শিরোনাম
◈ বিদ্যুৎহীন সেন্টমার্টিন, ল্যাম্প-মোমবাতির আলোয় রাত কাটছে দ্বীপবাসীর ◈ কাপ্তাই লেকে পানির উচ্চতা বাড়ায় ৫ ইউনিটে বিদ্যুৎ উৎপাদন, মিলছে ১৭৯ মেগাওয়াট ◈ চট্টগ্রামে শনিবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত ◈ নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নে আইএমএফের শর্ত কতটা চ্যালেঞ্জের? ◈ ডিসেম্বরে দেশে ফিরব, দলের নেতাদের সঙ্গে আদালতে আত্মসমর্পণ করব: রয়টার্সকে হাসিনা ◈ বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১০ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবায় বড় উদ্যোগ: ৪১৮ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হবে ১০১ শয্যার, নতুন ১৩ উপজেলায় হাসপাতাল ◈ উগ্রবাদী কর্মকাণ্ডে অভিযুক্ত ‘ফাতাহ কমব্যাট সিস্টেম’ সম্পর্কে যা জানা যাচ্ছে ◈ টানা বৃষ্টি ও উজানের ঢলে পাঁচ নদীর পানি এখনো বিপৎসীমার ওপরে, কয়েক জেলায় বন্যা শঙ্কা ◈ জাপানের দিকে ধেয়ে আসছে শক্তিশালী টাইফুন ‘বাভি’, চরম সতর্কতা, ফ্লাইট বাতিল ও নিরাপদে সরানো হচ্ছে মানুষ

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০১৮, ০২:০৭ রাত
আপডেট : ২৮ জানুয়ারী, ২০১৮, ০২:০৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রত্যাবাসন ফরমকে রোহিঙ্গাদের জন্য ফাঁদ বলছেন বিশেষজ্ঞরা

ডেস্ক রিপোর্ট: মিয়ানমারের দেয়া নতুন প্রত্যাবাসন ফরমকে রোহিঙ্গাদের জন্য ফাঁদ হিসেবে দেখছেন, শরণার্থী বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির। তার মতে, দীর্ঘ ফরম পূরণের নামে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে ঝুলিয়ে দেবার ফন্দিতে মেতেছে, মিয়ানমার। যদিও বাংলাদেশের শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালামের দাবি, রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর কাজ সময় মতোই এগিয়ে যাবে।

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার সময় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যে তালিকা দেয়া হয়, তা নিতে অস্বীকার করে মিয়ানমার। তারা ৫ পাতার একটি নতুন ভেরিফিকেশন ফর্ম তুলে দেয়। পাশাপাশি দাবি করে, একটি পরিবারকে একটি ইউনিট হিসেবে গণনা করা হবে।

৫ পাতার এই ফর্মে রয়েছে পরিবারের কর্ত্যব্যক্তির ছবি, সিরিয়াল নম্বর, তারিখ, লিঙ্গ, জন্মস্থান, বাবা মায়ের নাম, শনাক্তকরণ চিহ্নসহ পরিবার প্রধানের ১৮টি এবং সদস্যদের ১১টি তথ্য। ফর্মের নিচের দিকে লেখা রয়েছে, নিজ ইচ্ছায় তারা মিয়ানমারের সব আইন মেনে দেশটিতে প্রবেশ করবেন। ফলে পুরো এই প্রক্রিয়াকে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি ফাঁদ বলে মন্তব্য করছেন শরণার্থী বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের যেসব তথ্য সংগ্রহ করেছে, তা কি শুধুই সময়ক্ষেপণ? আসিফ মুনির বলছেন, জটিল এই ফর্ম পূরণের নামে মিয়ানমার নতুন করে সময় নষ্ট করবে। ফলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পুরো প্রক্রিয়াটিই ঝুলে যাবে।

তবে শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের দাবি, সবকিছু মাথায় রেখেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সময় মতোই রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো শুরু হবে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে গত বছরের অক্টোবরে শুরু হয় যাচাই-বাছাই। এ পর্যন্ত সাড়ে ১০ লাখ রোহিঙ্গার বায়োমেট্রিক নিবন্ধন শেষ হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়