শিরোনাম
◈ মধ্যপ্রাচ্যে গভীর সংকট, সমাধান খুঁজতে এক টেবিলে আরব-ইসলামী দেশগুলো ◈ স্বজনের টানে ঘরমুখো মানুষ, কোথাও যানজট কোথাও স্বস্তি ◈ ঈদ ছুটিতে রাজধানীতে অপরাধের ঝুঁকি, সতর্কতায় জোর পুলিশের ◈ জেট ফুয়েলের মূল্যবৃদ্ধির ঘোষণা থেকে সরে এলো বিইআরসি ◈ যুক্তরাষ্ট্র-ইরান আলোচনায় অংশ নিয়ে সমঝোতা নাগালের মধ্যে ছিল বলে মনে করেছেন যুক্তরাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা ◈ দক্ষিণ কোরিয়াকে হা‌রি‌য়ে নারী এশিয়ান কাপের ফাইনালে জাপান  ◈ মে‌হেদী হাসান মিরাজের পক্ষে রায় দিলো এমসিসি ◈ ট্রেন দুর্ঘটনায় ক্ষতি হ্রাস ও দুর্ভোগ এড়াতে ব্যবস্থা নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ ◈ ইরান অভিযানে ১৬ মিলিয়ন ডলারের এক ডজনের বেশি রীপারের ড্রোন ধ্বংস, জানিয়েছেন মার্কিন কর্মকর্তারা ◈ শুক্রবার ঈদ উদযাপন করবে সৌদি আরব

প্রকাশিত : ২১ জানুয়ারী, ২০১৮, ০১:১৬ রাত
আপডেট : ২১ জানুয়ারী, ২০১৮, ০১:১৬ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শিশুদের কোরআন-গীতা-বাইবেল শিক্ষা দিতে হবে : মানেকা গান্ধী

মরিয়ম চম্পা : ভারতের শিশুদের কোরআন, গীতা ও বাইবেলসহ অন্যান্য ধর্মীয় বই থেকে শিক্ষা দিতে হবে বলে জানিয়েছেন ভারতের কেন্দ্রীয় নারী ও শিশু উন্নয়ন বিষয়ক মন্ত্রী মানেকা গান্ধী। তিনি বলেন, শিশুরা যাতে বিভিন্ন ধর্মের মধ্যে সহনশীলতার শিক্ষা পেতে পারে, তাই ছোট সময় থেকেই তাদের অভিন্ন মানসিকতায় গড়ে তুলতে হবে।

হিন্দুস্থান টাইমসের এক প্রতিবেদনে মানেকা জানায়, ধর্মীয় কারণেই এখন বিভিন্ন ধরণের উত্তেজনা দেখা যাচ্ছে। এর অন্যতম একটি কারণ হচ্ছে শিশুরা অন্য ধর্ম সম্পর্কে কিছু জানে না। ফলে অন্য ধর্মের প্রতি তারা শ্রদ্ধাবোধ হারিয়ে ঘৃণা পোষণ করে। হিন্দু, জৈন, বৌদ্ধ, শিখ ও ইসলাম ধর্মের মূল্যবান গ্রন্থ থেকে শিক্ষালাভ করলে শিশুরা ছোট বয়সেই অন্য ধর্মের প্রতি সম্মান করতে শিখবে। গত সপ্তাহে সেন্ট্রাল অ্যাডভাইজরি বোর্ড অব এডুকেশনে নতুন এই পরিকল্পনার প্রস্তাব করেন মানেকা। ছয় ধর্মের পবিত্র গ্রন্থ থেকে সপ্তাহে অন্তত দুবার ক্লাস নেয়ার ব্যাপারে মানব সম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের কাছে আহ্বানও জানান তিনি।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী মানেকা বলেন, আমাদের মধ্যে কয়জন নিজ নিজ ধর্মীয় গ্রন্থ পড়েছেন? আমি কোরআন পড়েছি। আপনারা কতজন জানেন যে মুহাম্মদ (সা.) যুদ্ধ-বিরোধী? আমাদের নৈতিকতার শিক্ষা দেওয়া হতো, কিন্তু এখন আর এটি নেই। দ্য হিন্দুস্থান টাইমস

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়