প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

দেশে স্থাপন হচ্ছে নতুন ৬টি হর্টিকালচার সেন্টার

মতিনুজ্জামান মিটু : দেশে স্থাপন হচ্ছে নতুন ৬টি হর্টিকালচার সেন্টার। বছরব্যাপী ফল উৎপাদনের মাধ্যমে পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পের প্রথম সংশোধিত উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবনার আওতায় এ হর্টিকালচার সেন্টারগুলো স্থাপন করা হবে।

মঙ্গলবার (২৭ফেব্রুয়ারি) একনেক এ ওই প্রস্তাবনা উঠানো হয়। প্রকল্প প্রস্তাবনা বাস্তবায়ন হলে দেশে হর্টিকালচার সেন্টারের সংখ্যা হবে ৬৬টি। কৃষি মন্ত্রণালয় প্রশাসনিক ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এই প্রকল্পের বাস্তবায়ন কর্তৃপক্ষ। প্রকল্প পরিচালকের দায়িত্বে রয়েছেন কৃষিবিদ মো. মেহেদী মাসুদ।

দেশের ৩টি পাহাড়ী জেলা, উপকুলীয় এবং অন্যান্য অঞ্চলের অব্যবহৃত জমি ও বসতবাড়ির চারপাশের জমিতে উদ্যান ফসলের উৎপাদন বাড়াতে ২০১৫ সালের জুলাই মাসে প্রকল্পটির কাজ শুরু হয়। যা ২০২০ সালের জুন মাসে শেষ হওয়ার কথা ছিল। প্রকল্পের উপ প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ মো. নূরুল ইসলাম ও সিনিয়র হর্টিকালচারিস্ট কৃষিবিদ শহিদুল ইসলাম জানান, সংশোধিত প্রস্তাবনা অনুযায়ি ২০২১ সালের ৩০ জুন প্রকল্প বাস্তবায়নের কাজ শেষ হবে। প্রথম সংশোধিত প্রস্তাবনায় ১০৪ কোটি ২২ লাখ ৩৮ হাজার টাকা বেড়ে মোট প্রকল্প ব্যয় দাঁড়িয়েছে ২৯৯ কোটি ২৩ লাখ টাকা। ২০১৫ সালে ৫ বছর মেয়াদি এ প্রকল্প শুরুর সময়ে ব্যয় ধরা হয়েছিল ১৯৫ কোটি ৬২ হাজার টাকা। দেশের ৭টি বিভাগের ৪৫টি জেলার ৩৬২টি উপজেলা এ প্রকল্পের আওতাভূক্ত। প্রকল্পটি হর্টিকালচার সেন্টার ভিত্তিক। দেশের ৬০টি হর্টিকালচার সেন্টারের মাধ্যমে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন হচ্ছে।

জনগণের বিপুল চাহিদায় নেয়া প্রকল্পের সংশোধিত প্রস্তাবনায় ব্রাহ্মনবাড়িয়া জেলার কসবা, শরিয়তপুরের জাজিরা, ময়মনসিংহের গফরগাঁও, চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলা, চাদপুর ও সাতক্ষিরা জেলায় ১টি করে নতুন হর্টিকালচার সেন্টার স্থাপন করা হবে। এছাড়া সংশোধিত প্রকল্পে প্রদর্শনী এবং প্রশিক্ষণের সংখ্যাও বাড়বে। মানবদেহের পুষ্টির চাহিদা পূরণ, মেধার বিকাশ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে ফলের গুরুত্ব অপরিসীম। কথায় বলে ফলই বল, ফলে ভেজাল নেই, রান্নার ঝামেলা নেই। তাই পুষ্টিতে বিশেষ করে ভিটামিন ও মিনারেলে ভরপুর খাদ্য হিসেবে ফলের বিকল্প নেই। পূর্ণ বয়স্কদের দৈনিক ২০০ গ্রাম ফল খাওয়া উচিত। তবে বর্তমানে এদেশে যে পরিমাণ ফল উৎপাদন হয় তা চাহিদার মাত্র ৪০ ভাগ। এছাড়া এদেশে যে ফল উৎপাদিত হয় তার ৬০ ভাগই পাওয়া যায় জুন-জুলাই মাসে। শীত মৌসুমে দেশে ফল প্রাপ্তির সুবিধা কম। এ প্রকল্পের আওতায় প্রচলিত, অপ্রচলিত এবং অন্যান্য দেশী বিদেশী ফলের চাষাবাদ বাড়িয়ে সারা বছর সমানভাবে ফলের সরবরাহ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত