শিরোনাম
◈ ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ৭০ টাকা বেড়ে ১৫৯৮ ◈ ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, মোট প্রাণহানি ৮৪৪ ◈ পুলিশের সর্বোচ্চ সতর্কতা শুধু ‘রিমাইন্ডার’: ডিবি প্রধান ◈ ঢাকার চারপাশের নৌপথ সচলের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বে‌শির ভাগ ব্রা‌জি‌লিয়ান‌দের ফুটবলের প্রতি আগ্রহ নেই ◈ শর্তসাপেক্ষে দুবাই কারাগার থেকে মুক্তি পেলেন বেনজীর আহমেদ, পাসপোর্ট জব্দের কারণে আমিরাত ছাড়তে পারবেন না ◈ দেশজুড়ে কেন সতর্কতা জারি, যা জানালেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ পুলিশ কোনো দলের বা গোষ্ঠীর লাঠিয়াল বাহিনী নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ◈ স্বামীর ছুরিকাঘাতে রাজধানীর কাঁঠালবাগানে স্ত্রী-শাশুড়ি নিহত ◈ সরকারি অর্থায়নের নির্ভরতা কমাতে বেসরকারি অংশীদারত্বে যাচ্ছে পর্যটনের ৫৩ হোটেল, রেস্তোরাঁ ও বার

প্রকাশিত : ২২ অক্টোবর, ২০২৫, ০১:৪৩ রাত
আপডেট : ০২ আগস্ট, ২০২৬, ০৩:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

বিদেশ থেকে আনা অস্ত্র-বুলেট কোথায় গেল? প্রশ্ন বিমানবন্দরে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীর (ভিডিও)

বিমানবন্দরের কার্গো ভিলেজে (ফ্লাইট ক্যাটারিং) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত এক ব্যবসায়ী বিদেশ থেকে আনা অস্ত্র ও বুলেটের হদিস নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছেন। এ ঘটনায় তিনি সিভিল এভিয়েশন ও ফায়ার সার্ভিসের 'খামখেয়ালীপনা'কে দায়ী করে বিপুল আর্থিক ক্ষতির কথা জানিয়েছেন। সূত্র: এটিএন নিউজ

মূল অভিযোগ ও ক্ষয়ক্ষতি:
অস্ত্র ও বুলেটের হদিস: ক্ষতিগ্রস্ত ঐ ব্যবসায়ীর এক আমদানিকারক বন্ধুর ২০০ পিস্তল এবং ১০০০ বুলেট আগুনে পুড়ে গেছে বলে উল্লেখ করেন। তবে তিনি সন্দেহ প্রকাশ করে বলেন, বুলেট বা অস্ত্রের ধাতব অংশ (লোহা লক্কর) সম্পূর্ণ পুড়ে শেষ হওয়ার কথা নয়, যা মেরামত করা যেত। কিন্তু সেই জিনিসগুলো এলাকা থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা নিয়ে প্রশ্ন: তিনি অভিযোগ করেন, ক্ষতিগ্রস্থ মালামালের মালিকদের না দেখিয়েই তড়িঘড়ি করে এলাকা পরিষ্কার করে ফেলা হয়েছে। তিনি প্রশ্ন তোলেন, "সন্তান জন্ম দিলেন আপনি, সন্তান মৃত হইছে আপনাকে তো এক নজর দেখাবে সে। না দেইয়া এরা পরিষ্কার পোলাটা পরিষ্কার করে লাইছে, এই জিনিসগুলা কোথায় নিয়ে গেল?"।

আর্থিক ক্ষতি: তার ৮ থেকে ১০ জন আমদানিকারকের মোট প্রায় ৫০ কোটি টাকার মাল আগুনে পুড়ে গেছে বলে জানান তিনি। তিনি আরও বলেন, পুড়ে যাওয়া এই মালামালের জন্য তারা কয়েকদিন আগেই বিপুল অঙ্কের ট্যাক্স (যেমন: ৩০ লাখ, ৩৮ লাখ টাকা) পরিশোধ করেছিলেন।

প্রশাসনিক জটিলতা: তিনি অভিযোগ করেন যে, ক্ষতিগ্রস্থ মালামাল দ্রুত ছাড় করিয়ে নেওয়ার জন্য তারা আসলেও কর্তৃপক্ষ সেই পরিবেশ তৈরি করেননি। মাল পরীক্ষার (এক্সামিন) জন্য যেখানে চার-ছয়জন লোক প্রয়োজন, সেখানে মাত্র দুইজন লোক দেওয়া হয়েছে এবং কাস্টমসের মতো দপ্তরগুলি অনেক দূরে সরিয়ে নেওয়ায় কাজ করতে অসুবিধা হচ্ছে।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়