শিরোনাম
◈ খাল খননের পাশাপাশি কর্মসংস্থান, আসছে ‘মডেল খাল’ কর্মসূচি ◈ মানসিক সমস্যায় আক্রান্তদের অবহেলা নয়, সম্মান ও সহমর্মিতা দেখাতে হবে: রাষ্ট্রপতি ◈ মানব পাচার নির্মূলে ন্যূনতম মানদণ্ড পূরণ করতে পারেনি বাংলাদেশ : মার্কিন প্রতিবেদন ◈ মানসিক স্বাস্থ্যসেবা মানুষের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিতে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী ◈ সাইকেল চালিয়ে দেশের প্রথম চার লেনের সাইকেল ট্র্যাক উদ্বোধন করলেন অর্থমন্ত্রী ◈ রেলের টিকিট কালোবাজারি ও পাথর নিক্ষেপ বন্ধে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এক মাসের দায়িত্ব চাইলেন মাহবুব কবীর মিলন ◈ ম‌্যা‌ডিসন ১০ বছর পর মা‌ঠে ফিরে লজ্জার রেকর্ড কর‌লেন ◈ চাঁদা না পেয়ে ট্রাক এনে লুটপাট, সরকার কেন চাঁদাবাজি-দখল থামাতে পারছে না? ◈ অস্ট্রেলিয়ার টেস্ট ইতিহাসে এবারই প্রথম, একাদশের সবার বয়স ৩০ বছ‌রের উপ‌রে ◈ অ‌স্ট্রেলিয়ার সাম‌নে দিশাহারা বাংলা‌দেশ, নারী দল হার‌লো ৭ উইকেটে

প্রকাশিত : ২১ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৭:২৬ সকাল
আপডেট : ২১ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৭:২৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

পাখি পল্লব’র সহায়তায় রক্ষা পেল দূর্লভ লক্ষ্মীপেঁচা

তপু সরকার হারুন, শেরপুর থেকে : শেরপুরে ‘পাখি পল্লব’ নামে স্থানীয় পরিবেশবাদী সংগঠনের সহায়তায় রক্ষা পেল দূর্লভ প্রজাতির আহত এক লক্ষ্মীপেঁচা।

শনিবার সদর উপজেলার প্রত্যন্ত পল্লী চরজঙ্গলদী থেকে ওই লক্ষ্মীপেঁচাটি উদ্ধার করা হয়। বর্তমানে পাখিটি মোটামুটি সুস্থ থাকলেও ভালো করে উড়তে পারে না। রোববার লক্ষ্মীপেঁচাটিকে বনবিভাগের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

জানা যায়, সদর উপজেলার চর জঙ্গলদী গ্রামের আল আমিন নামে একজন নবম শ্রেণির ছাত্র কয়েকদিন আগে বাড়ির পাশে গাছে দূর্লভ প্রজাতির লক্ষ্মীপেঁচাটি দেখতে পেয়ে সেটিকে ধরে ফেলে। ওইসময় পাখিটি ঠোঁটের ওপরে এবং ডানায় গুরুতর আঘাত পায়। পরে পাখিটির পায়ে নাইলনের দড়ি দিয়ে বেঁধে রাখে। ফলে তার পায়েও ক্ষত হয়ে যায়। সেই সাথে খাবার ও চিকিৎসার অভাবে পাখিটি অসুস্থ হয়ে পড়ে। শনিবার রাস্তার অদূরে বাঁধা অবস্থায় পাখিটি দেখতে পেয়ে পরিবেশবাদী ওই দলটি ছেলেটির বাড়িতে গিয়ে তাকে বন্যপ্রাণী আইন সংরক্ষণ সম্পর্কে ধারণা দিয়ে ও বুঝিয়ে সেটিকে তাদের হেফাজতে নেয়। পরে তারা স্থানীয় প্রাণীসম্পদ হাসপাতালে নিয়ে তার প্রাথমিক চিকিৎসা করায়।

এ ব্যাপারে সদর উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ শাহজাদা ভুইয়া জানান, অদ্ভুত সুন্দর দেখতে পাখিটি খুব বেশী দেখা যায় না। বিলুপ্তপ্রায় পাখিটির নাম লক্ষ্মী পেঁচা (BARM OWL)। বৈজ্ঞানিক নাম TYTO ALLOO. এক সময় দেশে প্রচুর দেখা যেত। কিন্তু নগরায়ন, অপরিকল্পিত শিল্পায়ন ও বনাঞ্চল ধ্বংসের কারণে এরা এখন বিলুপ্তপ্রায়। পেঁচা জাতিদের মধ্যে সবচেয়ে সুন্দরতম হলো লক্ষ্মী পেঁচা। যার মুখ ধবধবে সাদা। সোনালী পালকের মাঝে ছোপ ছোপ দাগ। মুখে হৃদয় বা ভালোবাসার আকৃতির চিহ্ন। সন্ধ্যা কিংবা রাতে ওই পাখির ডাক শোনা যায়। গুরুগম্ভীর ডাক শুনে অনেকেই পেঁচাকে অশুভ প্রতীক বলে মনে করেন। কোনো কোনো অঞ্চলে পেঁচা ডাকলে ঘরে ওঠার সিঁড়িতে জল ঢেলে দেওয়া হয়। তাদের বিশ্বাস, এতে সব ধরনের অকল্যাণ থেকে মুক্তি পাওয়া যায়। আসলে পেঁচা কোনো অশুভ পাখি নয়। অনেক সম্প্রদায় যেমন মান্দি, হাজং, গারোদের কাছে পেঁচা অনেকটা পূজনীয় পাখি। সনাতন ধর্মাবলম্বীদের কাছে লক্ষ্মীর বাহন হিসেবে লক্ষ্মী পেঁচাকে শুভ শক্তির প্রতীক হিসেবেই দেখা হয়।

 

 

  • সর্বশেষ