শিরোনাম
◈ জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের নারী শিক্ষার্থীদের ওয়াশরুমের দরজার ছোট ছিদ্র দিয়ে গোপনে ভিডিও ধারণ, যুবক আটক ◈ মার্কিন বিশ্লেষক বল‌লেন, আমরা ব্যর্থ হয়েছি, মধ্যপ্রাচ্য ছাড়ার সময় হয়েছে: ফ‌রেন প‌লি‌সি‌র প্রতি‌বেদন ◈ ১৬০ কেজি গাঁজা উদ্ধার করে বিক্রি, কুমিল্লায় ২ পুলিশ কর্মকর্তার বিষয়ে যা বললেন ওসি ◈ ড.ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের সময়কার দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে কি তদন্ত হবে? ◈ ঋণ খেলাপির কারণে শপথ নিতে পারবেন না চট্টগ্রাম-৪ আসনে বিজয়ী বিএনপির আসলাম চৌধুরী: আপিল বিভাগ ◈ বিশ্বকা‌পে কেপ ভার্দের সামনে আর্জেন্টিনা, ধর্ষণের অভিযোগে তদন্তের মুখে কেপ ভা‌র্দের অধিনায়ক ◈ আয়ারল‌্যা‌ন্ডের কা‌ছে ভার‌তের সিরিজ হারে সমালোচনায় বিদ্ধ ‌কোচ গৌতম গম্ভীর, সোশ্যাল মিডিয়ায় কটাক্ষ আইসল্যান্ড ক্রিকেটেরও ◈ ঘুরে দাঁড়াচ্ছে বাইসাইকেল রপ্তানি, বাড়ছে নতুন বিনিয়োগ ◈ সীমান্তের ১০৫ পয়েন্ট দিয়ে ঢুকছে মাদক, সবচেয়ে বড় বাজার ঢাকা ◈ একীভূত ৫ ব্যাংকের আমানতকারীদের জন্য সুখবর, গ্রাহকদের টাকা ফেরত নিয়ে বড় ঘোষণা

প্রকাশিত : ৩০ জুলাই, ২০১৮, ১২:১০ দুপুর
আপডেট : ৩০ জুলাই, ২০১৮, ১২:১০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সুখের আশায় আর কত লাঞ্ছনা

ডেস্ক রিপোর্ট : ‘আপা আমারে বাঁচান। সৌদিরা আমাকে মেরে ফেলবে। আমারে বাঁচতে দেন আপা। ছোট দুইডা বাচ্চা। কেউ কি নেই আমাকে বাঁচায়’Ñ নিয়োগকর্তার পরিবারের ‘সিরিয়াল টর্চার’ সহ্য করতে না পেরে এক নারী অভিবাসী কর্মী কল্পনার (২২) এমন আকুতি। অভিবাসী নারীকর্মীদের নিয়ে কাজ করা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রধানের কাছে গত শুক্রবার কল্পনা তাকে বাঁচাতে ভিডিও কল (ইমো) করেন। নারীকর্মীরা বিদেশ যাওার আগে প্রি-ডিপারচার ব্রিফিং চলাকালে ওই সংস্থার পক্ষ থেকে বিদেশগামী নারীদের কাছে সেল নম্বর দেওয়া হয়। জীবিকার প্রয়োজনে সৌদি আরবে গৃহকর্মীর কাজ নিয়ে যান এই নারী।

১ মাস ২১ দিন কোনোভাবে পার করে ফোনে জানান, ‘আজ আর পারলাম না আপা। কোথায় যাব, কোথায় আশ্রয় নেব। পুলিশে ধরা দিলে ওরা আমাকে আবার মালিকের বাসায় পাঠিয়ে দেবে। ওরা আমাকে পিটায়ে মেরে ফেলবে। ওরা অমানুষ।’শুধু কল্পনাই নয়, বরিশালের মেয়ে সাজেদা (২১) (ছদ্মনাম)। ১৭ মাস আগে অবিবাহিতা এই নারী পরিবার এবং নিজের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সৌদি আরবে পাড়ি জমান। দিন চারেক আগে তিনি ফেরেন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে। এখন মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে নিজেকে ঘানার নাগরিক বলে প্রলাপ বকছেন। সাজেদার গর্ভজাত সন্তানের দায়িত্ব নিতে এগিয়ে এসেছে একটি বেসরকারি সংস্থা। অথচ যাদের পাঠানো টাকায় দেশের অর্থনীতির চাকার গতি দুর্দান্ত, সেই সরকারের কোনো দায় নেই এসব সাজেদার প্রতি।

মুখে কুলুপ এঁটে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এরা বিনাটাকায় গেছে, ফিরছেও বিনাটাকায়। অতএব সরকারের কী করার আছে! কথা হলোÑ নির্যাতিতাদের পাঠানো রেমিট্যান্স সরকারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে সুসংহত করলেও তাদের সুরক্ষা নিয়ে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। অবশ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নমিতা হালদারের নেতৃত্বে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে করণীয় নিয়ে একাধিক সভা হয়েছে বলে জানা গেছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়