শিরোনাম
◈ ঈদে চন্দ্রা টার্মিনালে ঘরমুখী মানুষের চাপ, ১০ কিমি দীর্ঘ যানজট ◈ শিলাবৃষ্টি ও বন্যায় ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ◈ না ফেরার দেশে অভিনেতা শামস সুমন ◈ ইরান-ইসরাইল-মার্কিন যুদ্ধে ভারতের ওপর ৫০ বিলিয়ন ডলারের ধাক্কা ◈ বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্কে বরফ গলছে! ◈ যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব নাকচ, কঠোর অবস্থানে মোজতবা খামেনি ◈ এক দশকে বাংলাদেশের অর্ধেক তরুণ চাকরি পাননি: বিশ্বব্যাংক ◈ নববর্ষে চালু হচ্ছে কৃষক কার্ড, প্রথম ধাপে ২১ হাজার কৃষক পাচ্ছেন সহায়তা ◈ ইরানের শীর্ষ নিরাপত্তা কর্মকর্তা লারিজানিকে হত্যার দাবি ইসরায়েলের ◈ মশক নিধনে ঢাকার দুই সিটিকে কঠোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর, বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় দেশীয় প্রযুক্তিতে জোর

প্রকাশিত : ২৩ জানুয়ারী, ২০১৮, ১২:৫৭ দুপুর
আপডেট : ২৩ জানুয়ারী, ২০১৮, ১২:৫৭ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

তথ্য গোপন করার অভিযোগে মির্জাগঞ্জের ইউএনওকে তথ্য কমিশনের সমন জারি

উত্তম গোলদার, পটুয়াখালী : পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জে বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) প্রকল্পে তথ্য গোপন রেখে, মনগড়া তথ্য প্রদান করার অভিযোগে মির্জাগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তথ্য কমিশন থেকে সমন জারি করা হয়েছে।

আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি ঢাকাস্থ তথ্য কমিশন অফিসে স্ব-শরীরে হাজির হয়ে অভিযোগের জবাব দিতে বলা হয়েছে। এশিয়ান টিভি ও ভোরের পাতা পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি মো. আবুল হোসেন তালুকদারের অভিযোগের ভিত্তিতে গত ৯ জানুয়ারি তথ্য কমিশনের গবেষণা কর্মকর্তা রাবেয়া হেনা এ সমন জারি করেন।

অভিযোগে জানা গেছে, মির্জাগঞ্জ উপজেলায় বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) কর্তৃক ২০১৫-১৬ ও ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে কত টাকা বরাদ্ধ প্রদান করা হয় ও উপজেলা প্রকৌশলীর ভবনের উপরে ২টি রুম বর্ধিত করনের কাজ না করে ঠিকাদার কর্তৃক ৪০ লাখ টাকার বিল উত্তোলন এবং ২০১৬-১৭ অর্থ বছরে উপজেলা অডিটরিয়াম নির্মাণ কাজের জুন ক্লোজিনের নামে টাকা ফেরৎ যাওয়ার অযুহাত দেখিয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, উপজেলা প্রকৌশলী এলজিইডি ও উপজেলা হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা ২ কোটি ৬৯ লাখ টাকা উত্তোলন করে রাখেন। তা নিয়ম বর্হিভূত কিনা এবং বর্তমানে ওই টাকা কোনো অবস্থায় আছে তা জানতে চাওয়া হয় তথ্য অধিকার আইনে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহ্ মো. রফিকুল ইসলাম আবেদনকারী এশিয়ান টিভি ও ভোরের পাতা’র পটুয়াখালী জেলা প্রতিনিধি মো. আবুল হোসেন তালুকদারকে তথ্য না দিয়ে তালবাহানা করে দেড় মাস পরে তথ্য প্রদান করেন। তাকে ভুল তথ্য দেয়ায় আবেদনকারী সংক্ষুদ্ধ হয়ে জেলা প্রশাসক বরাবরে আপিল আবেদন করেন। আপিলে কোন প্রতিকার না পেয়ে আবেদনকারী তথ্য কমিশন বরাবরে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন। তথ্য কমিশন বিষয়টি নিষ্পত্তিকরণের উদ্দেশ্যে আবেদনটি গ্রহণ করে আগামী ৫ ফেব্রুয়ারি তথ্য কমিশন অফিসে হাজির হয়ে ব্যক্তিগত ভাবে অথবা মনোনীত আইনজীবির মাধ্যমে জবাব দেওয়ার জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসারকে সমন জারি করা হয়েছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়