শিরোনাম
◈ মজুতদার ও বাজার সিন্ডিকেটের বিরুদ্ধে প্রতিমন্ত্রী ইশরাকের যুদ্ধ ঘোষণা ◈ জাতির উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণের সময় পিছিয়ে নতুন সময় ঘোষণা ◈ পবিত্র রমজানের চাঁদ দেখা গেছে, কাল থেকে শুরু রোজা ◈ বিএনপি জোট ৩৫ ও জামায়াত ১৩ সংরক্ষিত নারী আসন পেতে পারে: ইসি ◈ মানবিক সফরে ঢাকায় এলেন বিশ্বকাপজয়ী মেসুত ওজিল ◈ শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে পুনঃভর্তি ফি নেয়া যাবে না, নীতিমালা জারি ◈ স্বজনপ্রীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করতে বলেছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ পরীক্ষায় নকল-প্রশ্নফাঁস আর ফিরে আসবে না: শিক্ষামন্ত্রী ◈ যত দ্রুত সম্ভব পৌর-সিটি ও উপজেলা নির্বাচনের ব্যবস্থা করবো: স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ◈ জাতীয় জুলাই সনদের কার্যকারিতা স্থগিত চেয়ে রিট

প্রকাশিত : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ০১:১৭ রাত
আপডেট : ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ০১:১৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হীরার লাঞ্চবক্স চুরি করে তাতেই খানাপিনা করত চোরেরা

অনলাইন ডেস্ক : স্বর্ণ ও হীরায় খচিত লাঞ্চবক্স চুরি করে সেটিকেই খাবারের কাজে ব্যবহার করত চোরেরা। শুধু লাঞ্চবক্সই নয়, হায়দ্রাবাদের রাজবংশের ব্যবহৃত লাঞ্চবক্সের সাথে স্বর্ণের চায়ের কাপ-পিরিচ ও চামচও চুরি করে নিয়ে ব্যবহার করা শুরু করেছিল তারা।

ভারতের পুলিশ জানায়, গত সপ্তাহে এসব লাঞ্চবক্স, কাপ-পিরিচ ও চামচ চুরি করে চোরেরা। এসব মূল্যবান সামগ্রী উদ্ধারসহ হায়দ্রাবাদ থেকে দুই চোরকে গ্রেফতারও করা হয়েছে।

জানা যায়, প্রায় সাত মিলিয়ন ডলার মূল্যের স্বর্ণ-হীরা খচিত এসব সামগ্রীর সর্বশেষ মালিক ছিলেন হায়দ্রাবাদের শেষ নিজাম (রাজা) মীর ওসমান আলী খান। এক সময় তিনি ছিলেন বিশ্বের অন্যতম ধনী ব্যক্তি।

পুলিশ জানায়, চুরিকৃত ঐতিহাসিক এসব মূল্যবান সামগ্রী বিক্রির জন্য ক্রেতা খুঁজতে মুম্বাই আসে এ দুই চোর। সেখানে এক ফাইভস্টার হোটেলে আলিশানভাবে কিছুদিন ধরে থাকছিলেন তারা। নিজেদের খানাপিনার কাজেও ব্যবহার করতেন এসব দামী তৈজসপত্র। তবে সেখানে ক্রেতা পেতে ব্যর্থ হয়ে তারা হায়দ্রাবাদে ফেরত আসলে গ্রেফতার হন।

নিজাম প্রাসাদ থেকে এসব মূল্যবান তৈজসপত্র চুরির সময় ৩২টি সিসিটিভিও তারা খুলে ফেলেন। যার কারণে চোরদের ধরতে বেশ বেগ পেতে হয় পুলিশের। তবে প্রাসাদের কাছে এক সিসিটিভিতে দেখা যায়, দুইজন লোক একটি মোটরবাইকে করে পালিয়ে যায়। কয়েক দিন পর পুলিশ বাইকটি উদ্ধার করে এবং এ দুই চোরকে শনাক্ত করে।

উদ্ধারকৃত এসব সামগ্রী নিজাম জাদুঘরে ফিরিয়ে দেয়া হবে। ২০০০ সাল থেকে হায়দ্রাবাদ রাজপরিবারের এ সংগ্রহশালা জনসাধারণের জন্য উম্মুক্ত করে দেয়া হয়।

১৯৩৭ সালে ওসমান আলী খান নিজের ব্যবহার করা এসব সামগ্রী সংগ্রহশালায় দান করেন। ভারতের সবচেয়ে বড় প্রিন্সলি স্টেট হায়দ্রাবাদ সর্বশেষ শাসন করেন তিনি। পরবর্তীতে এ ভূখণ্ডের পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেয় ভারত সরকার।

১৯৬৭ সালে ওসমান আলী খান মারা যান। তার সংগ্রহের মধ্যে আছে জ্যাকবস ডায়মন্ড নামের একটি বড় হীরাও। একটি ডিমের সমান এ হীরাটি তার অন্যান্য সম্পদের মধ্যে সবচেয়ে মূল্যবান ও উল্লেখযোগ্য হিসেবে ধরা হয়।

সূত্র: বিবিসি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়