শিরোনাম
◈ পোশাকের বাইরে রফতানিতে চমক দেখাচ্ছে বাংলাদেশের 'চুল' ◈ সোমবার থেকে ঢাকাসহ ১৩ সিটিতে ই-রিকশার নিবন্ধন শুরু ◈ শ্রমিক বিক্ষোভে বন্ধ ৩১৮ কারখানা, কাজে নেই ৭ লাখ শ্রমিক ◈ ছাত্রজীবনে রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা থাকতে পারে, চাকরিতে নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ যুবশক্তিকে কাজে লাগাতে পারলেই দেশের সাফল্য সম্ভব: রাষ্ট্রপতি ◈ ৭১ হাজার ৮৫০ কোটি টাকার সম্প্রসারণ প্রকল্প বাদ, ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়ক নিয়ে নতুন পরিকল্পনা ◈ ৪০০ ছক্কার বিশ্বরেকর্ড, ভারত ধরাছোঁয়ার বাইরে ◈ গার্মেন্টস শ্রমিকদের বর্তমান বেতন কত, ৩০ হাজার টাকা মজুরির দাবির যৌক্তিকতা কতটা, কতটা সক্ষম মালিকপক্ষ? ◈ শ্রমিক অসন্তোষে জরুরি তৎপরতা, মন্ত্রীদের বৈঠক ডাকলেন প্রধানমন্ত্রী; আমিরাত সফর বাতিল শ্রমমন্ত্রীর ◈ সুইজারল্যান্ডে রাইন নদীতে মিলল খণ্ডিত মরদেহ, বাংলাদেশি রুমমেট গ্রেপ্তার

প্রকাশিত : ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৭:৪৬ সকাল
আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৭:৪৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শুধু সিলেটেই ওসমানী হাসপাতালে এইডসে আক্রান্ত নারীর সুস্থ সন্তান প্রসবের সংখ্যা ৩২

হ্যাপী আক্তার: সিলেট ওসমানী হাসপাতালে এইডসে আক্রান্ত ৩২ জন নারী সুস্থ সন্তান জন্ম দিয়েছে। আর এজন্য তাদের কোন অর্থ খরচ করতে হয়নি। এ সাফল্য চিকিৎসা সেবার ইতিহাসে মাইলফলক বলছেন সংশ্লিষ্টরা। ওসমানী হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পায় এইডসে আক্রান্তরা। সূত্র- ইনডিপেন্ডেট টিভি।

১৯৮৯ সালে দেশের প্রথম এইডস আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায় সিলেটের কানাইঘাটে। ওসমানী হাসপাতালের হিসাবে সিলেট বিভাগে এখন এইডস রোগীর সংখ্যা ৮৩৯ জন। যা দেশের যেকোন বিভাগের তুলনায় বেশি। আক্রান্তদের অধিকাংশই প্রবাসী কিংবা তাদের পরিবারের সদস্য।

সময়ের সাথে বদলেছে এইডস রোগের চিকিৎসার ধরণ। বিভিন্ন এনজিওর পাশপাশি আক্রান্তদের বিনামূল্যে সেবা দিচ্ছে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। শতভাগ সাফল্য এসেছে এইচআইভি আক্রান্ত মায়েদের সুস্থ সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রেও।

ওসমানী মেডিকেলের মেডিকেল অফিসার আহমদ জাহিদ আল কাদির বলেন, এখানে এইডসে আক্রান্ত মায়েদের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে বিনামূল্যে। আর এইডসের চিকিৎসায় সাফল্য এসেছে হাসপাতালে ৩২ জন এইডস আক্রান্ত মা ৩২ জনই সুস্থ সন্তান জন্ম দিয়েছেন।

ওসমানী মেডিকেলের পরিচালক এ কে মাহবুবুল হক বলেছেন, বন্দরগুলোতে প্রবাস ফেরতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকলে এইডসের বিস্তার রোধ অনেকটাই সম্ভব।

সিলেট বিভাগে এইডস রোগে আক্রান্ত হয়ে ৩৩৭ জন মারা গেছেন। চিকিৎসার পাশাপাশি এইচআইভির প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

 

  • সর্বশেষ