসালট্যান্ট ডা. সৈয়দ ইমামুল হোসেন বলেন, মাদকাসক্তি একটি রোগ, এর চিকিৎসা পাওয়ার অধিকার সবারই আছে। মাদকাসক্ত ব্যক্তি অন্য অপরাধেও জড়িত থাকতে পারে। ফলে কারাগার বা হেফাজতেও তার চিকিৎসা দেওয়া উচিত। কারণ মাদকসেবী স্বাভাবিক জীবনে না ফিরলে আশপাশের অন্যদেরও সে মাদকাসক্ত করে তুলবে।

অভিযানে ধরা মাদকসেবীরাই

গত বছর জাতীয় সংসদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মাদকের বিরুদ্ধে অভিযানের ঘোষণা দেন। এরপর ৪ মে থেকে শুরু হওয়া অভিযানে প্রায় সোয়া লাখ মামলায় দেড় লাখ মাদক কারবারি ও মাদকসেবী গ্রেপ্তার হয়েছে। অভিযানে তিন শতাধিক মাদক কারবারি নিহত হয়েছে। তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, গ্রেপ্তারকৃতদের অর্ধেকই মাদকসেবী।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের ৪ মে থেকে ৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত চার হাজার ৮৫২টি অভিযানে আট হাজার ২৪৫ জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব। এ সময়ে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত এক হাজার ৩৫৩টি অভিযানে ১০ হাজার ৩১৯ জনকে সাজা দিয়েছেন। এদের মধ্যে আট হাজার ৮২৭ জন মাদকসেবী। মাত্র এক হাজার ৪৯২ জন কারবারি। ভ্রাম্যমাণ আদালতে কারাদণ্ড দেওয়া হয় আট হাজার ৮২৭ জনকে, ৪৯২ জনকে দেওয়া হয় অর্থদণ্ড। এই হিসাবে দেখা গেছে, র‌্যাবের হাতে মোট গ্রেপ্তার ১৮ হাজার ৫৬৪ জনের মধ্যে শতকরা ৪৭.৫৪ ভাগ মাদকসেবী। আর ভ্রাম্যমাণ আদালতে দণ্ডিতদের মধ্যে ৮৫.৫৪ শতাংশই মাদকসেবী।

ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীর ৫০টি থানা এলাকায় প্রতিদিনই অভিযান চালিয়ে মাদকসহ গড়ে ১০০ জনকে গ্রেপ্তার করে। এদের কাছে বিপুল পরিমাণ মাদক কমই মেলে। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের ধারণা, টহল অভিযানে গ্রেপ্তারকৃতদের বেশির ভাগই মাদকসেবী।

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক মুফতি মাহমুদ খান বলেন, ‘মাদকাসক্তরা আসলে রোগী। তাদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসন প্রয়োজন। এ জন্য সাধারণ মামলায় দীর্ঘসূত্রতার মধ্যে না ফেলে আমরা মোবাইল কোর্টে এদের সাজা দিচ্ছি। সেখানে স্বল্প মেয়াদে সাজার মাধ্যমে কারেকশনের সুযোগ থাকে। তবে চিকিৎসা ও পুনর্বাসনকে আমরা খুবই জরুরি মনে করছি। আমরা দেখি সামাজিক কারণে মাদকাসক্তদের পরিবারও আড়াল করতে চায়। সবাই তাদের অপরাধীর চোখেই দেখে।’

কারাগার থেকে ফিরে আবার মাদকে

কারওয়ান বাজারের মাদক কারবারি সেলিম এখন মিরপুরের গাঢাকা দিয়ে আছেন। জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘১০ বছর আগে আমি মাদক সেবন করতাম। একবার পুলিশের হাতে গাঁজাসহ গ্রেপ্তার হয়ে ছয় মাস জেলে ছিলাম। তখন দুজনের সঙ্গে পরিচয় হয়। পরে তাদের সঙ্গে মিলে গাঁজা আর ফেনসিডিল বিক্রি শুরু করি। প্রথম দিকে পরিবার একবার নিরাময় কেন্দ্রে নিছিল। ১৫ দিন ছিলাম। টাকা দিতে পারে নাই, তাই চিকিৎসাও হয় নাই!’

রাজধানীর কামরাঙ্গীর চরের এক বৃদ্ধা জানান, মাদকাসক্ত ছেলের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে তিনিই ছেলেকে পুলিশে দেন। এরপর মামলা দিয়ে জেলে পাঠান। এ জন্য ১০ হাজার টাকা খরচ হয় তাঁর। সাত মাস পরে ছেলেকে আবার ছাড়িয়ে আনেন। তখন দেখেন আগের চেয়ে বেশি খারাপ অবস্থা।

কয়েকজন মাদকসেবীর সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, কারাগারে টাকার বিনিময়ে সব ধরনের মাদকদ্রব্যই পাওয়া যায়। সেখানে চিকিৎসাকেন্দ্রে মাদকাসক্তদের নেওয়া হয় না। একটি কক্ষে রেখে আলাদা করে ব্রিফিং দেওয়া হয়। এ ছাড়া মাদকাসক্তদের কিছু বাড়তি ওষুধ দেওয়া হয় বলেও জানায় তারা।

