শিরোনাম
◈ রাশেদ খাঁনের বক্তব্যের গোয়েন্দা সংস্থা সম্পর্কিত অভিযোগ নিয়ে প্রশ্ন এড়িয়ে গেলেন রণধীর জয়সওয়াল ◈ আবেদনের চেয়েও ১ কোটি টাকা বেশি: বড়দিনে ৩ কোটি টাকা অনুদানের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ◈ কারাগারে বসেই আয়, পরিবারের কাছেও টাকা পাঠাচ্ছেন বন্দিরা ◈ দালাল ছাড়াই বিনা খরচে প্রশিক্ষণ নিয়ে ইতালি যাওয়ার সুযোগ ◈ ক্রিকেট থে‌কে অ‌স্ট্রেলিয়ান গ্লেন ম্যাক্সওয়েলের বিদায় ◈ দ্বিতীয় পদ্মা, যমুনা সেতু ও পদ্মা ব্যারেজ নির্মাণের পরিকল্পনা এগিয়ে নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ রাষ্ট্রপতির সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ ◈ শত্রুর বস্তুগত ও অবস্তুগত সব সম্পদ ইরা‌নের নিশানায়: মেজর জেনারেল আব্দুল্লাহি  ◈ ঢাকার চালে ২৭% ও চিড়ায় ৫৫% ক্যান্সার সৃষ্টিকারী আফলাটক্সিন, গবেষণায় মিলল উদ্বেগজনক তথ্য ◈ আগামী চার দিন গ্যাস সরবরাহ বন্ধের খবর গুজব, কমতে পারে সরবরাহ: পেট্রোবাংলা

প্রকাশিত : ৩০ জুলাই, ২০১৮, ১২:১০ দুপুর
আপডেট : ৩০ জুলাই, ২০১৮, ১২:১০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সুখের আশায় আর কত লাঞ্ছনা

ডেস্ক রিপোর্ট : ‘আপা আমারে বাঁচান। সৌদিরা আমাকে মেরে ফেলবে। আমারে বাঁচতে দেন আপা। ছোট দুইডা বাচ্চা। কেউ কি নেই আমাকে বাঁচায়’Ñ নিয়োগকর্তার পরিবারের ‘সিরিয়াল টর্চার’ সহ্য করতে না পেরে এক নারী অভিবাসী কর্মী কল্পনার (২২) এমন আকুতি। অভিবাসী নারীকর্মীদের নিয়ে কাজ করা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রধানের কাছে গত শুক্রবার কল্পনা তাকে বাঁচাতে ভিডিও কল (ইমো) করেন। নারীকর্মীরা বিদেশ যাওার আগে প্রি-ডিপারচার ব্রিফিং চলাকালে ওই সংস্থার পক্ষ থেকে বিদেশগামী নারীদের কাছে সেল নম্বর দেওয়া হয়। জীবিকার প্রয়োজনে সৌদি আরবে গৃহকর্মীর কাজ নিয়ে যান এই নারী।

১ মাস ২১ দিন কোনোভাবে পার করে ফোনে জানান, ‘আজ আর পারলাম না আপা। কোথায় যাব, কোথায় আশ্রয় নেব। পুলিশে ধরা দিলে ওরা আমাকে আবার মালিকের বাসায় পাঠিয়ে দেবে। ওরা আমাকে পিটায়ে মেরে ফেলবে। ওরা অমানুষ।’শুধু কল্পনাই নয়, বরিশালের মেয়ে সাজেদা (২১) (ছদ্মনাম)। ১৭ মাস আগে অবিবাহিতা এই নারী পরিবার এবং নিজের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সৌদি আরবে পাড়ি জমান। দিন চারেক আগে তিনি ফেরেন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে। এখন মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে নিজেকে ঘানার নাগরিক বলে প্রলাপ বকছেন। সাজেদার গর্ভজাত সন্তানের দায়িত্ব নিতে এগিয়ে এসেছে একটি বেসরকারি সংস্থা। অথচ যাদের পাঠানো টাকায় দেশের অর্থনীতির চাকার গতি দুর্দান্ত, সেই সরকারের কোনো দায় নেই এসব সাজেদার প্রতি।

মুখে কুলুপ এঁটে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এরা বিনাটাকায় গেছে, ফিরছেও বিনাটাকায়। অতএব সরকারের কী করার আছে! কথা হলোÑ নির্যাতিতাদের পাঠানো রেমিট্যান্স সরকারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে সুসংহত করলেও তাদের সুরক্ষা নিয়ে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। অবশ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নমিতা হালদারের নেতৃত্বে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে করণীয় নিয়ে একাধিক সভা হয়েছে বলে জানা গেছে।

  • সর্বশেষ