শাহানুজ্জামান টিটু : বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, কারাগারে ভেতরের স্থাপিত আদালতে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে জোর করে হুইল চেয়ারে করে নিয়ে আসা হয়েছে। বুধবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক আলোচনা সভায় তিনি এমন মন্তব্য করেন। নাগরিক ঐক্য আলোচনা সভার আয়োজন করে।
সভায় মির্জা ফখরুল বলেন, ওই আদালতে আমাদের আইনজীবীরা কেউ যাননি দু একজন গিয়েছিলেন তারা দেখেছেন একটা ছোট্ট কুঠিরে অন্ধকার গহ্বর, সেখানে বসবার পর্যন্ত কোনো জায়গা নেই। সেটাকে আজকে আদালতে রূপান্তরিত করা হয়েছে। তিনি ( খালেদা জিয়া ) সেখানে বলেছেন, আমার বিচার কী করবে না করবে এটা পরে। ন্যায় বিচার এখানে হবে না, আমি জানি। আপনারা আমাকে কারাগারের যে কক্ষে রেখেছেন সেখানে রেখেই আমার বিচার করুন। আমি আপনাদের এখানে আর আসবো না।
আরো পড়ুন : সংবিধানে কোথাও নেই, জেলে বিশেষ আদালত বসানো যাবে না: কাদের
বিএনপি মহাসচিব বলেন, এই সরকারের জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়নি। ভোটকেন্দ্রে ৫ শতাংশ ভোটার ভোট দিতে যায়নি। জনবিরোধী সরকার আজকে এই গণতান্ত্রিক আন্দোলন ও গণতান্ত্রিক নেতাদের ওপরে অন্যায় অত্যাচার চালাচ্ছে এটা নজিরবিহীন।
তিনি বলেন, মঙ্গলবার গভীর রাতে হঠ্যাৎ করে খালেদা জিয়াকে পরিত্যক্ত কারগারকে সাব জেল ঘোষণা করেছে। তার বিরুদ্ধে মামলার যে বিচার আবার সেখানেই তার বিচারকার্য স্থন্তান্তর করা হয়েছে। এটা একটা অবিশ্বাস্য ব্যাপার। এটা সংবিধানের সুষ্পষ্ট লংঘন হয়েছে এবং প্রচলিত যে আইন আছে তার লংঘন হয়েছে।
আরো পড়ুন : ২৪০ আসনে আ. লীগের প্রার্থী চূড়ান্ত, বাকী আসন জোটের জন্য
মির্জা ফখরুল আরও বলেন, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় এই ধরনের ক্যামেরা ট্রায়েল করে হত্যা করা হয়েছে। আর আজ এই স্বাধীন বাংলাদেশে স্বাধীনতার ৪৮ বছর পরে বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান জনপ্রিয় নেতা, যে স্বাধীনতা যুদ্ধের সময় ত্যাগ স্বীকার করেছেন, কারাবন্দি হয়েছেন, যে স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে নয় বছর সংগ্রাম করেছিলেন, যাকে ফখরুদ্দিন-মঈনউদ্দিন সরকার অন্যায়ভাবে কারাগারে অন্যায়ভাবে আটক করার পরেও নিরবে সংগ্রাম করে গেছেন এখনও এই ফ্যাসিবাদ ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে লড়াই করে চলেছেন তাকে এই আদালতে বিচার করা হচ্ছে।
আরো পড়ুন : কিছুই চূড়ান্ত হয়নি, তবুও বাজারে ‘নৌকার’ ভুয়া তালিকা!
আরো পড়ুন : শেখ হাসিনাতেই আস্থা বিশ্বনেতাদের
আরো পড়ুন : নির্বাচনে থাকার কৌশল নিতে হবে বিএনপিকে: নাঈমুল ইসলাম খান