শিরোনাম
◈ নিখোঁজের রহস্যের অবসান, লাকসাম স্টেশনে আহত অবস্থায় খোঁজ মিলল জিসানের ◈ বিশ্বকাপের মঞ্চে সিআইএর গোপন অপারেশন? ইংল্যান্ডের গোলরক্ষককে বিষপ্রয়োগের দাবি ◈ গ্যাস-তেল অনুসন্ধানে সক্ষমতা বাড়াচ্ছে সরকার, ৬৯টি কূপ খনন করবে বাপেক্স ◈ অনিশ্চয়তায় প‌ড়ে‌ছে আদ্-দ্বীন হাসপাতালের ভর্তি রোগীরা, লাইসেন্স বাতিল ঘিরে বিতর্ক ◈ সীমান্তে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণে পুনরায় প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বাংলাদেশ-ভারত ◈ ‘সুপার’ এল নিনোর আনুষ্ঠানিক আগমন, পরিস্থিতি দ্রুতই ভয়ংকর হতে পারে: বিজ্ঞানীরা ◈ কোনো জাতি এমনি এমনি উন্নত হতে পারে না, আমাদের উন্নয়নে চীন সহযোগিতা করছে: মির্জা ফখরুল ◈ বাজেটে জনগণের প্রত্যাশার প্রতিফলন হয়েছে: অর্থমন্ত্রী ◈ করের ক্ষেত্রে যে আটটি পরিবর্তন আসছে ◈ "ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষের ঘোষণা ট্রাম্পের, সামরিক অভিযান থেকে সরে এসে বললেন, চুক্তি ‘প্রায় চূড়ান্ত’, ইউরোপে সই হবে"

প্রকাশিত : ১৭ জানুয়ারী, ২০১৮, ১২:৫৪ দুপুর
আপডেট : ১৭ জানুয়ারী, ২০১৮, ১২:৫৪ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

মিয়ানমারের সিদ্ধান্ত মেনেই প্রত্যাবাসন চুক্তিতে সই করলো বাংলাদেশ

তরিকুল ইসলাম : মিয়ানমারের সিদ্ধান্ত মেনেই চূড়ান্তভাবে প্রত্যাবাসন চুক্তিতে সই করলো বাংলাদেশ। দেশটির রাজধানী নেপিড’তে দু’দিন ধরে যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের বিস্তর আলোচনার পর মঙ্গলবার সকালে এ বিষয়ে সম্মত হয় উভয় দেশ। চুক্তি অনুযায়ী প্রত্যাবাসন শুরুর দুই বছরের মধ্যে সম্পন্ন হওয়ার বিষয়টি উল্লেখ থাকলেও কবে থেকে রোহিঙ্গারা রাখাইনে ফিরবে সে বিষয়ে কিছু বলা হয়নি বলে জানিয়েছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইয়াঙ্গুনের কূটনৈতিক সূত্র।
মিয়ানমারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সুফিয়ুর রহমান গণমাধ্যমকে জানান, আমরা প্রস্তাব করেছিলাম প্রতি সপ্তাহে ১৫ হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমারে ফেরত পাঠাবো। কিন্তু তারা ওই প্রস্তাবে রাজি হয়নি। তারা নিজেরা রোহিঙ্গাদের জন্য কিছু ব্যবস্থা করেছে। ফলে প্রাথমিক অবস্থায় প্রতিদিন ৩০০ করে সপ্তাহে এক হাজার ৫০০ রোহিঙ্গাকে ফেরত নিতে রাজি হয়েছে মিয়ানমার। পরবর্তী তিন মাসের মধ্যে পর্যালোচনা করে এ সংখ্যা বাড়ানো হবে।
কূটনৈতিক সূত্রমতে, গত ২৫ আগস্টের পর বাংলাদেশে আসা সাড়ে ছয় লাখ রোহিঙ্গা এবং ২০১৬ সালের ৯ অক্টোবরের পরে আসা ৮৭ হাজার রোহিঙ্গাকে প্রত্যাবাসনের জন্য বিবেচনায় নেয়া হবে। এর আগে থেকে বাংলাদেশে বসবাস করা প্রায় তিন লাখ রোহিঙ্গা চলমান প্রক্রিয়ায় বিবেচনার বাইরে থেকে যাবে। এ প্রক্রিয়ায় কোনো ক্ষেত্রে দ্বিমত থাকলে মিয়ানমারের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।
সোমবার শুরু হওয়া যৌথ ওয়ার্কিং গ্রুপের প্রথম বৈঠকে বাংলাদেশের পররাষ্ট্র সচিব এম শহীদুল হক এবং মিয়ানমারের পররাষ্ট্র সচিব মিন্ট থো নিজ নিজ দেশের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। পরে বৈঠকের দ্বিতীয় দিন গতকাল তারা চূড়ান্তভাবে প্রত্যাবসন চুক্তিতে সই করেন। এ চুক্তি চূড়ান্ত হওয়ার ফলে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন শুরুর জন্য সরকারি পর্যায়ের কাজ সম্পন্ন হলো।
ঢাকার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় বলছে, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য বাংলাদেশে ট্রানজিট ক্যাম্প হবে ৫টি এবং মিয়ানমারে অভ্যর্থনা ক্যাম্প হবে দু’টি। বাংলাদেশ থেকে নিয়ে রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারের লা পো থং নামক একটি জায়গায় অস্থায়ীভাবে রাখা হবে। তারপর বাড়িঘর সংস্কার করে তাদের সেখানে পাঠানো হবে। রোহিঙ্গারা যাতে বাংলাদেশে আর ফিরে আসতে না পারে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে সম্মত হয়েছে মিয়ানমার। যেসব শিশু বাবা-মা হারিয়েছে এবং বাংলাদেশে যাদের জন্ম হয়েছে তাদেও ফেরত পাঠাতে আলাদাভাবে দু’টি টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করা হবে। এরমধ্যে একটি গ্রুপ রোহিঙ্গাদের যাচাই বাছাই এবং অন্যটি প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করবে।
  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়