শিরোনাম
◈ কম ট্যারিফে রামপালে ৪৪২ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ, একনেকে অনুমোদনের অপেক্ষায় ◈ জাকির নায়েককে ভারতের হাতে তুলে দিতে আলোচনা চলছে: মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী ◈ রেমিট্যান্সের প্রবাহে ডলারের বাজারে স্বস্তি, দুই বছরে রিজার্ভ বেড়েছে ১১.৫৮ বিলিয়ন ডলার ◈ বাংলাদেশে আরও ৫ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ আনতে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কাজ করবে সরকার ◈ মাউশির বিশেষ বিজ্ঞপ্তি এমপিও শিক্ষকদের বদলি আবেদন নিয়ে ◈ কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগ সভা-সমাবেশ করলেই কঠোর ব্যবস্থা: রিজভী ◈ সাময়িক জরুরি ব্যয়ে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত ‘ই-পেমেন্ট ক্রেডিট’ চালুর নির্দেশ বাংলাদেশ ব্যাংকের ◈ সার সরবরাহ ও অনিয়ম তদারকিতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের কন্ট্রোল রুম চালু ◈ এআই গণিতের সব সমস্যার সমাধান করে দিলে আমি রোমান্টিক উপন্যাস লিখব: চীনা গণিতবিদ দেং ইউ ◈ রাশিয়া-চীন ঘনিষ্ঠতায় বদলে যাচ্ছে শক্তির সমীকরণ, কী করবে যুক্তরাষ্ট্র?

প্রকাশিত : ২২ জানুয়ারী, ২০১৮, ১২:৪৮ দুপুর
আপডেট : ২২ জানুয়ারী, ২০১৮, ১২:৪৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিশুরা বাংলাসহ বিভিন্ন ভাষা শিখছে

ফরহাদ আমিন, টেকনাফ : মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও মগের নির্যাতন অত্যাচারে পরিবারের সাথে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শিশুরা কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আশ্রয় নেয়ার পর থেকে লেখাপড়া, খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদনের সুবিধা পেয়ে কিছুটা স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরতে শুরু করেছে।উখিয়ার থাইংখালী তাজিনিমারখোলা সমাধান শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের শিশু শিক্ষা কেন্দ্রসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন এনজিও এসব শিশুর শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

শিক্ষক রহমত উল্লাহ ও শিক্ষিকা ফারজানা আক্তার জানান, প্রতিদিন এসব রোহিঙ্গা শিশুকে বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের পাশাপাশি বার্মিজ ভাষাও শেখানো হচ্ছে। মিয়ানমারে ফিরে গিয়ে তারা যেন নিজেদের ভাষায় লেখাপড়া করতে পারে সেজন্য বার্মিজ শেখানো হচ্ছে।এ ছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিনোদনকেন্দ্র গড়ে উঠেছে। এসব কারণে রাখাইনের ভয়াবহ নির্যাতনের দুঃসহ স্মৃতিগুলো শিশুদের মন থেকে মুছে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার সমাজসেবা কার্যালয়ের জ্যৈষ্ঠ কর্মকর্তা মোঃ এমরান খান জানান, উখিয়ার কুতুপালং ও বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ পর্যন্ত ৩৬ হাজার ৩৭৩টি এতিম শিশু শনাক্ত করা হয়েছে। এসব শিশু লেখাপড়ার জন্য আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম, ব্র্যাক, মুক্তিসহ বিভিন্ন এনজিওর উদ্যোগে তিন শতাধিক স্কুল রয়েছে। এসব শিশু কেন্দ্রে বার্মিজ ভাষাসহ বিভিন্ন ভাষা শেখানো হচ্ছে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ সরকার, ইউএন অর্গানাইজেশন এবং দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থা রোহিঙ্গা শিশুদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু এসব শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ সুরক্ষার জন্য তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিয়ে লালন পালনের ব্যবস্থা করার কোনো বিকল্প নেই বলেও জানান এমরান খান।

আইওএম এর কক্সবাজার অফিসের প্রধান সংযুক্তা সাহানি জানান, উখিয়া ও টেকনাফের প্রতিটি ক্যাম্পে রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য আইওএম এর পক্ষ থেকে স্কুল ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। শিক্ষা ও বিনোদনের মধ্যে থেকে রাখাইনে নির্যাতনের দুঃসহ স্মৃতিগুলো শিশুদের মন থেকে ধীরে ধীরে দূর হচ্ছে, এটা ভালো। মিয়ানমারের শিক্ষকদের পাশাপাশি এতে শিক্ষকতার সুযোগ পেয়েছেন স্থানীয় শিক্ষিত তরুণ-তরুণীরা।

  • সর্বশেষ