প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দৈনিক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার কিছু ব্যতিক্রম ভাবনা

মানুষের মনের চাহিদা, দেশের প্রয়োজন, সমাজ সচেতনতা, সংস্কৃতির বিকাশ, খেলাধুলা, জাতীয় চাহিদা, রাজনৈতিক চাহিদা পূরণ করে দৈনিক পত্রিকাগুলো। প্রতিদিন বেশীর ভাগ মানুষের মনের চাহিদা অনুধাবন করতে হয় একজন পত্রিকার সম্পাদককে। শত শত পত্রিকা প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে প্রকাশিত হয়। কিছু সংখ্যক পত্রিকার সম্পাদক ও পত্রিকা মানুষের মনে স্থান করে নেয়। দৈনিক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকা ও এর সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খান পাঠকদের মাঝে স্থান করে নিয়েছেন এবং মানুষের মন জয় করে নিয়েছেন। পত্রিকাটির ব্যতিক্রম প্রথম ও শেষ পাতার সংবাদ ছোট ছোট, যার কারণে পাঠকগণ অনেক কম সময়ে পড়তে পারেন।

৪ পাতায় সমাজের অনেক গুণীজনদের সাক্ষাৎকার ও লেখা প্রকাশিত হয়। মাঝে মাঝে কিছু ইন্টারেস্টিং লেখা ফেসবুক থেকেও নেওয়া হয়। ঢাকা মহানগর উত্তর আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মো. সাদেক খানের কাছে জানতে চেয়েছিলাম, আপনি নিয়মিত দৈনিক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকা পড়ে থাকেন, কিভাবে গ্রহণ করেছেন পত্রিকাটি? সাদেক খান বলেন, অনেক বড় বড় পত্রিকা পড়ার সময় পাই না, বড় লেখা পড়তে পারি না, এতে চোখের সমস্যা হয়। অনেকেই পত্রিকা নিয়ে নড়াচাড়া করে কিন্তু পড়ে কম। আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার ছোট-ছোট সংবাদগুলো পড়তে সময় কম লাগে, তাই আগ্রহ বেশী। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষে অত্যন্ত চমৎকার লেখে। অতি সাধারণ পাঠক সুখেন খান যিনি রায়ের বাজারের একটি দোকানদার, তিনি আমাদের অর্থনীতির একজন নিয়মিত পাঠক।

পত্রিকা পড়ার সময় অনেক, তাই প্রতিদিন দুই-তিনটি পত্রিকা পড়েন। তার কাছে জানতে চেয়েছিলাম আমাদের অর্থনীতি পত্রিকা সম্পর্কে। সুখেন বলেন, এত কম সময়ে পত্রিকাটিকে সাধারণ মানুষ গ্রহণ করেছে এটা আমার কাছে বড় বিষয়। তারপরেও ইতিমধ্যে সরকার অনেক বিষয়ে আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার লেখা ফলো করেন, ঠেঙ্গার চরে (ভাষান চর) রোহিঙ্গা পূনর্বাসন, ট্যানারী শিল্প স্থানান্তর, মশক নিধনে সামাজিক ঐক্য, পশুপালন উন্নয়ন, ভারতীয় মাংস আমদানী বন্ধের আবেদন বাস্তবায়ন করা হয়েছে এবং হচ্ছে। সুখেন আমার বাড়ীর পাশেই থাকেন, আমাকে একটু বেশি ভালবাসেন এবং নিয়মিত পত্রিকাটি পড়েন। ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র জনাব সাঈদ খোকন বিগত ১৩ এপ্রিল জনসচেতনতা সৃষ্টির লক্ষ্যে গণজাগরণ ঢাকা পরিস্কার-পরিচ্ছন্ন কর্মসূচী পালন করেছেন। মশক নিধনে পশু জবাইখানা আধুনিক করার জন্য ইতিমধ্যে কাজ চলছে, ট্যানারী শিল্প স্থানান্তর হয়েছে, রোহিঙ্গা পুনর্বাসনের জন্য নৌবাহিনী ও সেনাবাহিনীর তত্ত্বাবধানে উন্নয়ন কাজ চলছে।

পশু পালনের জন্য চরাঞ্চল, বনাঞ্চল, সমতল ভূমিতে বিপ্লব না হলেও পশুপালন এগিয়ে চলছে। প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয় ঘোষণা দিয়েছে, মাংসে আমরা স্বয়ংসম্পূর্ণ। সবগুলো বিষয় আমাদের অর্থনীতিতে লেখা হয়েছে এবং সরকারও বিষয়গুলো গ্রহণ করেছে। একজন সম্পাদক, লেখক, পত্রিকার স্টাফদের জন্য এরচেয়ে আনন্দের বিষয় আর কি হতে পারে। কেন এমন লাগে, যখন দেখি একজন পাঠক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকা পড়ছে, মনটা পুলকিত হয়ে উঠে। সম্পাদক সকাল-দুপুর-বিকাল-রাত নাই, সময় পেলেই পত্রিকার সাথে যুক্ত সকলের সাথে মতবিনিময় করেন।

ছোট ছোট ভুল, পত্রিকার রিপোর্ট নিয়ে খোলামেলা কথা বলেন। অনেক বড় গ্রুপ অব ইন্ডাষ্ট্রিজ এর মালিক না হয়েও সম্পাদকের গুণ ও সাংবাদিকদের আন্তরিকতায় দৈনিক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকা এখন আলোচনায় আলোচিত ও কাংখিত পরিচিতি অর্জন করেছে এবং দল-মত নির্বিশেষে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে। প্রথম আলোর সাথে তুলনা করলে কি হবে। তবে অনেক ঐতিহ্যবাহী পত্রিকাও দৈনিক আমাদের অর্থনীতি পত্রিকার পেছনে অবস্থান করছে। সাধারণ মানুষের কাছে আমাদের অর্থনীতি পত্রিকা ও সম্পাদক নাঈমুল ইসলাম খানের গ্রহণযোগ্যতা পাওয়ায় আমরা যারা এই পত্রিকার সাথে যুক্ত থেকে একটু আনন্দ উপভোগ করছি, তা প্রকাশ করতেই আমার আজকের এই লেখা।

লেখক : ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব, বাংলাদেশ মাংস ব্যবসায়ী সমিতি/ সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত