প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

একনেকে সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন
দেশের সব নদী বন্দরগুলো চালু করতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ

সাইদ রিপন: দেশের সব নদী বন্দরগুলো চালু করতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নির্দেশনা দিয়েছেন। বর্তমানে বেশিরভাগ বন্দরই ড্রেজিংয়ের অভাবে প্রায় অকেজো হয়ে পড়েছে। এজন্য বন্দরগুলো চালু হলে আগের মতো কর্মচাঞ্চল্য ফিরে আসবে। তাছাড়া যেখানে ড্রেজিয়ের প্রয়োজন হবে সেখানে ড্রেজিং করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার শেরে বাংলা নগরের এনইসি সম্মেলন কক্ষে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শেষে সংবাদিকদরে পরিকল্পনামন্ত্রী আ হ ম মুস্তফা কামাল এসব কথা বলেন। মন্ত্রী বলেন, নগরবাড়ীতে আনুষাঙ্গিক সুবিধাদিসহ নদী বন্দর নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদনের সময় প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেছেন। প্রকল্পটি বাস্তবায়নে মোট ব্যয় হবে ৫১৪ কোটি টাকা। সরকারের নিজস্ব অর্থায়নের এই প্রকল্পটি জুলাই ২০১৮ থেকে জুন ২০২১ সালে বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ অভ্যান্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ। তিনি বলেন, ত্রিপুরা থেকে আরও ৫০০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানির সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। কুমিল্লা হয়ে এ বিদ্যুৎ দেশে আসবে। এজন্য কুমিল্লা উত্তরে ৫০০ মেগাওয়াট এইচভিডিসি ব্যাক টু ব্যাক স্টেশন নির্মাণ প্রকল্পটি একনেক সভায় অনুমোদন পেয়েছে। বিদ্যুৎ আমদানির প্রকল্পটি ছাড়াও মোট ১৩ প্রকল্প অনুমোদন দিয়েছে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটি। অনুমোদন হওয়া প্রকল্পগুলো বাস্তবায়নে মোট খরচ ধরা হয়েছে ৯ হাজার ৫১৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ৬ হাজার ৮৫৪ কোটি ৬৯ লাখ টাকা, বাস্তবায়নকারি সংস্থা থেকে ৭১ কোটি ৫৯ লাখ টাকা এবং বৈদেশিক সহায়তা থেকে ২ হাজার ৫৯২ কোটি ৩৪ টাকা খরচ করা হবে।

পরিকল্পনামন্ত্রী জানান, এখন থেকে দুই এবং তিন ফসলের জমি বিদ্যুৎ কেন্দ্র তৈরিতে কাজে লাগানো যাবেনা। এক ফসলী জমি হলে সেখানে বিদ্যুৎ কেন্দ্র করা যেতে পারে বলে নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। দেশের পূর্বাঞ্চলের ক্রমবর্ধমান চাহিদা মেটাতেই এ উদ্যোগ বলে জানিয়েছে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়। বর্তমানে ত্রিপুরা থেকে ১৬০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ আমদানি করা হচ্ছে। মূলত আমদানি সক্ষমতা আরও বাড়াতে নতুন করে প্রকল্পটি নেয়া হয়েছে। প্রকল্পটির জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ৩৪২ কোটি টাকা।

ন্ত্রী বলেন, মধুখালী থেকে কামারখালী হয়ে মাগুরা শহর পর্যন্ত প্রায় ২৪ কিলোমিটার ডুয়েলগেজ রেলপথ নির্মাণ করা হবে। মাগুরা জেলাকে বাস্তবায়নাধীন পদ্মাসেতুর মাধ্যমে ঢাকা এবং দেশের অন্যান্য স্থানের সঙ্গে রেল সংযোগ স্থাপনের উদ্দেশ্যই এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। এ প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হলে দেশের অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো বৃদ্ধি পাবে। প্রকল্পটি একনেক বৈঠকে অনুমোদন হয়েছে। এর জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে এক হাজার ২০২ কোটি টাকা। প্রকল্পটি মে ২০১৮ থেকে ২০২২ সালে বাস্তবায়ন করবে বাংলাদেশ রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত