প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

তামিল নাড়ু উপকূলে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় গাজা

বাংলা ট্রিবিউন : ইতিমধ্যে শুরু হওয়া ঘূর্ণিঝড় গাজা ধেয়ে আসতে শুরু করেছে ভারতের তামিল নাড়ু উপকূলে। এরইমধ্যে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে উপকূলের ১২ হাজার মানুষকে। দেশটির সম্প্রচারমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, ঘূর্ণিঝড়টি এরই মধ্যে রাজ্যের রাজধানী চেন্নাই থেকে ৩০০ কিলোমিটার দূরের স্থলভাগ নাগাপাত্তিনাম এলাকায় ঢুকে পড়েছে। দক্ষিণপশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় গাজা তামিল নাড়ুর পামবান ও কুদ্দালোর উপকূলের মধ্য দিয়ে বৃহস্পতিবার রাতে অতিক্রম করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

চেন্নাইয়ের আবহাওয়া দফতরের কর্মকর্তা ড. এস বালাচন্দ্রণের আশঙ্কা আগামী তিন থেকে চার ঘণ্টার মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়টি তীব্র আঘাত হানতে পারে। ঘূর্ণিঝড় প্রস্তুতির অংশ হিসেবে রাজ্য সরকার এরই মধ্যে ৬ হাজার ত্রাণ কেন্দ্র খুলেছে, প্রস্তুত রাখা হয়েছে আটটি উদ্ধারকারী দল।

তামিল নাড়ুর ত্রাণ কমিশনার ড. কে সত্যগোপাল বলেছেন, ‘বাতাসের গতিবেগ একশো কিলোমিটারের বেশি বলে আমরা দেখতে পাচ্ছি’। ঘূর্ণিঝড়ে রাস্তাঘাট এবং বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে কৃষি জমি, সমুদ্রের পানিতে প্লাবিত হতে পারে নিম্নাঞ্চল।

তামিল নাড়ুর আবহাওয়া বিভাগের সতর্কতায় বলা হয়েছে, নাগাপাত্তিনাম, কুদ্দালোর, থাঞ্জাবপুর, তিরুভারপুরসহ বেশ কয়েকটি এলাকায় ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে। এছাড়া কোনও কোনও অঞ্চলে তীব্র ভারী বৃষ্টি হতে পারে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলার ঊর্ধ্বতন সরকারি কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করে এলাকায় থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রস্তুত রাখা হয়েছে, নৌবাহিনীর দুটি জাহাজ, হেলিকপ্টার ও দ্রুতগামী হাল্কা নৌযান। ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে চারটি যাত্রা বাতিল করেছে দক্ষিণাঞ্চলীয় রেল প্রশাসন।

প্রয়োজনীয় সামগ্রীসহ ৬ হাজার ত্রাণ কেন্দ্র প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তৈরি রাখা হয়েছে নয় হাজার জরুরি উদ্ধার কর্মীকে। মোবাইল যোগাযোগ নিরবিচ্ছিন্ন রাখতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে জেলা প্রশাসনের কর্মীরা।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে নাগাপাত্তিনাম জেলার প্রায় সাড়ে দশ হাজার মানুষকে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