প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

শিশুদেরও রোজা রাখতে উৎসাহ দিন

আমিন মুনশি: শিশুদেরকে ইবাদত ও আমলের প্রতি উদ্ধুদ্ধ করা এবং ছোট থেকেই তাদের আমলের অভ্যাসে গড়ে তোলা পিতা-মাতার দায়িত্ব। এটা পিতা-মাতার জন্য সদকায়ে জারিয়া। যদিও প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়া পর্যন্ত শিশুর উপর শরিয়তের কোনো আমলই ফরজ হয় না। তবে আমলের অভ্যাস করার জন্য ছোট থেকেই তাদেরকে আমলের প্রতি উৎসাহী করে তোলা প্রয়োজন।

যেমন, রোজা ফরজ হওয়ার পূর্বে দু’একটা করে রোজা রাখলে ফরজ হওয়ার পর তাদের জন্য রোজা রাখা সহজ হয়ে যায়। নিজেদেরকে সহজেই রোজার সাথে মানিয়ে নিতে পারে। তাছাড়া রোজা রাখার দ্বারা শিশুরাও সংযমী হয়ে উঠে। নামাজ ও অন্যান্য নফল ইবাদতের প্রতিও আগ্রহী হয়ে উঠে। দেখবেন, যে শিশুটি অন্য সময় নামাজ পড়ে না সে যদি রোজা রাখে তখন সেও নামাজ পড়া শুরু করে। বাজে আড্ডায় সময় নষ্ট করে না। অযথা দুষ্টুমিতে মেতে উঠে না। এই যে সংযমীভাব; এটাও রোজার বরকত। তাই বড়দের উচিত শিশুদেরকে রোজার ফজিলত শুনিয়ে তাদেরকে রোজার প্রতি উদ্ধুদ্ধ করা। সাহরির সময় একটু কষ্ট করে হলেও তাদেরকে জাগিয়ে দেওয়া। এটা অবশ্যই তাদের প্রতি কল্যাণকামনা।

এক হাদীসে আছে, “আমরা আমাদের শিশুদেরকে রোজা রাখতে উৎসাহ দিতাম এবং তাদের জন্য উনের খেলনা বানিয়ে দিতাম। যখন তারা খাদ্যের জন্য কাঁদত তাদের সেই খেলনা দিতাম। এভাবে ইফতারের সময় হয়ে যেত”। (সহীহ বুখারী, হাদীস- ১৯৬০)

এটা ছিল ইবাদাতের প্রতি সাহাবায়ে কেরামের আগ্রহ ও সন্তানদের প্রতি কল্যাণকামনার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তারা চাইতেন তাদের সন্তানরাও রমজানের বরকত লাভ করুক। তবে রোজা রাখতে গিয়ে যেন শিশুদের অতিরিক্ত কষ্ট না হয়, সেদিকে অভিভাবকদের খেয়াল রাখতে হবে। আসলে নেক আমলের যে কী লাভ তা তারাই পূর্ণরূপে উপলব্ধি করেছিলেন!

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বাধিক পঠিত