শিরোনাম
◈ ‘ভয়াবহ দুর্নীতি’ আদানি চুক্তিতে: বাতিলের জন্য যেতে হবে আন্তর্জাতিক আদালতে ◈ সিডনিকে সিক্সার্সকে হা‌রি‌য়ে বিগ ব্যাশে রেকর্ড ষষ্ঠ শিরোপা জয় কর‌লো স্করচার্স ◈ দেশের মানুষের জন্যই বিএনপির রাজনীতি: তারেক রহমান ◈ ভারত থেকে ৮ ট্রাকে ১২৫ মেট্রিক টন বিস্ফোরক প্রবেশ করল দেশে ◈ চীনের অনুদানে যে কারণে নীলফামারীতে হবে ১০ তলা হাসপাতাল, আরও যা যা থাকছে ◈ কোথায় রাখা হবে পোস্টাল ব্যালট, গণনা কোন পদ্ধতিতে ◈ আই‌সি‌সি এমন কে‌নো, কী কার‌ণে বাংলাদেশ ভারতের বাইরে খেলতে পারবে না— প্রশ্ন অ‌স্ট্রেলিয়ান গিলেস্পির  ◈ বিশ্বকাপ বয়কট আলোচনার মধ্যে দল ঘোষণা করলো পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড ◈ কোনো দল বা গোষ্ঠী কাউকে সিট দেওয়ার মালিক নয় : মির্জা আব্বাস  ◈ বড় দলগুলোর হেভিওয়েট নেতাদের ভূমিধস পতন হবে: সারজিস আলম

প্রকাশিত : ১৯ জুলাই, ২০১৮, ০৮:২৯ সকাল
আপডেট : ১৯ জুলাই, ২০১৮, ০৮:২৯ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

আয় বেড়েছে জাপার

ডেস্ক রিপোর্ট : নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আয়-ব্যয়ের হিসাব জমা দিয়েছে বিরোধী দল জাতীয় পার্টি। টানা কয়েক বছর দলটির ব্যয় বেশি থাকলেও এবার আয় বেড়েছে। জাতীয় পার্টির মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার বুধবার (১৮ জুলাই) ইসিতে এই হিসাব জমা দেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, জাপা ২০১৭ সালে আয় করেছে ১ কোটি ৮ লাখ ৫৫ হাজার ২৪০ টাকা। এ সময় দলটি ব্যয় করেছে ১ কোটি ৭ লাখ ১৭ হাজার ৩৬১ টাকা। সেই হিসেবে এক লাখ টাকারও বেশি উদ্বৃত্ত রয়েছে দলটির।

২০১৬ সালে জাপার আয় ছিল ৭৩ লাখ ৬০ হাজার ৫০০ টাকা। এর বিপরীতে ব্যয় হয় ১ কোটি ৫ লাখ ৮৩ হাজার ৩০৩ টাকা। ব্যয় বেশি হয় ৩২ লাখ ২২ হাজার ৮০৩ টাকা।

এর আগের বছরে দলটির ৯৫ লাখ ১৫ হাজার টাকা আয়ের বিপরীতে ব্যয় হয় ১ কোটি ৪৯ লাখ ৪৬ হাজার ৪৪৩ টাকা।

রাজনৈতিক দলগুলোর ২০১৭ সালের আর্থিক লেনদেনের নিরীক্ষিত প্রতিবেদন ৩১ জুলাইয়ের মধ্যে জমা দিতে ৩৯টি দলকে গত ২০ জুন চিঠি দেয় নির্বাচন কমিশন।

ইসির উপ-সচিব আব্দুল হালিম বরাবর জমা দেওয়া প্রতিবেদনে জাপা মহাসচিব জানান, রাজনৈতিক দল নিবন্ধন বিধিমালা অনুযায়ী জাপা রেজিস্টার্ড চার্টার্ড একাউন্টিং ফার্ম দিয়ে অডিট করে ২০১৭ সালের ১ জুলাই থেকে এ বছরের ৩০ জুন প‌র্যন্ত সময়ের আর্থিক লেনদেনের অডিট রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে।

কমিশন থেকে গত ইংরেজি (১ জানুয়ারি ২০১৭ থেকে ৩১ ডিসেম্বর ২০১৭) পঞ্জিকা বছরের আয়-ব্যয়ের হিসাব বা অডিট রিপোর্ট চাওয়া হলেও দলটি সদ্য সমাপ্ত অর্থ বছরের (১ জুলাই ২০১৭ থেকে ৩০ জুন ২০১৮) হিসাব জমা দিয়েছে।

সর্বশেষ নিবন্ধন বাতিলের তালিকায় থাকা ঐক্যবদ্ধ নাগরিক আন্দোলনের কাছে হিসাব চাওয়া হয়নি।

২০০৮ সালে নিবন্ধন প্রথা চালুর পর গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ মেনে প্রতিবছর আর্থিক লেনদেনের হিসাব দেওয়ার বাধ্যবাধকতা রয়েছে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর।
সূত্র : বাংলা ট্রিবিউন

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়