শিরোনাম
◈ সংবিধান কি মনে করিয়ে দেয় এটা একাত্তরের পরাজয়ের দলিল? প্রশ্ন পার্থের ◈ গাজী আশরাফ লিপুর আনুষ্ঠানিকভাবে দা‌য়িত্ব শেষ হলো, এবার পা‌বেন সম্মাননা ◈ সাবেক খাদ্যমন্ত্রী অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম ক্যান্সার আক্রান্ত, চিকিৎসার আবেদন করেছেন তার আইনজীবী ◈ বিগত সরকারের দুর্নীতিতে স্থবির স্বাস্থ্যখাত, সেবা উন্নয়নে কাজ করছে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী ◈ জলবায়ু ট্রাস্টের স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : পরিবেশ মন্ত্রী ◈ সেবা না পেয়ে বেশ কিছু শিশু মারা গেছে, বাংলাদেশের হাসপাতালে আইসিইউ এবং ভেন্টিলেশন সেবা কতটা আছে?  ◈ জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে সুখবর ◈ স্কুল চলাকালীন যানজট নিরসনে বিকল্প খুঁজতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ ভারত সফরে জয়শঙ্কর-দোভালের সঙ্গে বৈঠক, জ্বালানি ও পানি ইস্যুতে গুরুত্ব ◈ ঢাকাসহ ১৪ জেলা পরিষদে প্রশাসক নিয়োগ

প্রকাশিত : ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ০২:৩২ রাত
আপডেট : ০৫ সেপ্টেম্বর, ২০১৮, ০২:৩২ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মুস্তাফা মনোয়ার, জিও হাজার সাল

মেজর ডা. খোশরোজ সামাদ : শিল্পী মোস্তফা মনোয়ারের ৮৩তম জন্মবার্ষিকী ১ লা সেপ্টেম্বর দরজায় কড়া নেড়ে গেল। প্রায় অবহেলিত শিল্পকলা আজকে সন্মানের উঁচু জায়গায় যে কয়জন অশ্বারোহী নিয়ে গেছেন তিনি তাদেরই অন্যতম তূর্যবাদক। তার ছবি যেন কবিতা। আমাদের ভালবাসা, কষ্ট, ঘৃণা, দ্রোহ, দিন বদলের স্বপ্নকে নিপুণ দক্ষতায় ক্যানভাসে তিনি ফুটিয়ে তুলেছেন। শতবর্ষী হোক ৮৩ বছরের এই তরুণ। আর তার কাজ বেঁচে থাকুক আরো হাজার সাল।

ছাত্রজীবনে কোলকাতা চারুকলা থেকে ফাইন আর্টসে প্রথম শ্রেণিতে প্রথম হন। বিটিভি থেকে প্রচারিত ‘রক্ত করবী’ তারই প্রযোজনা। শিশু প্রতিভা বিকাশের লক্ষ্যে জনপ্রিয় নতুন কুঁড়ির তিনি স্বপ্নদ্রষ্টা। সাফ গেমসের মিশুক নির্মাণ, কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারের পিছনে লালরঙের সূর্যের প্রতিরুপ স্থাপনসহ নানা সৃজনশীলতায় বাংলাদেশকে ঋদ্ধ করেছেন। পাপেট শো’র মাধ্যমে তিনি শুধু আনন্দই দেন নি, পাকিস্থানী জান্তার বিরুদ্ধে ব্যঙ্গ করেছেন। প্রত্যন্ত অঞ্চলে চক্ষুর অন্তরালে পড়ে থাকা হতদরিদ্র পাপেট নির্মাতা ধনমিয়াকে মস্কো এবং তাসখন্দ নিয়ে যান, সেখানে প্রদর্শনী করলে সেটি দারুণ জনপ্রিয়তা অর্জন করে । উপকথার ‘পারুল’ চরিত্রকে তিনি পাপেটে নিয়ে আনেন। পারুল যেমন সাত ভাই চম্পার জন্য লড়াই করে সেই রূপকে তিনি অপশক্তির বিরুদ্ধে প্রতিবাদের ভাষাকে নান্দনিক সৌন্দর্যে পরিস্ফুট করেন।

দীর্ঘ বর্ণাঢ্য কর্মময় জীবন শুরু করেন পূর্ব পাকিস্থান চারুকলার প্রভাষক হিসেবে। পরবর্তীতে টেলিভিশনের উপপরিচালক, শিল্পকলা একাডেমীর মহাপরিচালক, জাতীয় গণমাধ্যমের মহাপরিচালক, এফডিসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক, এডুকেশনাল পাপেট ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের প্রকল্প পরিচালকসহ নানা গুরুত্ববহ দায়িত্ব সফলতার সাথে পালন করেন। তার সৃজনী এবং উদ্ভাবনী শক্তি এই প্রজন্মকে পথ দেখিয়েছে ।

তিনি একুশে পদক, টেনাশিনাস পদক, আরটিভি স্টার আজীবন সন্মাননা পদক লাভ করেন। চারুশিল্পে অবদানের জন্য চারুশিল্পী সংসদ পুরস্কারে ভূষিত হন। জাপান প্রবাসীরা তাকে ‘প্রবাস প্রজন্ম বাংলাদেশ’ সন্মান অর্পণ করেন। পারিবারিক জীবনে মুস্তাফা মনোয়ার এবং বেগম মনোয়ার বাংলাদেশ বিমানের এক পাইলটের গর্বিত পিতামাতা। তাদের একমাত্র কন্যা নন্দিনী একজন উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ।

লেখক: উপ অধিনায়ক আর্মড ফোর্সেস ফুড এন্ড ড্রাগস ল্যাবরটরি

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়