শিরোনাম
◈ নিখোঁজের রহস্যের অবসান, লাকসাম স্টেশনে আহত অবস্থায় খোঁজ মিলল জিসানের ◈ বিশ্বকাপের মঞ্চে সিআইএর গোপন অপারেশন? ইংল্যান্ডের গোলরক্ষককে বিষপ্রয়োগের দাবি ◈ গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার, ৬৯টি কূপ খনন করবে বাপেক্স ◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে"

প্রকাশিত : ১৭ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৩:০১ রাত
আপডেট : ১৭ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৩:০১ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

হৃদরোগ দূর করতে হাদীসের চিকিৎসা

সাইদুর রহমান : হৃদরোগ মানুষের জটিল রোগের অন্যতম। হৃদপিন্ড সুস্থ থাকলে তো মানুষ সুস্থ। হাদীস শরীফে মানুষের এই অন্যতম জটিল রোগের চিকিৎসা বলে দেয়া হয়েছে।

অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের পরামর্শ মোতাবেক হাদীসের উপর আমল করলে অবশ্যই ফল পাওয়া যাবে। তাছাড়া হাদীসে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে যাওয়ারও কথা বলা হয়েছে।

হযরত সা‘দ (রা.) সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি অসুস্থ হলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে দেখতে আসলেন এবং আমার বুকে তাঁর হাত রাখলেন। আমি আমার হৃদয়ে তাঁর হাতের শীতলতা অনুভব করলাম। অতঃপর তিনি বললেন, তুমি হৃদরোগী, তুমি সাকীফ গোত্রের হারিস ইবনু কালাদাহর নিকট যাও; কারণ সে এসব রোগের চিকিৎসা করে। সে যেন মদীনার আজওয়া খেজুর থেকে সাতটি খেজুর নিয়ে বীচিসহ চূর্ণ করে সেগুলো তোমার মুখে ঢেলে দেয়। (আবু দাউদ, হাদীস নং ৩৮৭৫, মিশকাত ৪২২৪)

আজওয়া খেজুরের উপকারিতা সর্ম্পকে আরেক হাদীসে এসেছে,আমির ইবনু সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রহ.) থেকে নিজের পিতার সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি প্রত্যহ সকালে সাতটি আজওয়া খেজুর খাবে, সেদিন কোনো ধরণের বিষ ও যাদু তাকে ক্ষতি করতে পারবে না। (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ , হাদীস নং ৩৮৭৬)

তাছাড়া আলজিভ ফোলা সম্পর্কেও হাদীসে চিকিৎসার কথা এসেছে। উম্মু কায়িস বিনুত মিহসান (রা.) সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমার ছেলেকে নিয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট গেলাম। তার আলজিভ ফুলে ব্যাথা হওয়ায় আমি তাতে মালিশ করেছিলাম। তিনি বললেনঃ আলজিভ ফোলার কারণে তোমরা তোমাদের সন্তানদের গলায় চাপ দিয়ে তাদের কষ্ট দিচ্ছো কেন? তোমরা উদ হিন্দী ব্যবহার করো; কেননা সাত প্রকার ব্যাধিতে তা উপকারী। শিশুদের আলজিভ ফুলে ব্যথা হলে তা ঘষে গুড়া করে পানির সঙ্গে মিশিয়ে নাকের ভেতর ফোটায় প্রবেশ করাবে এবং ফুসফুস আবরক ঝিল্লীর প্রদাহ হলেও এভাবে তা পান করাতে হবে।

ইমাম আবূ দাঊদ (রহ.) বলেন, অর্থাৎ ঊদ (কাঠ) হলো এক প্রকার সুগন্ধি কাঠ। (বুখারি, মুসলিম , আবু দাউদ , হাদীস নং ৩৮৭৭)

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়