শিরোনাম
◈ তিন বছর পর ফের বৈঠকে বাংলাদেশ-ভারত, দিল্লি যাচ্ছেন ১০ কর্মকর্তা: বাণিজ্য সম্পর্ক জোরদারে নতুন উদ্যোগ ◈ বাংলাদেশে গাড়ি কারখানা করবে টয়োটা, ২০২৭ সালে শুরু হবে নির্মাণকাজ ◈ কিউ-ক্যাশে সেবা ব্যাহত: ৩০ ব্যাংকের কার্ড ও ডিজিটাল সেবা দ্রুত চালুর নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক ◈ ৫০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে ৭ ধরনের ক্যানসার বাড়ছে, গবেষণায় উদ্বেগজনক তথ্য ◈ মেসির বিদায়ী ম্যাচেও কেলেঙ্কারি, এএফএর বিরুদ্ধে ‘অর্থলোভী’ কর্মকাণ্ডের অভিযোগ! ◈ বাজারে সিন্ডিকেটের প্রভাব বিস্তার করতে দেওয়া হবে নাঃখাদ্যমন্ত্রী ◈ এক বছরে নতুন করে দরিদ্র বেড়েছে প্রায় ২১ লাখ বাংলাদেশি, চাকরি হারাচ্ছেন নারীরা ◈ সরকারি কলেজের বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের বদলি-পদায়ন অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত, জারি নতুন নির্দেশনা ◈ প্রতিটি শিশুর প্রতিভা বিকাশে খেলাধুলা ও সৃজনশীলতার সুযোগ দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী ◈ রাজশাহী মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসিকে জোর করে পদত্যাগে স্বাক্ষরের অভিযোগ

প্রকাশিত : ২৪ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৭:২২ সকাল
আপডেট : ২৪ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৭:২২ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণার পর মিশরের সাবেক সেনাপ্রধান আটক

অনলাইন রিপোর্ট  : গত সপ্তাহে নিজের ফেসবুক পেজে আগামী মার্চে অনুষ্ঠিতব্য প্রেসিডেন্ট পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতার ঘোষণার পর মঙ্গলবার আটক হয়েছেন মিশরের সাবেক সেনাপ্রধান সামি আনান। তার প্রচারণা শিবিরের তিন সংগঠকের বরাতে এই খবর দিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যের খবর পর্যবেক্ষণকারী ব্রিটিশ ওয়েবসাইট মিডলইস্ট মনিটর। তবে দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বা সামরিক বাহিনীর তরফে এই আটকের কথা এখনও স্বীকার করা হয়নি।

গত সপ্তাহে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে আনান জানান, ভুল নীতি থেকে মিশরকে রক্ষায় আগামী মার্চের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে অংশ নেবেন তিনি। ২০০৫ থেকে ২০১২ সালের আগস্ট পর্যন্ত সেনাপ্রধানের দায়িত্ব সামলেছেন আনান। তিনি নির্বাচনে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রতি আহ্বান জানান। মিশরের বর্তমান প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল সিসি নিজেও একজন সাবেক সেনা কর্মকর্তা। নিজের দ্বিতীয় মেয়াদে নির্বাচন করতে এরইমধ্যে আগ্রহ দেখিয়েছেন তিনি।

গত সপ্তাহে আনানের ঘোষণার পর রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনে সামরিক বাহিনীর এক বিবৃতি প্রচারিত হয়। তাতে তার বিরুদ্ধে সামরিক বাহিনীর আইন ভঙ্গের অভিযোগ তোলা হয়। সাবেক কর্মী হিসেবে সেনাবাহিনীর অনুমতি ছাড়াই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতার ঘোষণাকে বেআইনি বলে আখ্যা দেওয়ার পাশাপাশি আনানের বিরুদ্ধে জাল নথি ব্যবহারের অভিযোগ তোলা হয় ওই বিবৃতিতে। বলা হয় আইনের এই মারাত্মক লঙ্ঘন চুপ করে দেখবে না সেনাবাহিনী।

আনানের প্রচারণা শিবিরের তিন কর্মী সংবাদমাধ্যমকে জানান, নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বীতার বিষয়ে তার মনোভাব নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মঙ্গলবার কায়রোতে সামি আনানকে ডেকে নেয় সেনাবাহিনী। পরে তাকে আর ফেরত পাঠানো হয়নি। তবে তাকে আটকের বিষয়ে মন্তব্য করার জন্য কোনও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাউকে পাওয়া যায়নি। সেনাবাহিনীর তরফ থেকেও কোন কিছু জানানো হয়নি।

সূত্র :  বাংলা ট্রিবিউন

  • সর্বশেষ