শিরোনাম
◈ কারখানা থেকে ক্লাসরুম, রোবট বিপ্লবে বদলে যাচ্ছে চীন ◈ গুম হওয়া ২৫০ জনের সন্ধান মেলেনি, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাতে অপহরণের প্রাথমিক সত্যতা মিলেছে: চিফ প্রসিকিউটর ◈ দুই ডিআইজিসহ পুলিশের ১৭ কর্মকর্তা বদলি ◈ চেয়ার-সোফার পেছনে জাতীয় পতাকা প্রদর্শন নয়: হাইকোর্টের নির্দেশ ◈ মহানবী (সা.)-এর আদর্শ তরুণদের জন্য হতে পারে প্রেরণার উৎস: প্রধানমন্ত্রী ◈ ভারত-বাংলাদেশ গঙ্গা চুক্তি পর্যালোচনার আগে কেন সরব বিহার? ◈ যেভাবে শিক্ষক পরিবারের চারজনকে হত্যা করে ডাকাতির নাটক সাজায় দুই যুবক ◈ ‘দলগুলোর সদিচ্ছা থাকলে সহিংসতামুক্ত স্থানীয় নির্বাচন সম্ভব’ ◈ হাসিনাকে ঘিরে আটকে আছে বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক স্বাভাবিকের উদ্যোগ, অচলাবস্থা কাটবে কীভাবে? ◈ স্বামীর করা যৌতুক মামলায় স্ত্রী কারাগারে

প্রকাশিত : ১৬ এপ্রিল, ২০২৬, ১২:০৭ দুপুর
আপডেট : ১৯ আগস্ট, ২০২৬, ০২:০০ দুপুর

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

প্রথমবারের মতো নিজস্ব প্রযুক্তির চালকবিহীন কার্গো উড্ডয়ন সম্পন্ন করল চীন

আকাশপথে বৃহৎ আকারের মানববিহীন পরিবহন প্রযুক্তিতে নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে চীন। দেশটির নিজস্ব প্রযুক্তিতে তৈরি HH-200 নামের কার্গো ড্রোন বুধবার (১৫ এপ্রিল) সফলভাবে প্রথম পরীক্ষামূলক উড্ডয়ন সম্পন্ন করেছে।

চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান এভিয়েশন ইন্ডাস্ট্রি করপোরেশন অব চায়না (এভিআইসি) নির্মিত এই ড্রোনটি পরীক্ষামূলক ফ্লাইটে স্থিতিশীল পারফরম্যান্স দেখিয়েছে। সব সিস্টেম স্বাভাবিকভাবে কাজ করেছে এবং পূর্বনির্ধারিত লক্ষ্য অর্জিত হয়েছে বলে জানিয়েছে সিনহুয়া নিউজ এজেন্সি।

HH-200 ড্রোনটির সর্বোচ্চ বহনক্ষমতা ১.৫ টন। এর স্ট্যান্ডার্ড কার্গো ধারণক্ষমতা ১২ ঘনমিটার, যা বাড়িয়ে ১৮ ঘনমিটার পর্যন্ত করা যায়। ড্রোনটি ঘণ্টায় সর্বোচ্চ ৩১০ কিলোমিটার গতিতে উড়তে পারে এবং একটানা প্রায় ২,৩৬০ কিলোমিটার পথ অতিক্রমে সক্ষম।

উড়োজাহাজটির নকশায় আধুনিক প্রযুক্তি ও কম্পোজিট উপাদান ব্যবহারের ফলে ওজন প্রায় ২০ শতাংশ কমেছে, যা পরিচালন ব্যয় হ্রাসে সহায়ক। এতে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় ফ্লাইট সিস্টেম এবং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক প্রতিবন্ধকতা এড়ানোর প্রযুক্তি সংযুক্ত রয়েছে।

ড্রোনটি দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারের উপযোগী—প্রায় ৫০,০০০ ঘণ্টা উড্ডয়ন বা ১৫,০০০ বার টেক-অফ ও ল্যান্ডিং করতে পারে। জীবনচক্রভিত্তিক পরিচালন ব্যয় প্রতি টন-কিলোমিটারে প্রায় ৪.৭ ইউয়ান (প্রায় ০.৬৯ মার্কিন ডলার)।

প্রতিকূল পরিবেশেও কার্যক্ষম এই ড্রোন ৫০০ মিটার ছোট রানওয়ে এবং ৪,২০০ মিটার উচ্চতার মালভূমি থেকে উড্ডয়ন ও অবতরণ করতে পারে। এছাড়া -৪০ থেকে ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায়ও কার্যকরভাবে পরিচালনা সম্ভব।

HH-200 মূলত সীমান্ত, উপকূলীয় ও আন্তঃসীমান্ত কার্গো রুট, অভ্যন্তরীণ পণ্য পরিবহন এবং দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপাঞ্চলে সংযোগ স্থাপনে ব্যবহারের পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি জরুরি উদ্ধার, বন অগ্নিনির্বাপন, আকাশ জরিপ ও কৃষি সুরক্ষা কার্যক্রমেও এর সম্ভাব্য ব্যবহার রয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, এই অগ্রগতি চীনের ‘লো-অ্যালটিটিউড ইকোনমি’ উন্নয়নের কৌশলকে এগিয়ে নেবে। ২০২৭ সালের মধ্যে এ খাতের জন্য মানদণ্ডভিত্তিক কাঠামো গড়ে তোলার লক্ষ্য নির্ধারণ করেছে দেশটি। ২০৩০ সালের মধ্যে ৩০০টির বেশি মানদণ্ড প্রণয়নের মাধ্যমে একটি আধুনিক ও আন্তর্জাতিকভাবে সামঞ্জস্যপূর্ণ ব্যবস্থাপনা কাঠামো প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে।

সূত্র : গ্লোবাল টাইমস

  • সর্বশেষ