শিরোনাম
◈ অস্ট্রেলিয়া সিরিজের জন‌্য  বাংলাদেশ নারী দল ঘোষণা, অধিনায়ক জ্যোতি ◈ দেশের যেসব এলাকায় বৃহস্পতিবার ৬ ঘণ্টা গ্যাস থাকবে না ◈ অনুমতি ছাড়া নাম-ছবি ব্যবহারের অভিযোগ, এআই প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উর্বশীর ৭ হাজার কোটি টাকার মামলা ◈ ইসিবি চত্বরে হামলার আগের দিন রেস্তোরাঁয় বৈঠকে অংশ নেন অন্তত ১৫ জন ◈ অক্টোবরে কোন জ্বালানি তেলের দাম কত টাকা হবে, সিদ্ধান্ত দিলো সরকার ◈ রাড্ডা স্বাস্থ্যকেন্দ্র ভাঙচুরের পর বিএনপির ঢাকা উত্তর, যুবদল ও ছাত্রদলের কমিটি বিলুপ্ত, ১০ নেতা বহিষ্কার ◈ ফ্লাইদুবাইয়ের বিমানে পাইলটকে ছুরিকাঘাত, যাত্রীসহ বিমান বিধ্বস্তের চেষ্টা: নেতানিয়াহু ◈ প্রধানমন্ত্রীর ‘বাংলা উচ্চারণ’ নিয়ে শ্রেণিকক্ষে কটূক্তি, স্কুলশিক্ষক আটক ◈ নূহ (আ.)-এর নৌকার সন্ধানে তুরস্কে খনন, মাটির নিচে মিলল অস্বাভাবিক কাঠামো ◈ চট্টগ্রাম বন্দরে অনলাইন ব্যাংকিংয়ে বিল পরিশোধ ১ নভেম্বর থেকে বাধ্যতামূলক

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০১৮, ০২:০৭ রাত
আপডেট : ২৮ জানুয়ারী, ২০১৮, ০২:০৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রত্যাবাসন ফরমকে রোহিঙ্গাদের জন্য ফাঁদ বলছেন বিশেষজ্ঞরা

ডেস্ক রিপোর্ট: মিয়ানমারের দেয়া নতুন প্রত্যাবাসন ফরমকে রোহিঙ্গাদের জন্য ফাঁদ হিসেবে দেখছেন, শরণার্থী বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির। তার মতে, দীর্ঘ ফরম পূরণের নামে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে ঝুলিয়ে দেবার ফন্দিতে মেতেছে, মিয়ানমার। যদিও বাংলাদেশের শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালামের দাবি, রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর কাজ সময় মতোই এগিয়ে যাবে।

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার সময় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যে তালিকা দেয়া হয়, তা নিতে অস্বীকার করে মিয়ানমার। তারা ৫ পাতার একটি নতুন ভেরিফিকেশন ফর্ম তুলে দেয়। পাশাপাশি দাবি করে, একটি পরিবারকে একটি ইউনিট হিসেবে গণনা করা হবে।

৫ পাতার এই ফর্মে রয়েছে পরিবারের কর্ত্যব্যক্তির ছবি, সিরিয়াল নম্বর, তারিখ, লিঙ্গ, জন্মস্থান, বাবা মায়ের নাম, শনাক্তকরণ চিহ্নসহ পরিবার প্রধানের ১৮টি এবং সদস্যদের ১১টি তথ্য। ফর্মের নিচের দিকে লেখা রয়েছে, নিজ ইচ্ছায় তারা মিয়ানমারের সব আইন মেনে দেশটিতে প্রবেশ করবেন। ফলে পুরো এই প্রক্রিয়াকে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি ফাঁদ বলে মন্তব্য করছেন শরণার্থী বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের যেসব তথ্য সংগ্রহ করেছে, তা কি শুধুই সময়ক্ষেপণ? আসিফ মুনির বলছেন, জটিল এই ফর্ম পূরণের নামে মিয়ানমার নতুন করে সময় নষ্ট করবে। ফলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পুরো প্রক্রিয়াটিই ঝুলে যাবে।

তবে শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের দাবি, সবকিছু মাথায় রেখেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সময় মতোই রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো শুরু হবে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে গত বছরের অক্টোবরে শুরু হয় যাচাই-বাছাই। এ পর্যন্ত সাড়ে ১০ লাখ রোহিঙ্গার বায়োমেট্রিক নিবন্ধন শেষ হয়েছে।

  • সর্বশেষ