শিরোনাম
◈ ডেঙ্গুতে একদিনে সর্বোচ্চ মৃত্যুর রেকর্ড, হাসপাতালে ভর্তি ১,৯৪৩ ◈ মালয়েশিয়ায় ১০ হাজার বাংলাদেশি কর্মী বিনা খরচে নিয়োগ, অনুমোদন পাচ্ছে ৩৩৮ এজেন ◈ সংরক্ষিত নারী আসনের উপনির্বাচন: শুক্রবার থেকে মনোনয়ন ফরম বিতরণ করবে বিএনপি ◈ কৃষিকে লাভজনক খাতে পরিণত করতে হবে, কৃষকদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের আহ্বান রাষ্ট্রপতির ◈ গাজীপুরে স্বামীকে পাশের ঘরে আটকে গার্মেন্টসকর্মীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগ ◈ বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর যে জরুরি নির্দেশনা ◈ ভিনিসিউসের চার ম্যাচ নিষেধাজ্ঞা, এল ক্লাসিকোয় খেলতে পারবেন না ◈ বাংলাদেশের ১৬ হাজার কিলোমিটার নৌপথ সঠিক ব্যবহার হচ্ছে না, কাজে লাগানোর আহ্বান নৌমন্ত্রীর ◈ আইএমএফের নতুন ঋণ পেতে শর্ত পূরণে রাজি বাংলাদেশ, যেসব বিষয়ে চলছে আলোচনা ◈ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে ঠিকাদারের হুমকি ‘এক থাপ্পড়ে ঠিক করে দেব’, জবাবে প্রকল্প পরিচালক বলেন ‘আমিও ছাত্রদলের নেতা ছিলাম'

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০১৯, ০৩:৫২ রাত
আপডেট : ২৮ জানুয়ারী, ২০১৯, ০৩:৫২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ব্যাংক ঋণে অতি নির্ভরতায় সচল হচ্ছে না বন্ড মার্কেট বললেন, অধ্যাপক শাহজাহান মিনা

জিয়ারুল হক : বাংলাদেশের শেয়ার মার্কেট সক্রিয় থাকলেও সচল হচ্ছে না বন্ড মার্কেট। দেশে বন্ড মার্কেট নেই বললেই চলে কোম্পানিগুলোর মূলধন সংগ্রহের ক্ষেত্রে ব্যাংক ঋণের ওপর অতি নির্ভরতাই এ অবস্থার জন্য দায়ী । বলেছেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিন্যান্স বিভাগের অধ্যাপক শাহজাহান মিনা। সূত্র : ডিবিসি নিউজ।

 

বন্ড হচ্ছে এক ধরনের ঋণচুক্তিপত্র। যার মাধ্যমে কোনো বড় কোম্পানি অন্য পক্ষের কাছ থেকে ঋণ নিয়ে থাকে। বড় প্রকল্পে অর্থায়নের জন্য অনেক দেশের সরকার বন্ড ছেড়ে থাকে। সাধারণ শেয়ারের চাইতে বন্ডে বিনিয়োগে ঝুঁকি কম, এবং এখানে নির্দিষ্ট হারে লভ্যাংশ পাওয়া যায়। তাই সাধারণ বিনিয়োগকারীরা বন্ডে বিনিয়োগ করতে স্বাচ্ছন্দ বোধ করবে।

 

 

 

অর্থনীতিবিদ শাহজাহান মিনা বলেন, কোম্পানিগুলো ব্যাংক ঋণের প্রতি বেশি ঝুঁকে পড়ার কারণে বন্ড মার্কেট গতি পাচ্ছেনা। তিনি বলেন কর্তৃপক্ষ যদি কোম্পানিগুলোকে অনুমোদনের ক্ষেত্রে, মূলধনের ৭৫ শতাংশ ইকুয়িটি দিয়ে এবং বাকি ২৫ শতাংশ বন্ড দিয়ে করার ব্যবস্থা করতো তাহলে বন্ড মার্কেট গতিশীল হতো। এদিকে ব্যবসায়ী নেতারা বলেন, বন্ড মার্কেট সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করে দিলে মার্কেটে প্রচুর বিনিয়োগ আসবে।

 

এ ব্যাপারে ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি, মোশতাক সাদেক বলেন, পুঁজিবাজারের বিকাশের স্বার্থে বন্ড মার্কেটের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা করা দরকার, এখানে ট্রেড হয় ব্যাংক হতে ব্যাংক, ব্যাংক হতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মাধ্যমে। বন্ড যদি ষ্টক মার্কেটে ছেড়ে দেয়া হতো তাহলে বন্ড মার্কেট অনেক সমৃদ্ধ হতো। তার দাবি বন্ড মার্কেট না দাঁড়ালে ক্যাপিটাল মার্কেট বড় হবে না।

 

ডিএসই’র সাবেক সহসভাপতি আহমেদ রশীদ লালী বলেন, বন্ডকে ফেমাস করতে হলে, জনপ্রিয় করতে হলে ছোট আকারে হলেও ষ্টক মার্কেটে আনতে হবে। আমরা চাই বাজারে নতুন প্রডাক্ট আসুক, তবে অবশ্যই পাঁচ হাজার টাকার বেশি ইউনিট হওয়া যাবে না। বিশ্লেষকদের দাবি সাধারণ জনগণকে বন্ড কেনার সুযোগ দিলে দেশের পুঁজিবাজার স্বরূপে ফিরবে। সাধারণ মানুষের আস্থা বাড়বে পুঁজিবাজারের প্রতি। তারা বিনিয়োগে আগ্রহী হবে সেই সঙ্গে বিেিয়াগ বৃদ্ধি পাবে।

  • সর্বশেষ