প্রচ্ছদ

সর্বশেষ খবর :

সরকারি প্রাথমিকে ১৭ হাজার ৬১৫ প্রধান শিক্ষকের পদ শূন্য

তরিকুল ইসলাম সুমন : দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হলেও ধীরগতির কারণে এ প্রক্রিয়ায় অনেক সিনিয়র শিক্ষকরা এ সুবিধা পাচ্ছেন না।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা জানান, সম্প্রতি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর (ডিপিই) থেকে কিশোরগঞ্জ ও মানিকগঞ্জ জেলার প্রধান শিক্ষক শূন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের তালিকা পাঠানো হয়েছে। ইতোমধ্যে ৭ জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের প্রধান শিক্ষকের চলতি দায়িত্বে পদোন্নতি দেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ড. এ এফ এম মনজুর কাদির বলেন, জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকের শুন্যপদ পূরণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে বেশকিছু জেলায় নিয়োগ নেওয়া হয়েছে। কিশোরগঞ্জ ও মানিকগঞ্জসহ আরো বেশ কয়েকটি জেলার শিক্ষকদের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে। মেহেরপুর, ফরিদপুর জেলার শিক্ষকদের তালিকা তৈরির কাজ করছে (ডিপিই)। পর্যায়ক্রমে দেশের সব জেলার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষক শূন্য আসনে চলতি দায়িত্বে পদায়ন করা হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী মোস্তাফিজুর রহমান গত বছরের ২৩ মে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রধান শিক্ষকের শূন্য স্থানে জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকদের দায়িত্ব দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। এর পরেই পদায়ন কার্যক্রম শুরু করে মন্ত্রনালয় ও ডিইপি। সারা দেশে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪৫ হাজার শিক্ষকের পদ শূন্য রয়েছে। এরমধ্যে প্রধান শিক্ষকের শূন্যপদ ১৭ হাজার ৬১৫টি এবং সহকারী শিক্ষকের শূন্যপদ ২৭ হাজার ৩৮৮টি।

সরকারি সহকারি শিক্ষক ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন আমাদের পদোন্নতি বন্ধ ছিল। অনেক সহকারি শিক্ষকই (আন-অফিসিয়ালি) প্রধান শিক্ষকের দায়িত্বে রয়েছেন। এখন তাদের চলিতি দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু অনেক সিনিয়র শিক্ষক এক্ষেত্রে বঞ্চিত হচ্ছেন। চলে যাচ্ছেন অবসরেও। এ কারণে এ প্রক্রিয়া আরো স্বচ্ছ ও দ্রুত করা প্রয়োজন। সম্পাদনা : সৈয়দ নূর-ই-আলম

এক্সক্লুসিভ রিলেটেড নিউজ

সর্বশেষ

সর্বাধিক পঠিত