শিরোনাম
◈ হিন্দু-মুসলিমসহ সব ধর্মের মানুষকে নিয়ে বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়তে চান তারেক রহমান ◈ জাতীয় নির্বাচনের পর বাংলাদেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা বেড়েছে, সহিংসতা কমেছে: যুক্তরাজ্যের প্রতিবেদন ◈ প্রতিবেশী দেশের সমর্থনে ক্ষমতায় টিকে থাকার রাজনীতিতে বিশ্বাস করি না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ◈ সীমান্তের ওপার থেকে অর্থ দিয়ে দেশে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা চলছে: তারেক রহমান ◈ ‘জায়গা ভাড়া দিয়েছি, অবৈধ কর্মকাণ্ডের দায় আমার নয়’: অতিরিক্ত ডিআইজি আল জহির ◈ ভারতের আম্বানির রিলায়েন্সের তেল শোধনাগারে রুবিওর সফর কেন? ◈ সৌদি আরবের রাজধানীতে বিকট বিস্ফোরণের শব্দ, জরুরি সতর্কতা জারি ◈ কম্বোডিয়ার প্রতারণা চক্রের ফাঁদ থেকে মুক্ত হয়ে দেশে ফিরলেন ৩০ বাংলাদেশি ◈ ফ্রান্সে বিক্ষোভের ঝড়, পতনের মুখে ম্যাক্রোঁ? ◈ এক যুগের বেশি সময় পর ঢাকা-গাজীপুর বিআরটি প্রকল্প বন্ধের সিদ্ধান্ত, বদলে যাচ্ছে সড়কের নকশা

প্রকাশিত : ২৪ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৭:২২ সকাল
আপডেট : ২৪ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৭:২২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণার পর মিশরের সাবেক সেনাপ্রধান আটক

অনলাইন রিপোর্ট  : গত সপ্তাহে নিজের ফেসবুক পেজে আগামী মার্চে অনুষ্ঠিতব্য প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণার পর মঙ্গলবার আটক হয়েছেন মিশরের সাবেক সেনাপ্রধান সামি আনান। তার প্রচারণা শিবিরের তিন সংগঠকের বরাতে এই খবর দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের খবর পর্যবেক্ষণকারী ব্রিটিশ ওয়েবসাইট মিডলইস্ট মনিটর। তবে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা সামরিক বাহিনীর তরফে এই আটকের কথা এখনও স্বীকার করা হয়নি।

গত সপ্তাহে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে আনান জানান, ভুল নীতি থেকে মিশরকে রক্ষায় আগামী মার্চের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেবেন তিনি। ২০০৫ থেকে ২০১২ সালের আগস্ট পর্যন্ত সেনাপ্রধানের দায়িত্ব সামলেছেন আনান। তিনি নির্বাচনে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। মিশরের বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি নিজেও একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা। নিজের দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচন করতে এরইমধ্যে আগ্রহ দেখিয়েছেন তিনি।

গত সপ্তাহে আনানের ঘোষণার পর রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতি প্রচারিত হয়। তাতে তার বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনীর আইন ভঙ্গের অভিযোগ তোলা হয়। সাবেক কর্মী হিসেবে সেনাবাহিনীর অনুমতি ছাড়াই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতার ঘোষণাকে বেআইনি বলে আখ্যা দেওয়ার পাশাপাশি আনানের বিরুদ্ধে জাল নথি ব্যবহারের অভিযোগ তোলা হয় ওই বিবৃতিতে। বলা হয় আইনের এই মারাত্মক লঙ্ঘন চুপ করে দেখবে না সেনাবাহিনী।

আনানের প্রচারণা শিবিরের তিন কর্মী সংবাদমাধ্যমকে জানান, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতার বিষয়ে তার মনোভাব নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মঙ্গলবার কায়রোতে সামি আনানকে ডেকে নেয় সেনাবাহিনী। পরে তাকে আর ফেরত পাঠানো হয়নি। তবে তাকে আটকের বিষয়ে মন্তব্য করার জন্য কোনও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাউকে পাওয়া যায়নি। সেনাবাহিনীর তরফ থেকেও কোন কিছু জানানো হয়নি।

সূত্র :  বাংলা ট্রিবিউন

  • সর্বশেষ