শিরোনাম
◈ পরাজয় দিয়ে মৌসুম শুরু ‌মে‌সির ইন্টার মায়ামির ◈ নতুন সরকারের সামনে অর্থনৈতিক চ্যালেঞ্জ, পোশাক খাতে শঙ্কা: সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের বিশ্লেষণ ◈ পদত্যাগ করলেন ঢাবি ভিসি অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান ◈ বগুড়া ও শেরপুরের উপনির্বাচন কবে নাগাদ, জানালো ইসি ◈ শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের তৃতীয় টার্মিনাল বিষয়ে সভা ◈ জামায়াত আমিরের স্ত্রীসহ সংরক্ষিত মহিলা আসনে আলোচনায় যারা ◈ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সৌদি রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ নগদে বিনিয়োগে আগ্রহী জামায়াতের এমপি ব্যারিস্টার আরমান! ◈ মদকাণ্ডে আটকের খবরে তোলপাড়, যা বললেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী! ◈ গ্রোসারি শপ, চা-পান চটপটি-ফুচকাসহ দেশি খাবারের সমাহার, প্রাচীন সভ্যতার দেশে যেন এক টুকরো বাংলাদেশ!

প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারী, ২০১৯, ০২:৫৩ রাত
আপডেট : ৩০ জানুয়ারী, ২০১৯, ০২:৫৩ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

গালভরা প্রতিবেদন সবাই দিতে পারে : দুদক চেয়ারম্যান

নিউজ ডেস্ক: ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) ও গ্লোবাল ফিন্যান্সিয়াল ইন্টেগ্রিটি'র (জিএফআই) প্রতিবেদন প্রসঙ্গে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ বলেছেন, ‘গালভরা প্রতিবেদন' সবাই দিতে পারে। কারা কীভাবে কোথায় অর্থপাচার করছে সবকিছু সুনির্দিষ্ট বলতে হবে। তা না-হলে, এই মহাসমুদ্রে দুদক কাকে ধরবে?

টিআইবি ও জিএফআই’র প্রতিবেদন নিয়ে মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) সেগুনবাগিচায় কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় এ মন্তব্য করেন তিনি।

ইকবাল মাহমুদ বলেন, ‘গালভরা প্রতিবেদন' সবাই দিতে পারে। তাদের বলতে হবে কোন সরকারি কর্মকর্তা, কোন রাজনৈতিক দলের নেতা দুর্নীতি করছে। কারা কীভাবে কোথায় অর্থপাচার করছে। সবকিছু সুনির্দিষ্ট বলতে হবে। তা না হলে, এই মহাসমুদ্রে দুদক কাকে ধরবে?

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, কারা দুর্নীতি করেছে, কোথায় কোন খাতে দুর্নীতি হয়েছে, টাকার অংকে তা কত, এসব যদি প্রতিবেদনে না থাকে তাহলে তা বিশ্বাসযোগ্য হবে না।

তিনি আরও বলেন, নিশ্চয়ই তাদের কাছে ‘ফ্যাক্টস অ্যান্ড ফিগার' আছে। তবে তাদের প্রতিবেদন এখনও আমরা হাতে পাইনি। তাদেরকে আমরা আগেও বলেছি, প্রতিবেদন তৈরিতে আপনারা কোন্ গবেষণা পদ্ধতি অনুসরণ করেন, আমাদের জানান।

প্রসঙ্গত, মঙ্গলবার (২৯ জানুয়ারি) ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ জানায়, ২০১৮ সালে দুর্নীতির ধারণা সূচকে বাংলাদেশের অবস্থান ১৩তম। এর আগে সোমবার ওয়াশিংটনভিত্তিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান জিএফআই তাদের গ্লোবাল রিপোর্টে জানায়, ২০১৫ সালেই বাংলাদেশ থেকে পাচার হয়েছে ৫০ হাজার কোটি টাকারও বেশি।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়