শিরোনাম
◈ ‘হাজার বার জয় বাংলা স্লোগান দেব’ তারেক রহমানের মঞ্চে ছাত্রদল নেতা ◈ পোস্টাল ব্যালট: চার লক্ষাধিক প্রবাসীর ভোটদান সম্পন্ন ◈ শুধু ভোট দিয়ে চলে আসলে হবে না, হিসাব কড়ায়-গন্ডায় বুঝে নিতে হবে: তারেক রহমান ◈ অবশেষে হাইকোর্টে জামিন পেলেন নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ নেতা সাদ্দাম ◈ সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিপূরণ পেতে আবেদন করা যাবে অনলাইনে, যেভাবে করবেন ◈ তথ্য গোপনে ছাড় নেই, ঋণখেলাপি ও দ্বৈত নাগরিকত্বে ভোটের পরেও ব্যবস্থা: ইসি মাছউদ ◈ ডাকসু থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিলেন সর্বমিত্র চাকমা ◈ খিলক্ষেতে এনসিপি প্রার্থী আরিফুলের জনসংযোগে হামলা, অভিযোগ বিএনপির বিরুদ্ধে (ভিডিও) ◈ ‘৫০ হাজার পুলিশ নিয়ে থাকলেও ঘরে গিয়ে মেরে ফেলব’ ◈ বেনাপোল বন্দরে এক দিনে ১৫১১ যাত্রী পারাপার, ৩৩৬ ট্রাক বাণিজ্যে রাজস্ব আদায় ১১ কোটির বেশি

প্রকাশিত : ২৫ অক্টোবর, ২০১৮, ০৯:৫৮ সকাল
আপডেট : ২৫ অক্টোবর, ২০১৮, ০৯:৫৮ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রথম কর্মসূচিতেই সরকারের মাথা ধরেছে : ঐক্যফ্রন্ট

সাব্বির আহমেদ : দল নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে একাদশ জাতীয় নির্বাচনের দাবিতে শান্তিপূর্ণ ও সফলভাবে নিজেরদের প্রথম কর্মসূচি পালন করলো জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

বুধবার পুণ্যভূমি সিলেটের রেজিস্টারী মাঠে নাগরিক ঐক্যের সমন্বয়ে গঠিত সরকারবিরোধী এ জোট জনসভায় ব্যাপক লোকের সমাগম ঘটে। ওইদিন সকালে মাজার জিয়ারত, বিকেলে ছোট মাঠে বড় জনসভা- পুরো বিষয়টি ঐতিহাসিক দেখছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট।

জোটের নেতারা বলছেন, সমাবেশের আগের রাতে পুলিশের ব্যাপক ধর-পাকড় উপেক্ষা করেও আশানুরূপ লোকসমাগম হয়েছে। লোকারণ্য হয়েছে সিলেটের রেজিস্টারী মাঠ।

বৃহস্পতিবার সিলেট থেকে ঢাকায় ফিরে সমাবেশ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় এই প্রতিবেদককে এসব কথা বলেন জোটের শীর্ষ নেতারা।

প্রথম কর্মসূচি ঘোষণার পর থেকে ঐক্যফ্রন্টের নেতারা সিলেটের ওই জনসভাকে তাদের সাত দফা দাবি আদায়ের টার্নিং পয়েন্ট মনে করেছিলেন। সেখান থেকে নতুন বার্তা দেওয়ার কথাও বলেছিলেন তারা, এমন বাস্তবতার সবার চোখ ছিল সিলেট জনসভায়।

বুধবারের সমাবেশ নিয়ে নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক ও ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, 'আমরা আগে থেকেই ধারণা করেছি, সিলেট সমাবেশে প্রচুর লোক হবে। হয়েছেও তাই। প্রত্যাশার চেয়ে বেশি হয়েছে। নেতাকর্মীদের ধরপাকড়ে লাভ হয়নি। সিলেটবাসী দেখিয়ে দিয়েছি। গণমাধ্যমে জাতি দেখেছে জনসভায় কেমন লোক হয়েছে। সরকারের মাথা ধরেছে'।

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের মতে সমাবেশে লোকসমাগম দেখে সরকারের মাথা নষ্ট হয়ে গেছে। তারা অসন্তুষ্ট। সরকার চেয়েছিল, আমাদের জনসভায় যাতে লোক না হয়। এর জন্য তারা সকল চেষ্টাই করেছে, কিন্তু লাভ হয়নি। সরকার আশাহত হয়েছে। সমাবেশের আগের রাতে পুলিশ আমাদের নেতাকর্মীদের বাসায় বাসায় হানা দিয়েছে।

অনেককেই গ্রেফতার করছে। বাস আটকিয়ে তল্লাশি করেছে। আওয়ামী লীগ ওইদিন ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশে পাশে পাল্টা দুইটা সভার আয়োজন করে ভীতি সৃষ্টি করেছে। এতোকিছুর পরেও রেজিস্টারী মাঠ জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে।

গণফোরামের কার্যকরী আইনজীবী সভাপতি সুব্রত বড়ুয়া বলেন, 'সরকার কোনও ভাবেই সমাবেশে লোক সমাগম ঠেকাতে পারেনি। কর্মসূচির প্রথমেই ঐতিহাসিক সমাবেশ। পুণ্যভূমি সিলেট থেকে জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের যাত্রা শুরু হল।

গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী মতে, সরকারের চোখে ছানি পড়েছে, তাই তারা সমাবেশের লোকারণ্যকে লোক মনে করবে না। সিলেটবাসী জাতীয় ঐক্যফ্রন্টকে আশাবাদী করে তুলেছে।

সিলেট জনসভায় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতারা বক্তব্য রাখেন। বলেন,আন্দোলনের মাধ্যমেই তাদের দাবি আদায় করা হবে। তাই বক্তারা এই ঐক্যকে আরও সুসংহত করতে গ্রামে গ্রামে ছড়িয়ে দেওয়ার কথা বলেছেন।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়