শিরোনাম
◈ সরকারের নতুন সিদ্ধান্ত নবম পে-স্কেল নিয়ে, আসছে বড় পরিবর্তন ◈ যুদ্ধের নিন্দায় ঐকমত্য ব্রিকস নেতাদের, আসছে যৌথ ঘোষণা ◈ মেগা মাস্টারপ্ল্যানে বদলে যাচ্ছে কক্সবাজার, লক্ষ্য আন্তর্জাতিক পর্যটন-ব্যবসার হাব ◈ হাম উপসর্গে দেশজুড়ে আরো ৭ জনের মৃত্যু ◈ কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জনে সর্বোচ্চ উদ্যোগ নেবে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ রেলপথে নতুন দিগন্ত: ট্রান্স-এশিয়ান নেটওয়ার্কে যুক্ত হবে বাংলাদেশ ◈ নেপালে অবৈধভাবে বসবাস ও সন্দেহজনক কর্মকাণ্ডের অভিযোগে ১০ বাংলাদেশি গ্রেপ্তার ◈ সি‌পিএলে মিরা‌জের দুর্দান্ত বো‌লিং‌য়ে জিত‌লো গায়ানা, পে‌লেন ম্যাচসেরার পুরস্কার ◈ ‘আমরা কখনোই তাদের ভুলব না’, ৯/১১-এর ২৫ বছর পূর্তিতে ট্রাম্প ◈ বাংলা-ইংরেজি মাধ্যমের কারিকুলামে সামঞ্জস্য আনা হবে: ববি হাজ্জাজ

প্রকাশিত : ২৮ জানুয়ারী, ২০১৮, ০২:০৭ রাত
আপডেট : ২৮ জানুয়ারী, ২০১৮, ০২:০৭ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রত্যাবাসন ফরমকে রোহিঙ্গাদের জন্য ফাঁদ বলছেন বিশেষজ্ঞরা

ডেস্ক রিপোর্ট: মিয়ানমারের দেয়া নতুন প্রত্যাবাসন ফরমকে রোহিঙ্গাদের জন্য ফাঁদ হিসেবে দেখছেন, শরণার্থী বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির। তার মতে, দীর্ঘ ফরম পূরণের নামে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়াকে ঝুলিয়ে দেবার ফন্দিতে মেতেছে, মিয়ানমার। যদিও বাংলাদেশের শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার আবুল কালামের দাবি, রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর কাজ সময় মতোই এগিয়ে যাবে।

রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া নিয়ে আলোচনার সময় বাংলাদেশের পক্ষ থেকে যে তালিকা দেয়া হয়, তা নিতে অস্বীকার করে মিয়ানমার। তারা ৫ পাতার একটি নতুন ভেরিফিকেশন ফর্ম তুলে দেয়। পাশাপাশি দাবি করে, একটি পরিবারকে একটি ইউনিট হিসেবে গণনা করা হবে।

৫ পাতার এই ফর্মে রয়েছে পরিবারের কর্ত্যব্যক্তির ছবি, সিরিয়াল নম্বর, তারিখ, লিঙ্গ, জন্মস্থান, বাবা মায়ের নাম, শনাক্তকরণ চিহ্নসহ পরিবার প্রধানের ১৮টি এবং সদস্যদের ১১টি তথ্য। ফর্মের নিচের দিকে লেখা রয়েছে, নিজ ইচ্ছায় তারা মিয়ানমারের সব আইন মেনে দেশটিতে প্রবেশ করবেন। ফলে পুরো এই প্রক্রিয়াকে রোহিঙ্গাদের জন্য একটি ফাঁদ বলে মন্তব্য করছেন শরণার্থী বিশেষজ্ঞ আসিফ মুনির।

এখন প্রশ্ন হচ্ছে, ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে বাংলাদেশ রোহিঙ্গাদের যেসব তথ্য সংগ্রহ করেছে, তা কি শুধুই সময়ক্ষেপণ? আসিফ মুনির বলছেন, জটিল এই ফর্ম পূরণের নামে মিয়ানমার নতুন করে সময় নষ্ট করবে। ফলে রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের পুরো প্রক্রিয়াটিই ঝুলে যাবে।

তবে শরণার্থী, ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনারের দাবি, সবকিছু মাথায় রেখেই এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। সময় মতোই রোহিঙ্গাদের ফেরত পাঠানো শুরু হবে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন শুরু করতে গত বছরের অক্টোবরে শুরু হয় যাচাই-বাছাই। এ পর্যন্ত সাড়ে ১০ লাখ রোহিঙ্গার বায়োমেট্রিক নিবন্ধন শেষ হয়েছে।

  • সর্বশেষ