কারা অধিদপ্তরের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজি প্রিজন) ব্রিগেডিয়ার জেনারেল সৈয়দ ইফতেখার উদ্দিন গত বছরের কারা সপ্তাহের অনুষ্ঠানে বলেন, কারাগারে যত বন্দি আছে, তার ৩৫.৯ শতাংশ মাদকের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে বলেন, জেলখানার ধারণক্ষমতা ৩৭ হাজার। বর্তমানে বন্দির সংখ্যা ৯০ হাজার পার হয়েছে। এদের মধ্যে ৪৩ হাজারই মাদকসংশ্লিষ্ট কারণে কারাগারে আছে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) এক পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, ২০১১ সাল থেকে ২০১৮ সালের মার্চ মাস পর্যন্ত চার লাখ ৪২ হাজার ৩০৫টি মাদক মামলায় পাঁচ লাখ ২৪ হাজার ১০৩ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ২০১৭ সালের ডিএনসির অতিরিক্ত পরিচালক মজিবুর রহমান পাটওয়ারি কারাগারে মাদকাসক্ত বন্দিদের বিষয়ে একটি প্রস্তাব তৈরি করে নিজ কর্তৃপক্ষকে দেন। তিনি কালের কণ্ঠকে বলেন, একটি হিসাব অনুযায়ী, ৭৯ হাজার কারাবন্দির ৩৫ শতাংশ মাদকাসক্ত। তাদের আলাদা করে রাখা হয় না এবং বিশেষভাবে চিকিৎসার ব্যবস্থা করা যাচ্ছে না। এ কারণে মুক্তি পেলেও তারা মাদক ছাড়ে না। অথচ এই একটি জায়গায়ই বড় অংশকে পুনর্বাসন করা যায়। এ জন্য আলাদা বেড, অভিজ্ঞ চিকিৎসক তৈরিতে সহায়তা করতে হবে। সূত্র জানায়, পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে গত বছর আট দফা প্রস্তাব তৈরি করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠায় ডিএনসি। এতে আলাদা চিকিৎসক, আলাদা বেড, যারা সেবা দেয় তাদের প্রশিক্ষণ, কাউন্সেলিংয়ের সুপারিশ করা হয়।

কারা সূত্র জানায়, দেশের ৬৮ কারাগারে মাদকাসক্ত বন্দিদের চিকিৎসার জন্য ‘মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র’ নির্মাণে প্রকল্প প্রস্তাব তৈরি করেছে কারা অধিদপ্তরও। প্রকল্পটির নাম ‘কেন্দ্রীয় কারা হাসপাতাল ও মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্র’। প্রায় ২৭৯ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পটির কাজ গত বছর শুরু হওয়ার কথা থাকলেও তা হয়নি। ডিআইজি প্রিজন তৌহিদুল ইসলাম তিন মাস আগে কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘সে উদ্যাগটি কোন অবস্থায় আছে তা আমার জানা নেই।’

রোগ বিবেচনায় চিকিৎসা জরুরি

ডিএনসির কেন্দ্রীয় মাদকাসক্তি নিরাময় কেন্দ্রের চিকিৎসক রাহেনুল ইসলাম বলেন, ‘চিকিৎসাবিজ্ঞানী রবার্ট জেলেনিক ১৯৫৬ সালে প্রথম তাঁর বইয়ে মাদকাসক্তিকে রোগ বলে প্রমাণ করেন। এর পর থেকে উন্নত বিশ্বে মাদকাসক্তদের বিচার ও পুনর্বাসন প্রক্রিয়ায় ব্যাপক পরিবর্তন আসে। তবে আমরা নানা সীমাবদ্ধতায় সেটা পারছি না। হেফাজতে বা কারাগারে চিকিৎসা ও পুনর্বাসন নেই। অথচ পাশের দেশ মালয়েশিয়া ও থাইল্যান্ডেও এ ব্যবস্থা আছে। কারাগারে নিরাময়ের এই কার্যক্রমকে বলা হয় ‘থেরাপিটিক কমিউনিটি’।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮-এর ৩৬ ধারার ৪ উপধারায় বলা আছে, ‘কোনো ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি মাদকসেবন ব্যতীত অন্য কোনোরূপ মাদক অপরাধী হিসেবে প্রতীয়মান না হন, তা হইলে আদালত ওই ব্যক্তিকে মাদকাসক্ত ব্যক্তি বিবেচনার্পূক যেকোনো মাদকাসক্তি চিকিৎসা কেন্দ্রে স্বীয় অথবা পরিবারের ব্যয়ে মাদকাসক্তি চিকিৎসার জন্য প্রেরণ করিবেন।’ আরো বলা হয়েছে, ‘যদি মাদকাসক্ত ব্যক্তি এইরূপ চিকিৎসা গ্রহণে অনিচ্ছা প্রকাশ করেন, তাহা হইলে তিনি অন্যূন ছয় মাস অনূর্ধ্ব পাঁচ বছর কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হইবেন।’

ডিএনসির পরিচালক (চিকিৎসা ও পুনর্বাসন) এস এম জাকির হোসেন কালের কণ্ঠকে বলেন, ২০১৮ সাল পর্যন্ত দেশে সরকারি চারটি ও বেসরকারি ২৮৪টি চিকিৎসাকেন্দ্র প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সরকারি কেন্দ্রে এক বছরে ২৫ হাজার ১৪৩ জন মাদকাসক্ত চিকিৎসা নিয়েছে। বেসরকারি কেন্দ্রের মাধ্যমে চিকিৎসা নিয়েছে ৫৬ হাজার ৩৩৯ জন মাদকাসক্ত। ২৫টি জেলায় নিরাময়কেন্দ্রই নেই।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত