শিরোনাম
◈ হরমুজ প্রণালিতে নিবন্ধন পদ্ধতি চালু করছে ইরান, এক জাহাজ থেকেই ২০ লাখ ডলার টোল আদায় ◈ কর্তৃপক্ষের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে ইফতার আয়োজন ঘিরে উত্তপ্ত দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় ◈ ইরান যুদ্ধ বন্ধে চীনের তাড়া নেই যেই পাঁচ কারণে ◈ ইরানকে ঘিরে নতুন কৌশল: পাইপলাইন পরিকল্পনার কথা ইসরায়েলের ◈ ঈদের আগে প্রবাসী আয়ে চাঙা রিজার্ভ ◈ এপ্রিলে দিল্লি সফরে যেতে পারেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ◈ পদ্মা-যমুনা সেতুতে টোল আদায়ে রেকর্ড ◈ প্রধানমন্ত্রীর ঈদ শুভেচ্ছা, দেশ গড়তে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান ◈ দূতাবাসের উদ্যোগে বাহরাইন থেকে বিশেষ চার্টার্ড ফ্লাইটে দেশে ফিরছেন ২৮২ প্রবাসী ◈ ৯০ কিমি গতির কালবৈশাখীর তাণ্ডব ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায়, বজ্রপাতে স্কুলছাত্র নিহত

প্রকাশিত : ১৭ জানুয়ারী, ২০১৮, ১২:৫৪ দুপুর
আপডেট : ১৭ জানুয়ারী, ২০১৮, ১২:৫৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মিয়ানমারের সিদ্ধান্ত মেনেই প্রত্যাবাসন চুক্তিতে সই করলো বাংলাদেশ

তরিকুল ইসলাম : মিয়ানমারের সিদ্ধান্ত মেনেই চূড়ান্তভাবে প্রত্যাবাসন চুক্তিতে সই করলো বাংলাদেশ। দেশটির রাজধানী নেপিড’তে দু’দিন ধরে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বিস্তর আলোচনার পর মঙ্গলবার সকালে এ বিষয়ে সম্মত হয় উভয় দেশ। চুক্তি অনুযায়ী প্রত্যাবাসন শুরুর দুই বছরের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও কবে থেকে রোহিঙ্গারা রাখাইনে ফিরবে সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইয়াঙ্গুনের কূটনৈতিক সূত্র।
মিয়ানমারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সুফিয়ুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, আমরা প্রস্তাব করেছিলাম প্রতি সপ্তাহে ১৫ হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবো। কিন্তু তারা ওই প্রস্তাবে রাজি হয়নি। তারা নিজেরা রোহিঙ্গাদের জন্য কিছু ব্যবস্থা করেছে। ফলে প্রাথমিক অবস্থায় প্রতিদিন ৩০০ করে সপ্তাহে এক হাজার ৫০০ রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার। পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে পর্যালোচনা করে এ সংখ্যা বাড়ানো হবে।
কূটনৈতিক সূত্রমতে, গত ২৫ আগস্টের পর বাংলাদেশে আসা সাড়ে ছয় লাখ রোহিঙ্গা এবং ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবরের পরে আসা ৮৭ হাজার রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসনের জন্য বিবেচনায় নেয়া হবে। এর আগে থেকে বাংলাদেশে বসবাস করা প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা চলমান প্রক্রিয়ায় বিবেচনার বাইরে থেকে যাবে। এ প্রক্রিয়ায় কোনো ক্ষেত্রে দ্বিমত থাকলে মিয়ানমারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
সোমবার শুরু হওয়া যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক এবং মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিব মিন্ট থো নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। পরে বৈঠকের দ্বিতীয় দিন গতকাল তারা চূড়ান্তভাবে প্রত্যাবসন চুক্তিতে সই করেন। এ চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার ফলে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরুর জন্য সরকারি পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন হলো।
ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশে ট্রানজিট ক্যাম্প হবে ৫টি এবং মিয়ানমারে অভ্যর্থনা ক্যাম্প হবে দু’টি। বাংলাদেশ থেকে নিয়ে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের লা পো থং নামক একটি জায়গায় অস্থায়ীভাবে রাখা হবে। তারপর বাড়িঘর সংস্কার করে তাদের সেখানে পাঠানো হবে। রোহিঙ্গারা যাতে বাংলাদেশে আর ফিরে আসতে না পারে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার। যেসব শিশু বাবা-মা হারিয়েছে এবং বাংলাদেশে যাদের জন্ম হয়েছে তাদেও ফেরত পাঠাতে আলাদাভাবে দু’টি টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হবে। এরমধ্যে একটি গ্রুপ রোহিঙ্গাদের যাচাই বাছাই এবং অন্যটি প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়