শিরোনাম
◈ সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগে জাতির ঘাড় থেকে স্বৈরাচারের কালো ছায়া সরে গেছে: শফিকুর রহমান ◈ সাহাবুদ্দিনের বিদায়ে শেখ হাসিনার সমর্থনের শেষ স্তম্ভও ভাঙল : রয়টার্সের প্রতিবেদন ◈ আই অ্যাম সিক, সো ইট ইজ ডান: পদত্যাগের পর রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন ◈ রাষ্ট্রপতি শারীরিক ও মানসিক অসমর্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন: স্পিকার (ভিডিও) ◈ হাফিজ উদ্দিনের জন্য ভিআইপি প্রটোকল, বাসভবনে এসএসএফের কড়া নিরাপত্তা ◈ যাকে রাষ্ট্রপতি চান আসিফ নজরুল ◈ স্পিকারের দায়িত্বে কায়সার কামাল ◈ আমি ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছি: সংবাদ সম্মেলনে স্পিকার ◈ কী লেখা আছে রাষ্ট্রপতির পদত্যাগপত্রে? ◈ জল্পনার অবসান: পদত্যাগ করলেন রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন, অন্তর্বর্তী দায়িত্বে স্পিকার

প্রকাশিত : ৩০ জুন, ২০১৮, ০৩:১৯ রাত
আপডেট : ৩০ জুন, ২০১৮, ০৩:১৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

ফেরদৌসী রহমানের চলচ্চিত্রের গান

কাজী রফিক : উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীতশিল্পী ও বাংলাদেশের সঙ্গীতজগতের কিংবদন্তী ফেরদৌসী রহমানের জন্মদিন গেল কাল। বিটিভির জনপ্রিয় গান শেখার অনুষ্ঠান 'চলো গান শিখির' মাধ্যমে তিনি আমাদের অনেকের শৈশবের প্রিয় 'খালামনি' হয়ে উঠেছিলেন। ফেরদৌসী রহমানের জন্ম ১৯৪১ সালে কুচবিহারে। তিনি পল্লী গীতি স¤্রাট আব্বাস উদ্দিনের মেয়ে। পাঁচ দশকের বেশী সময় ধরে তাঁর সঙ্গীত জগতে পদচারণা চলছে। পল্লীগীতি, রবীন্দ্রসঙ্গীত, নজরুল সঙ্গীত, আধুনিক এবং প্লে ব্যাক সব ধরনের গানই তিনি করেছেন। ১৯৪৭ সালে ঢাকায় ‘সেন্ট জেভিয়ার্স’ স্কুলে ভর্তি হন তিনি। এখানে মেট্রিক পরীক্ষার চল ছিল না।

এজন্য তিনি বাংলাবাজার উচ্চবিদ্যালয়ে দশম শ্রেণীতে ভর্তি হন এবং এখান ১৯৫৬ সালে এসএসসি পরীক্ষায় মেয়েদের মধ্যে প্রথম এবং মেধাতালিকায় সপ্তম হন । ১৯৫৮ সালে এইচএসসি পরীক্ষায় ইডেন কলেজ দ্বাদশ স্থান লাভ করেন। ১৯৬১-৬২ শিক্ষাবর্ষে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সমাজবিজ্ঞানে অনার্সসহ মাস্টার্স ডিগ্রি লাভ করেন। ১৯৬৩ সালে সংগীতে ইউনেস্কো ফেলোশীপ নিয়ে লন্ডনের ট্রিনিটি কলেজ অব মিউজিকে স্টাফ নোটেসান শেখেন। সংগীতে প্রথম হাতেখড়ি নেন বাবা-মার কাছে। উচ্চাঙ্গ সংগীতে তালিম নেন উপমহাদেশের খ্যাতনামা ওস্তাদদের কাছ থেকে। এদের মধ্যে মুহাম্মদ হোসেন খসরু, ইউসুফ খান কোরাইশি, কাদের জামেরী, নাজাকাত আলী খান, সালামত আলী খান, মাস্তান গামা, মুন্সি রইচ উদ্দিন, মুনির হোসেন, আব্দুল গহর খান উল্লেখযোগ্য।

মাত্র ছয় বছর বয়সে ১৯৪৮ সালে তিনি প্রথম রেডিওতে গান করেন ‘খেলাঘর’ অনুষ্ঠানে । ১৯৫৬ সালে তিনি প্রথম বড়দের অনুষ্ঠানে গান করেন। তখন তিনি রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতেন। প্রথম ডিস্ক রেকর্ড বের হয় ১৯৫৭ সালে হিস মাস্টার্স ভয়েজ ‘আমায় ঘর ছাড়া করিলি’ এবং ‘আমার প্রাণের ব্যথা কে বুঝবে সই’। ১৯৬৪ সালের ২৫শে ডিসেম্বর তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান টেলিভিশনের উদ্বোধনী দিনে প্রথম শিল্পী হিসেবে তিনি সঙ্গীত পরিবেশন করেন - ‘ঐ যে আকাশে নীল হলো আজ সেও তোমার প্রেমে’।

১৯৬০ সালে ‘আসিয়া' নামের চলচ্চিত্রে তিনি প্রথম প্লে ব্যাক করেন। ৬০ ও ৭০-এর দশকের বহু চলচ্চিত্রে তিনি নেপথ্য কন্ঠশিল্পী হিসেবে যুক্ত ছিলেন। তাঁর প্লে ব্যাক করা চলচ্চিত্রের সংখ্যা ২৫০-এর কাছাকাছি। ১৯৬০ সালে রবীন ঘোষের সাথে ‘রাজধানীর বুকে' নামক চলচ্চিত্রে সংগীত পরিচালনা করেন। ১৯৭৬ সালে মেঘের অনেক রং চলচ্চিত্রে সংগীত পরিচালনার জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার অর্জন করেন। প্রসঙ্গত, গত বছর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ফেরদৌসী রহমানকে ‘আজীবন সম্মাননা’য় ভূষিত করা হয়।

পরিচিতি: সিনিয়র সাংবাদিক ও কবি/সম্পাদনা: মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়