শিরোনাম
◈ তেল রপ্তানিতে বিকল্প পথ, ৫০০ মাইল পাইপলাইন পুনর্গঠনের পরিকল্পনা ◈ ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলা, হরমুজ প্রণালিতেও অভিযান ◈ স্বচ্ছতার বিপক্ষে নই, তবে হস্তক্ষেপ মানি না: সরকারি হস্তক্ষেপ নিয়ে মুখ খুললেন শাহজালাল দরগাহের মোতাওয়াল্লী(ভিডিও) ◈ চীনে ‘বিয়ের’ নামে বিক্রি হচ্ছেন মিয়ানমারের নারীরা, জান্তা প্রধানকে প্রশংসায় ভাসাল বেইজিং ◈ ডলার বাজারে স্থিতিশীলতা, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ৩৬.৫৮ বিলিয়ন ডলার ◈ সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য আপিল বিভাগের গুরুত্বপূর্ণ রায়, ২৫ বছরের আগে পদত্যাগে পেনশন নয় ◈ ৬ বিভাগে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস, ঢাকায় কমবে বর্ষণ ◈ বস্ত্র ও পোশাক খাতে নতুন প্রণোদনা, রপ্তানিতে মিলবে বাড়তি নগদ সহায়তা ◈ বাউফলে বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী নারীকে যৌন নিপীড়ন: প্রধান আসামি র‍্যাবের জালে ◈ পারমাণবিক শক্তির যুগে বাংলাদেশ, উন্নয়নশীল বিশ্বের জন্য নতুন চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা

প্রকাশিত : ১৭ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৩:০১ রাত
আপডেট : ১৭ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৩:০১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হৃদরোগ দূর করতে হাদীসের চিকিৎসা

সাইদুর রহমান : হৃদরোগ মানুষের জটিল রোগের অন্যতম। হৃদপিন্ড সুস্থ থাকলে তো মানুষ সুস্থ। হাদীস শরীফে মানুষের এই অন্যতম জটিল রোগের চিকিৎসা বলে দেয়া হয়েছে।

অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের পরামর্শ মোতাবেক হাদীসের উপর আমল করলে অবশ্যই ফল পাওয়া যাবে। তাছাড়া হাদীসে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যাওয়ারও কথা বলা হয়েছে।

হযরত সা‘দ (রা.) সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি অসুস্থ হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে আসলেন এবং আমার বুকে তাঁর হাত রাখলেন। আমি আমার হৃদয়ে তাঁর হাতের শীতলতা অনুভব করলাম। অতঃপর তিনি বললেন, তুমি হৃদরোগী, তুমি সাকীফ গোত্রের হারিস ইবনু কালাদাহর নিকট যাও; কারণ সে এসব রোগের চিকিৎসা করে। সে যেন মদীনার আজওয়া খেজুর থেকে সাতটি খেজুর নিয়ে বীচিসহ চূর্ণ করে সেগুলো তোমার মুখে ঢেলে দেয়। (আবু দাউদ, হাদীস নং ৩৮৭৫, মিশকাত ৪২২৪)

আজওয়া খেজুরের উপকারিতা সর্ম্পকে আরেক হাদীসে এসেছে,আমির ইবনু সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রহ.) থেকে নিজের পিতার সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যহ সকালে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেদিন কোনো ধরণের বিষ ও যাদু তাকে ক্ষতি করতে পারবে না। (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ , হাদীস নং ৩৮৭৬)

তাছাড়া আলজিভ ফোলা সম্পর্কেও হাদীসে চিকিৎসার কথা এসেছে। উম্মু কায়িস বিনুত মিহসান (রা.) সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার ছেলেকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গেলাম। তার আলজিভ ফুলে ব্যাথা হওয়ায় আমি তাতে মালিশ করেছিলাম। তিনি বললেনঃ আলজিভ ফোলার কারণে তোমরা তোমাদের সন্তানদের গলায় চাপ দিয়ে তাদের কষ্ট দিচ্ছো কেন? তোমরা উদ হিন্দী ব্যবহার করো; কেননা সাত প্রকার ব্যাধিতে তা উপকারী। শিশুদের আলজিভ ফুলে ব্যথা হলে তা ঘষে গুড়া করে পানির সঙ্গে মিশিয়ে নাকের ভেতর ফোটায় প্রবেশ করাবে এবং ফুসফুস আবরক ঝিল্লীর প্রদাহ হলেও এভাবে তা পান করাতে হবে।

ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, অর্থাৎ ঊদ (কাঠ) হলো এক প্রকার সুগন্ধি কাঠ। (বুখারি, মুসলিম , আবু দাউদ , হাদীস নং ৩৮৭৭)

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়