শিরোনাম
◈ বাড়তি মার্কিন শুল্ক কার্যকর হলে রপ্তানিতে বড় ধাক্কার আশঙ্কা ◈ শেখ হাসিনার পক্ষের দাবি নাকচ, জুলাই অভ্যুত্থান প্রতিবেদনের পাশে জাতিসংঘ ◈ কারামুক্ত হলেন সাবেক মেয়র আইভী ◈ দিল্লির আবাসিক হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিহত ২১; আহতদের মধ্যে ৫ বাংলাদেশি ◈ ‘আসল’ তৃণমূলের নিয়ন্ত্রণ ঋতব্রতের হাতে, মমতাকে উপদেষ্টা হওয়ার প্রস্তাব ◈ অস্ট্রেলিয়ার বিরু‌দ্ধে বাংলা‌দে‌শের ওয়ান‌ডে দল ঘোষণা, মিরাজ অ‌ধিনায়ক ◈ বিদ্যুতের প্রিপেইড মিটারের মাসিক চার্জ তুলে নিল সরকার ◈ হাজিদের লাগেজ চুরি রোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস ধর্মমন্ত্রীর ◈ ৩০০ দিনে ১৭ দেশ পেরিয়ে আর্জেন্টিনার ক্যাম্পে ৩ ভক্ত সাইক্লিস্ট  ◈ হাদি ইস্যুতে মমতার মন্তব্য; যা বললেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০১৮, ০২:০৭ রাত
আপডেট : ২৮ জানুয়ারী, ২০১৮, ০২:০৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রত্যাবাসন ফরমকে রোহিঙ্গাদের জন্য ফাঁদ বলছেন বিশেষজ্ঞরা

ডেস্ক রিপোর্ট: মিয়ানমারের দেয়া নতুন প্রত্যাবাসন ফরমকে রোহিঙ্গাদের জন্য ফাঁদ হিসেবে দেখছেন, শরণার্থী বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির। তার মতে, দীর্ঘ ফরম পূরণের নামে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে ঝুলিয়ে দেবার ফন্দিতে মেতেছে, মিয়ানমার। যদিও বাংলাদেশের শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালামের দাবি, রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর কাজ সময় মতোই এগিয়ে যাবে।

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার সময় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যে তালিকা দেয়া হয়, তা নিতে অস্বীকার করে মিয়ানমার। তারা ৫ পাতার একটি নতুন ভেরিফিকেশন ফর্ম তুলে দেয়। পাশাপাশি দাবি করে, একটি পরিবারকে একটি ইউনিট হিসেবে গণনা করা হবে।

৫ পাতার এই ফর্মে রয়েছে পরিবারের কর্ত্যব্যক্তির ছবি, সিরিয়াল নম্বর, তারিখ, লিঙ্গ, জন্মস্থান, বাবা মায়ের নাম, শনাক্তকরণ চিহ্নসহ পরিবার প্রধানের ১৮টি এবং সদস্যদের ১১টি তথ্য। ফর্মের নিচের দিকে লেখা রয়েছে, নিজ ইচ্ছায় তারা মিয়ানমারের সব আইন মেনে দেশটিতে প্রবেশ করবেন। ফলে পুরো এই প্রক্রিয়াকে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি ফাঁদ বলে মন্তব্য করছেন শরণার্থী বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের যেসব তথ্য সংগ্রহ করেছে, তা কি শুধুই সময়ক্ষেপণ? আসিফ মুনির বলছেন, জটিল এই ফর্ম পূরণের নামে মিয়ানমার নতুন করে সময় নষ্ট করবে। ফলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পুরো প্রক্রিয়াটিই ঝুলে যাবে।

তবে শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের দাবি, সবকিছু মাথায় রেখেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সময় মতোই রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো শুরু হবে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে গত বছরের অক্টোবরে শুরু হয় যাচাই-বাছাই। এ পর্যন্ত সাড়ে ১০ লাখ রোহিঙ্গার বায়োমেট্রিক নিবন্ধন শেষ হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়