শিরোনাম
◈ থাইল্যান্ড যাওয়ার অনুমতি মেলেনি আসিফ মাহমুদের সাবেক এপিএস মোয়াজ্জেমের ◈ আমরা যদি একসঙ্গে ঐক্যবদ্ধ থাকি সকলের মিলে সমস্যার সমাধান করতে পারবো : তারেক রহমান ◈ জঙ্গল সলিমপুরে সন্ত্রাসীদের আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘোষণা র‍্যাব ডিজির (ভিডিও) ◈ সেহরি ও ইফতারের সময়সূচি জানাল ইসলামিক ফাউন্ডেশন ◈ ঢাকার ১৩টি আসনে দুপুর পর্যন্ত ৫ প্রার্থীর মনোনয়নপত্র প্রত‍্যাহার ◈ ভোটকেন্দ্র নজরদারিতে সিসিটিভি: ৭২ কোটি টাকার বিশেষ বরাদ্দ ◈ চ্যাম্পিয়ন্স লিগে রাতে লড়াই‌য়ে নামছে আর্সেনাল, রিয়াল মাদ্রিদ, পিএসজি ও ইন্টার মিলান ◈ চাপ সৃষ্টি করে ভারতে বিশ্বকাপ খেলতে বাংলা‌দেশ‌কে বাধ্য করা যাবে না: ক্রীড়া উপ‌দেষ্টা ◈ লুট হওয়া অস্ত্র নির্বাচনের আগে উদ্ধারের তাগিদ দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা: প্রেস সচিব ◈ প্রধান উপদেষ্টার সভাপতিত্বে নিকারের সভা অনুষ্ঠিত, ১১ প্রস্তাব অনুমোদিত

প্রকাশিত : ১৭ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৭:১৪ সকাল
আপডেট : ১৭ জানুয়ারী, ২০১৮, ০৭:১৪ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মির্জাপুরে অর্ধশতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানাগার ‘নামকাওয়াস্তে’

ডেস্ক রিপোর্ট : টাঙ্গাইলের মির্জাপুরের অর্ধশতাধিক উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের বিজ্ঞানাগার নামাকাওয়াস্তে। যার ফলে শিক্ষার্থীরা হাতে কলমে বিজ্ঞান শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এর সত্যতা নিশ্চিত করেছে উপজেলা শিক্ষা অফিস।

সূত্র জানায়, মির্জাপুর উপজেলায় ৪৭টি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও ১৩টি দাখিল মাদ্রাসা রয়েছে। এই বিদ্যালয় ও মাদ্রাসাগুলোর প্রত্যেকটিতেই বিজ্ঞানাগারও রয়েছে। কিন্ত সেগুলোতে নেই প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। দুই একটি বাদে এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানাগারগুলো নামকাওয়াস্তে।

এছাড়া যে ২/৪টি বিজ্ঞানাগারের সরঞ্জাম রয়েছে সেগুলোও ঠিকমতো ব্যবহার করা যায় না।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক মো. জাহাঙ্গীর আলম জানান, বিদ্যালয়গুলোর বিজ্ঞানাগারের খারাপ অবস্থার জন্য শিক্ষার্থীরা হাতে কলমে বিজ্ঞান শিক্ষা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

যে কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞানাগারে সরঞ্জাম রয়েছে সেগুলোও ব্যবহার করতে অনেক শিক্ষকের মধ্যে অনীহা রয়েছে বলেও তিনি অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে মির্জাপুর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. জাকির হোসেন মোল্লার সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে অধিকাংশ মাধ্যমিক বিদ্যালয়গুলোর বিজ্ঞানাগার যে নামকাওয়াস্তে তা তিনি স্বীকার করেন।

তিনি বলেন, বিজ্ঞানাগারের সরঞ্জাম কেনার জন্য প্রতিবছর ২/৩টি প্রতিষ্ঠানকে সরকার ৩০/৪০ হাজার টাকা বরাদ্দ দিয়ে থাকে। কিন্ত সে টাকা যথাযথ কাজে ব্যবহার হয় না বলে তিনি অভিযোগ করেন।

সূত্র : ঢাকাটাইমস

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়