শিরোনাম
◈ চলতি বছরেই দেশে ফিরবো: শেখ হাসিনা ◈ ঢাকায় নতুন কমিশনার, কুমিল্লা-সিলেটে নতুন ডিসি ◈ প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় মুগদা হাসপাতালকে ৫০০ শয্যা থেকে ১ হাজার শয্যায় উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে : হাবিবুর রশীদ ◈ ২০১৬ সালে ভারতের নোট বাতিলের উদ্যোগের মতোই বাংলাদেশেও ৫০০ ও ১,০০০ টাকার নোট বাতিলের প্রস্তাব সংসদে! ◈ আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফরিদপুরের ভাঙ্গায় দুই পক্ষের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র, মহাসড়কে তিন ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ ◈ সরকারি সফরে চেক রিপাবলিক ও স্লোভাকিয়া গেলেন সেনাপ্রধান ◈ ইরানে টানা দ্বিতীয় দিনের মার্কিন হামলা, পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার দাবি আইআরজিসির ◈ মহাকাশ গবেষণায় জোর: আকস্মিকভাবে স্পারসো পরিদর্শনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান, আধুনিকায়নের নির্দেশ ◈ ইবোলা সতর্কতায় ভারতে সব আন্তর্জাতিক যাত্রীর জন্য বাধ্যতামূলক এয়ার সুভিধা ২.০ ◈ কোনো দেশের সরকারপ্রধান আরেক দেশের কাছে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে যায় না, এ সমস্ত প্রশ্ন করবেন না, আমরা খুব বিব্রত হই: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

প্রকাশিত : ০৫ নভেম্বর, ২০১৭, ০৫:১১ সকাল
আপডেট : ০৫ নভেম্বর, ২০১৭, ০৫:১১ সকাল

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

সবার জন্য সমান আইন প্রতিষ্ঠা করতে হবে

অধ্যাপক ড. নূরুল ইসলাম : সমাজ পরিবর্তিত হচ্ছে। সমাজের মূল্যবোধের ক্ষয় হচ্ছে। আগে যেমন মানুষ মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে দেখতো, এখন সেটা ক্ষয়িষ্ণু পর্যায়ে চলে গেছে। মানুষ ব্যক্তিগত স্বার্থের সাথে বেশি জড়িত হচ্ছে। স্বার্থকেন্দ্রিক সমাজ এবং সমাজের মানুষ পরিবর্তিত হচ্ছে। সামাজিক মূল্যবোধ, ধর্মীয় চেতনা এবং সমাজের রীতিনীতি কম করে মানছে, ব্যক্তি স্বার্থটা বেশি হওয়ার কারণে। এভাবে প্রতিহিংসার জন্ম হচ্ছে। প্রতিহিংসাটা ব্যক্তিকে, সমাজকে যেমন কলংকিত করছে, তেমন রাষ্ট্রযন্ত্রকেও অস্থির করে তুলছে। এই প্রবণতা একদিনে হ্রাস করা যাবে না। কারণ, এই পরিস্থিতি একদিনে গড়ে উঠেনি। এজন্য মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটাতে হবে। আর এই মানবিক মূল্যবোধ বিকাশ হওয়ার সবচেয়ে বড় মাধ্যম হলো সমাজের রীতি নীতির দিকে ফিরে যাওয়া। যার যার যে ধর্ম ব্যক্তিগত পর্যায়ে আছে, সেই ধর্মকে ধারণ করা দরকার। যেমন: বিনা কারণে জীবকে হত্যা করা যাবে না। তাই ব্যক্তি স্বার্থের উর্ধেŸ উঠে সামাজিক স্বার্থকে বড় করে দেখা উচিত। ব্যক্তি মূখ্য নয়, ধর্ম এবং গোষ্ঠি মূখ্য। এটাকে যদি আমরা প্রাধান্য দিই এবং আতœকেন্দ্রিক মনোভাব থেকে সামাজিক চেতনায় উদ্বুদ্ধ হতে পারি তবেই জীবনের স্বার্থকতা। অর্থাৎ আমার স্বার্থ বড় নয় সবার স্বার্থ বড়। সবার স্বার্থকে বড় করে দেখতে গেলে এ ধরনের কলংকিত অধ্যায়ের সুচনা হবে না। এ ধরনের হত্যাও হবে না। বরং সবার পারস্পরিক ভালোবাসায় সুন্দর সমাজ গড়ে উঠবে। এজন্য ব্যক্তি স্বার্থের উর্ধেŸ উঠতে হবে। কোনো জায়গায় যদি বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়, মনে করেন বোম্বেতে নারী ধর্ষণ হয়েছে, সঙ্গে সঙ্গে আমাদের দেশে মিডিয়ার মাধ্যমে জানার পর ঐ ধরনের গাড়ীতে আমাদের দেশেও ধর্ষণ শুরু হয়েছে। কোনো জায়গায় পুকুরের এক কোণায় যদি ঢিল ছোড়ো, সারা পুকুরে ছড়িয়ে পড়ে। যদি আমাদের দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা থাকতো, সঠিকভাবে গনতান্ত্রিক চর্চা হতো, দলীয়করণের মনোভাব যদি না থাকতো এবং ন্যায় বিচার যদি থাকতো, তাহলে সমাজের সুযোগ সন্ধানী মানুষেরা এ ধরনের অপকর্ম করতে পারতো না। এজন্য সর্বাগ্রে রাষ্ট্রযন্ত্রকে নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করতে হবে। আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে আইন মেনে চলতে হবে। আইনের শাসন যখন প্রতিষ্ঠিত হবে তখন এভাবে সুযোগ সন্ধানী মানুষ ব্যক্তিস্বার্থে কিছু করতে পারবে না। আমরা ইদানিং লক্ষ করি যে, দলীয়করণের এই ট্রেন্ড অনেক আগে থেকেই শুরু হয়েছে। দলের লোক হলে এক রকম বিচার, অন্য দলের হলে আরেক রকম বিচার। সবার জন্য সমান আইন প্রয়োগ করতে হবে। এটা যদি প্রতিষ্ঠিত না হয় সামাজিক অস্থিরতা আরো বাড়বে।

পরিচিতি : অধ্যাপক, সমাজকল্যাণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট ঢা.বি.
মতামত গ্রহণ : সানিম আহমেদ
সম্পাদনা : মোহাম্মদ আবদুল অদুদ

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়