শিরোনাম
◈ নৌশাদ মুসার কো‌চিং‌য়ে বাংলা‌দে‌শের সাফ ফুটব‌লে ভার‌তের অনূর্ধ্ব-২৩ দল অংশ নি‌বে ◈ এবার ব্যালন ডি’অরে মেসির পঞ্চম স্থান নিয়ে কটাক্ষ ◈ বছর শেষে বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ২৩ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস বিশ্বব্যাংকের ◈ ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের অ্যাম্বুলেন্স ধর্মঘট ৭ দিনের জন্য স্থগিত ◈ ‘বিএনপিকে ভোট দিয়া আজকে ভুক্তভোগী’ বলে গ্রেপ্তার হাওয়া নারীর জামিন ◈ জিন্সের প্যান্ট ও অন্তর্বাসে সেলাই করে ১২ কেজি স্বর্ণ পাচার, দুই চীনা যাত্রী আটক ◈ চীনে চাকরির প্রলোভনে ১২ নারীকে নির্যাতন, রাজধানীতে ৫ লাখ ইয়াবা ও বিদেশি মদ উদ্ধার ◈ ভারতে তাণ্ডব চালিয়ে বাংলাদেশের দিকে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’, ৪ সমুদ্রবন্দরে ৩ নম্বর সতর্কসংকেত ◈ বাংলাদেশ-জাপানের ৬ সহযোগিতা দলিল স্বাক্ষর, ২৯৫.৫ মিলিয়ন ডলার ঋণ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি ◈ অলৌকিক ঝুলন্ত পাথরের রহস্য, আসলে কী ঘটেছিল? (ভিডিও)

প্রকাশিত : ২২ জানুয়ারী, ২০১৮, ১২:৪৮ দুপুর
আপডেট : ২২ জানুয়ারী, ২০১৮, ১২:৪৮ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

রোহিঙ্গা ক্যাম্পে শিশুরা বাংলাসহ বিভিন্ন ভাষা শিখছে

ফরহাদ আমিন, টেকনাফ : মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও মগের নির্যাতন অত্যাচারে পরিবারের সাথে বাংলাদেশে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গা শিশুরা কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে আশ্রয় নেয়ার পর থেকে লেখাপড়া, খেলাধুলা ও চিত্তবিনোদনের সুবিধা পেয়ে কিছুটা স্বাভাবিক জীবনযাপনে ফিরতে শুরু করেছে।উখিয়ার থাইংখালী তাজিনিমারখোলা সমাধান শিক্ষা উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের শিশু শিক্ষা কেন্দ্রসহ দেশি-বিদেশি বিভিন্ন এনজিও এসব শিশুর শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে।

শিক্ষক রহমত উল্লাহ ও শিক্ষিকা ফারজানা আক্তার জানান, প্রতিদিন এসব রোহিঙ্গা শিশুকে বাংলা, ইংরেজি ও গণিতের পাশাপাশি বার্মিজ ভাষাও শেখানো হচ্ছে। মিয়ানমারে ফিরে গিয়ে তারা যেন নিজেদের ভাষায় লেখাপড়া করতে পারে সেজন্য বার্মিজ শেখানো হচ্ছে।এ ছাড়া রোহিঙ্গা ক্যাম্পে বিনোদনকেন্দ্র গড়ে উঠেছে। এসব কারণে রাখাইনের ভয়াবহ নির্যাতনের দুঃসহ স্মৃতিগুলো শিশুদের মন থেকে মুছে যাচ্ছে।

এ ব্যাপারে কক্সবাজার সমাজসেবা কার্যালয়ের জ্যৈষ্ঠ কর্মকর্তা মোঃ এমরান খান জানান, উখিয়ার কুতুপালং ও বালুখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এ পর্যন্ত ৩৬ হাজার ৩৭৩টি এতিম শিশু শনাক্ত করা হয়েছে। এসব শিশু লেখাপড়ার জন্য আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থা আইওএম, ব্র্যাক, মুক্তিসহ বিভিন্ন এনজিওর উদ্যোগে তিন শতাধিক স্কুল রয়েছে। এসব শিশু কেন্দ্রে বার্মিজ ভাষাসহ বিভিন্ন ভাষা শেখানো হচ্ছে।

এ ছাড়া বাংলাদেশ সরকার, ইউএন অর্গানাইজেশন এবং দেশি-বিদেশি বিভিন্ন সংস্থা রোহিঙ্গা শিশুদের কল্যাণে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু এসব শিশুর সর্বোত্তম স্বার্থ সুরক্ষার জন্য তাদের নিজ দেশ মিয়ানমারে ফিরিয়ে নিয়ে লালন পালনের ব্যবস্থা করার কোনো বিকল্প নেই বলেও জানান এমরান খান।

আইওএম এর কক্সবাজার অফিসের প্রধান সংযুক্তা সাহানি জানান, উখিয়া ও টেকনাফের প্রতিটি ক্যাম্পে রোহিঙ্গা শিশুদের জন্য আইওএম এর পক্ষ থেকে স্কুল ও বিনোদনকেন্দ্র গড়ে তোলা হয়েছে। শিক্ষা ও বিনোদনের মধ্যে থেকে রাখাইনে নির্যাতনের দুঃসহ স্মৃতিগুলো শিশুদের মন থেকে ধীরে ধীরে দূর হচ্ছে, এটা ভালো। মিয়ানমারের শিক্ষকদের পাশাপাশি এতে শিক্ষকতার সুযোগ পেয়েছেন স্থানীয় শিক্ষিত তরুণ-তরুণীরা।

  • সর্বশেষ