শিরোনাম
◈ পঞ্চগড়-১ আসনে সারজিসকে পেছনে ফেলে এগিয়ে নওশাদ জমির ◈ হাসনাত আব্দুল্লাহকে বেসরকারিভাবে বিজয়ী ঘোষণা ◈ নিজ কেন্দ্রে হেরেছেন জামায়াত আমির ◈ ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে বিপুল ভোটে বিজয়ী বিএনপির আসাদুজ্জামান ◈ রংপুর–৪ আসনের প্রাথমিক ফলে বিএনপির এমদাদুলকে পেছনে ফেলে এগিয়ে আখতার হোসেন ◈ প্রতিদ্বন্দ্বীর চেয়ে দ্বিগুণ ভোটে এগিয়ে সালাহউদ্দিন আহমদ ◈ কুমিল্লা-৪ আসনে হাসনাত আবদুল্লাহর বড় জয়ের আভাস ◈ ঢাকা-৯–এর দুই কেন্দ্রে বড় ব্যবধানে এগিয়ে ধানের শীষের হাবিবুর, তৃতীয় অবস্থানে তাসনিম জারা ◈ জামায়াত প্রার্থীকে পেছনে ফেলে বড় ব্যবধানে এগিয়ে তারেক রহমান ◈ বাংলাদেশে ভোটের ফলাফলের ওপর ভারতের পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ভর করবে: রণধীর জয়সওয়াল

প্রকাশিত : ৩০ এপ্রিল, ২০১৮, ০১:৪৯ রাত
আপডেট : ৩০ এপ্রিল, ২০১৮, ০১:৪৯ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রথমে ধাক্কাধাক্কি, এরপর হাতাহাতি হয়

তাবলীগ জামাত এক সময়ে ইসলামি ছিলো। আজ আর মনে হয় ইসলামি দল হিসেবে নেই। ইসলাম কি বলে যে, তোমরা নিজের সাথি ভাইদের সাথে মারামারি করো? তিন-চার বছর ধরেই এই দলাদলি চলছে। বাংলাদেশ তাবলিগ-জামাত পরিচালনা কমিটির শূরা সদস্য ১১ জন। এর মধ্যে সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম ও হাফেজ মাওলানা জুবায়েরের মধ্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব ও গ্রুপিং রয়েছে। তারা একে অপরের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগও তুলেছেন। এর আগে মাসোয়ারায় ঝামেলা হওয়ায় কোনও বৈঠক হতো না।

অনেকদিন পর মঙ্গলবার বৈঠক শুরু হয়। এ সময় ওয়াসিফুল ও জুবায়ের গ্রুপ একে অন্যের বিরুদ্ধে পাল্টাপাল্টি অভিযোগ করতে থাকেন। তখন দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। প্রথমে ধাক্কাধাক্কি, এরপর হাতাহাতি হয়। এ সময় কওমী মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা জুবায়ের গ্রুপের পক্ষে লাঠিসোটা নিয়ে ওয়াসিফুল গ্রুপকে ধাওয়া করে। তখন পুরো এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। মাসোয়ারা কক্ষসহ মসজিদের ভেতরের কয়েকটি কক্ষ ভাঙচুর করা হয়।

পরিচিতি : তাবলীগ জামাতের সাথী/মতামত গ্রহণ : মো. এনামুল হক এনা/সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়