শিরোনাম
◈ মির্জা ফখরুলই কি বঙ্গভবনের নতুন বাসিন্দা হচ্ছেন? ◈ এক্সিমের পর সোশ্যাল ইসলামী বুঝে পেল সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক ◈ প্রধানমন্ত্রীকে চিঠি লিখে স্বপ্নপূরণ অনুশ্রীর ◈ মার্কিন বাজারে চীন-ভারতের চেয়ে কম ক্ষতির মুখে বাংলাদেশ ◈ ঢাকায় পাকিস্তান হাই কমিশনারের বাসভবনে আগুন ◈ রাষ্ট্রপতি পদে লড়তে কী কী যোগ্যতা প্রয়োজন? জানুন সংবিধানের শর্তগুলো ◈ কর্মীর স্ত্রীর সঙ্গে আপত্তিকর অবস্থায় ধরা, বহিষ্কার জামায়াতের আরেক নেতা ◈ বিটিভির নতুন মহাপরিচালক কাজী জেসিন ◈ চলতি অর্থবছরেই স্থানীয় সরকারের সব স্তরের নির্বাচন: প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম ◈ বাংলাদেশ-অস্ট্রেলিয়া সম্পর্কে বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও দক্ষতা উন্নয়নে জোর

প্রকাশিত : ১৯ জুলাই, ২০১৮, ০৮:২৯ সকাল
আপডেট : ১৯ জুলাই, ২০১৮, ০৮:২৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আয় বেড়েছে জাপার

ডেস্ক রিপোর্ট : নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি। টানা কয়েক বছর দলটির ব্যয় বেশি থাকলেও এবার আয় বেড়েছে। জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বুধবার (১৮ জুলাই) ইসিতে এই হিসাব জমা দেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাপা ২০১৭ সালে আয় করেছে ১ কোটি ৮ লাখ ৫৫ হাজার ২৪০ টাকা। এ সময় দলটি ব্যয় করেছে ১ কোটি ৭ লাখ ১৭ হাজার ৩৬১ টাকা। সেই হিসেবে এক লাখ টাকারও বেশি উদ্বৃত্ত রয়েছে দলটির।

২০১৬ সালে জাপার আয় ছিল ৭৩ লাখ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা। এর বিপরীতে ব্যয় হয় ১ কোটি ৫ লাখ ৮৩ হাজার ৩০৩ টাকা। ব্যয় বেশি হয় ৩২ লাখ ২২ হাজার ৮০৩ টাকা।

এর আগের বছরে দলটির ৯৫ লাখ ১৫ হাজার টাকা আয়ের বিপরীতে ব্যয় হয় ১ কোটি ৪৯ লাখ ৪৬ হাজার ৪৪৩ টাকা।

রাজনৈতিক দলগুলোর ২০১৭ সালের আর্থিক লেনদেনের নিরীক্ষিত প্রতিবেদন ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে জমা দিতে ৩৯টি দলকে গত ২০ জুন চিঠি দেয় নির্বাচন কমিশন।

ইসির উপ-সচিব আব্দুল হালিম বরাবর জমা দেওয়া প্রতিবেদনে জাপা মহাসচিব জানান, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা অনুযায়ী জাপা রেজিস্টার্ড চার্টার্ড একাউন্টিং ফার্ম দিয়ে অডিট করে ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে এ বছরের ৩০ জুন প‌র্যন্ত সময়ের আর্থিক লেনদেনের অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে।

কমিশন থেকে গত ইংরেজি (১ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭) পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব বা অডিট রিপোর্ট চাওয়া হলেও দলটি সদ্য সমাপ্ত অর্থ বছরের (১ জুলাই ২০১৭ থেকে ৩০ জুন ২০১৮) হিসাব জমা দিয়েছে।

সর্বশেষ নিবন্ধন বাতিলের তালিকায় থাকা ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের কাছে হিসাব চাওয়া হয়নি।

২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রথা চালুর পর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ মেনে প্রতিবছর আর্থিক লেনদেনের হিসাব দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর।
সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়