শিরোনাম
◈ গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকারদের জন্য নতুন অধিদপ্তর গঠনের সিদ্ধান্ত ◈ দুই বছর পর খুলছে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার, কম খরচে ২৫ এজেন্সির মাধ্যমে কর্মী পাঠানোর নতুন উদ্যোগ ◈ ব্রাজিল ফুটবল দল বাংলাদেশের বিরু‌দ্ধে খেলতে চায় ◈ বঙ্গভবনে সপরিবারে উঠলেন নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ◈ ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম, ট্যুরিস্ট ভিসার আড়ালে বাংলাদেশে অপরাধের নেটওয়ার্ক গড়ছেন চীনা নাগরিকরা ◈ দ্বিতীয় টে‌স্টে বাংলা‌দে‌শের বিরু‌দ্ধে জিত‌তে না পার‌লে আত্মসম্মানের ব্যাপার ছিল: প‌্যাট কা‌মিন্স ◈ ডেঙ্গুতে একদিনে ৫ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ৮৩৯ ◈ ‘আমার ৯ বিয়ের তথ্য মিথ্যা, কোনো পরকীয়া সম্পর্কে জড়িত নই’: ইসলামী আন্দোলন নেতা মিছবাহর চ্যালেঞ্জ ◈ বঙ্গভবনে প্রথম দিনের দাপ্তরিক কাজ শুরু নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির ◈ প্রাথমিক শিক্ষায় মনিটরিং-জবাবদিহিতায় আসছে নতুন নীতিমালা

প্রকাশিত : ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৭:৪৬ সকাল
আপডেট : ২৮ ডিসেম্বর, ২০১৭, ০৭:৪৬ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

শুধু সিলেটেই ওসমানী হাসপাতালে এইডসে আক্রান্ত নারীর সুস্থ সন্তান প্রসবের সংখ্যা ৩২

হ্যাপী আক্তার: সিলেট ওসমানী হাসপাতালে এইডসে আক্রান্ত ৩২ জন নারী সুস্থ সন্তান জন্ম দিয়েছে। আর এজন্য তাদের কোন অর্থ খরচ করতে হয়নি। এ সাফল্য চিকিৎসা সেবার ইতিহাসে মাইলফলক বলছেন সংশ্লিষ্টরা। ওসমানী হাসপাতালে বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা পায় এইডসে আক্রান্তরা। সূত্র- ইনডিপেন্ডেট টিভি।

১৯৮৯ সালে দেশের প্রথম এইডস আক্রান্তের খোঁজ পাওয়া যায় সিলেটের কানাইঘাটে। ওসমানী হাসপাতালের হিসাবে সিলেট বিভাগে এখন এইডস রোগীর সংখ্যা ৮৩৯ জন। যা দেশের যেকোন বিভাগের তুলনায় বেশি। আক্রান্তদের অধিকাংশই প্রবাসী কিংবা তাদের পরিবারের সদস্য।

সময়ের সাথে বদলেছে এইডস রোগের চিকিৎসার ধরণ। বিভিন্ন এনজিওর পাশপাশি আক্রান্তদের বিনামূল্যে সেবা দিচ্ছে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল। শতভাগ সাফল্য এসেছে এইচআইভি আক্রান্ত মায়েদের সুস্থ সন্তান প্রসবের ক্ষেত্রেও।

ওসমানী মেডিকেলের মেডিকেল অফিসার আহমদ জাহিদ আল কাদির বলেন, এখানে এইডসে আক্রান্ত মায়েদের চিকিৎসা দেয়া হয়েছে বিনামূল্যে। আর এইডসের চিকিৎসায় সাফল্য এসেছে হাসপাতালে ৩২ জন এইডস আক্রান্ত মা ৩২ জনই সুস্থ সন্তান জন্ম দিয়েছেন।

ওসমানী মেডিকেলের পরিচালক এ কে মাহবুবুল হক বলেছেন, বন্দরগুলোতে প্রবাস ফেরতদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার ব্যবস্থা থাকলে এইডসের বিস্তার রোধ অনেকটাই সম্ভব।

সিলেট বিভাগে এইডস রোগে আক্রান্ত হয়ে ৩৩৭ জন মারা গেছেন। চিকিৎসার পাশাপাশি এইচআইভির প্রতিরোধে সচেতনতা বৃদ্ধি প্রয়োজন বলে মত বিশেষজ্ঞদের।

 

  • সর্বশেষ