শিরোনাম
◈ ৫০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে ৭ ধরনের ক্যানসার বাড়ছে, গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য ◈ মেসির বিদায়ী ম্যাচেও কেলেঙ্কারি, এএফএর বিরুদ্ধে ‘অর্থলোভী’ কর্মকাণ্ডের অভিযোগ! ◈ বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে নাঃখাদ্যমন্ত্রী ◈ এক বছরে নতুন করে দরিদ্র বেড়েছে প্রায় ২১ লাখ বাংলাদেশি, চাকরি হারাচ্ছেন নারীরা ◈ সরকারি কলেজের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বদলি-পদায়ন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত, জারি নতুন নির্দেশনা ◈ প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীলতার সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোর করে পদত্যাগে স্বাক্ষরের অভিযোগ ◈ ভিসা আবেদনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের তথ্য না দিলে অযোগ্য হতে পারেন: মার্কিন দূতাবাস ◈ ভারতীয় ভিসা অ্যাপয়েন্টমেন্টে নতুন নির্দেশনা, জেনে নিন বুকিংয়ের নিয়ম ◈ খেলাধুলাকে পেশা হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে চান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রকাশিত : ৩০ জুলাই, ২০১৮, ১২:১০ দুপুর
আপডেট : ৩০ জুলাই, ২০১৮, ১২:১০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সুখের আশায় আর কত লাঞ্ছনা

ডেস্ক রিপোর্ট : ‘আপা আমারে বাঁচান। সৌদিরা আমাকে মেরে ফেলবে। আমারে বাঁচতে দেন আপা। ছোট দুইডা বাচ্চা। কেউ কি নেই আমাকে বাঁচায়’Ñ নিয়োগকর্তার পরিবারের ‘সিরিয়াল টর্চার’ সহ্য করতে না পেরে এক নারী অভিবাসী কর্মী কল্পনার (২২) এমন আকুতি। অভিবাসী নারীকর্মীদের নিয়ে কাজ করা বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রধানের কাছে গত শুক্রবার কল্পনা তাকে বাঁচাতে ভিডিও কল (ইমো) করেন। নারীকর্মীরা বিদেশ যাওার আগে প্রি-ডিপারচার ব্রিফিং চলাকালে ওই সংস্থার পক্ষ থেকে বিদেশগামী নারীদের কাছে সেল নম্বর দেওয়া হয়। জীবিকার প্রয়োজনে সৌদি আরবে গৃহকর্মীর কাজ নিয়ে যান এই নারী।

১ মাস ২১ দিন কোনোভাবে পার করে ফোনে জানান, ‘আজ আর পারলাম না আপা। কোথায় যাব, কোথায় আশ্রয় নেব। পুলিশে ধরা দিলে ওরা আমাকে আবার মালিকের বাসায় পাঠিয়ে দেবে। ওরা আমাকে পিটায়ে মেরে ফেলবে। ওরা অমানুষ।’শুধু কল্পনাই নয়, বরিশালের মেয়ে সাজেদা (২১) (ছদ্মনাম)। ১৭ মাস আগে অবিবাহিতা এই নারী পরিবার এবং নিজের ভবিষ্যতের কথা ভেবে সৌদি আরবে পাড়ি জমান। দিন চারেক আগে তিনি ফেরেন অন্তঃসত্ত্বা হয়ে। এখন মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে নিজেকে ঘানার নাগরিক বলে প্রলাপ বকছেন। সাজেদার গর্ভজাত সন্তানের দায়িত্ব নিতে এগিয়ে এসেছে একটি বেসরকারি সংস্থা। অথচ যাদের পাঠানো টাকায় দেশের অর্থনীতির চাকার গতি দুর্দান্ত, সেই সরকারের কোনো দায় নেই এসব সাজেদার প্রতি।

মুখে কুলুপ এঁটে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এরা বিনাটাকায় গেছে, ফিরছেও বিনাটাকায়। অতএব সরকারের কী করার আছে! কথা হলোÑ নির্যাতিতাদের পাঠানো রেমিট্যান্স সরকারের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভকে সুসংহত করলেও তাদের সুরক্ষা নিয়ে দৃশ্যমান কোনো উদ্যোগ দেখা যায়নি। অবশ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নমিতা হালদারের নেতৃত্বে উদ্ভূত পরিস্থিতি নিরসনে করণীয় নিয়ে একাধিক সভা হয়েছে বলে জানা গেছে।

  • সর্বশেষ