শিরোনাম
◈ অবৈধ প্রবেশে ‘জিরো টলারেন্স’, নতুন আইনে কড়াকড়ি ইউরোপের ◈ পাকিস্তানের ভেতরে আফগানিস্তানের বিমান হামলা, নতুন করে যুদ্ধের আশঙ্কা সীমান্তে! ◈ পুলিশের ইউনিফর্মে ফের পরিবর্তন, গাঢ় নীল-জলপাই রঙে ফিরছে পুরোনো পোশাক ◈ বাংলাদেশের জে-১০সিই যুদ্ধবিমান কেনার উদ্যোগে উদ্বিগ্ন ভারত, বাড়ছে চীনা কৌশলগত প্রভাবের শঙ্কা ◈ ব্রহ্মপুত্রে চীনের বিশাল বাঁধ প্রকল্প, নিরাপত্তা ও পানিপ্রবাহ নিয়ে শঙ্কায় ভারত! ◈ বাংলাদেশে হি'ন্দুদের জন্য আলাদা প্রদেশ করবো : চৈতালী চক্রবর্তী (ভিডিও) ◈ বাংলাদেশ সীমান্তে জমি অধিগ্রহণে গিয়ে কৃষকদের বিক্ষোভের মুখে শুভেন্দু সরকার ◈ বগুড়ার সেই দুই ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনের নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর ◈ বিশ্বের সবচেয়ে বড় জলবিদ্যুৎ বাঁধ নির্মাণ করছে চীন, দুশ্চিন্তায় ভারত ◈ দেশে হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, ২৪ ঘণ্টায় শনাক্ত ১,০৭৮ জন

প্রকাশিত : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ১০:৫৭ দুপুর
আপডেট : ২০ জুন, ২০২৬, ০১:০০ রাত

প্রতিবেদক : নিউজ ডেস্ক

নাসা উন্মোচন করলো সূর্যের শৈশব

যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ সংস্থা নাসা এক তরুণ সূর্যসদৃশ তারার চারপাশে বিশাল গ্যাসের বুদবুদের স্পষ্ট ছবি প্রকাশ করেছে। এই তারার নাম এইচডি ৬১০০৫। পৃথিবী থেকে এর দূরত্ব প্রায় ১২০ আলোকবর্ষ।

নাসার চন্দ্র এক্স-রে অবজারভেটরি দিয়ে এই ছবি তোলা হয়েছে। বিজ্ঞানীরা জানান, এই তরুণ তারা নিজের চারপাশে যে গ্যাসের খোলস তৈরি করেছে, তাকে বলা হয় ‘অ্যাস্ট্রোস্ফিয়ার’। তারার পৃষ্ঠ থেকে শক্তিশালী কণার ঝড় বা ‘পার্টিকল উইন্ড’ বের হয়। এই ঝড় চারপাশে গরম গ্যাস ছড়িয়ে দেয় এবং এক বিশাল বুদবুদ তৈরি করে। বুদবুদটি আশপাশের ঠান্ডা গ্যাস ও ধুলাকে ঠেলে দূরে সরিয়ে দেয়।

আমাদের সূর্যেরও এমন একটি খোলস আছে। সেটিকে বলা হয় ‘হেলিওস্ফিয়ার’। এটি সূর্যের বাতাসে তৈরি হয় এবং পৃথিবীকে ক্ষতিকর মহাজাগতিক রশ্মি থেকে কিছুটা রক্ষা করে।

গবেষণার নেতৃত্ব দেন জনস হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের কেরি লিসে। তার গবেষণা ছাপা হয়েছে ‘অ্যাস্ট্রোফিজিক্যাল জার্নাল’-এ। তিনি বলেন, এত দিন আমরা সূর্যের খোলস ভেতর থেকে বুঝেছি, বাইরে থেকে দেখা যায়নি। এবার এই নতুন তথ্য আমাদের বুঝতে সাহায্য করবে, কোটি কোটি বছর আগে সূর্য কতটা সক্রিয় ছিল।

এইচডি ৬১০০৫ তারার বয়স প্রায় ১০ কোটি বছর। তুলনায় আমাদের সূর্যের বয়স প্রায় ৫০০ কোটি বছর। তরুণ হওয়ায় এই তারার কণার ঝড় সূর্যের চেয়ে প্রায় তিন গুণ দ্রুত এবং প্রায় ২৫ গুণ ঘন।

এই তারাকে বিজ্ঞানীরা ‘মথ’ নামেও ডাকেন। কারণ, ইনফ্রারেড টেলিস্কোপে এর চারপাশের ধুলার আকার মথ পোকা’র ডানার মতো দেখা যায়। নাসার হাবল স্পেস টেলিস্কোপে দেখা গেছে, এই তারার আশপাশের পদার্থ আমাদের সূর্যের তুলনায় প্রায় এক হাজার গুণ বেশি ঘন। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই আবিষ্কার আমাদের সূর্যের শৈশব ও ভবিষ্যৎ বুঝতে নতুন দিগন্ত খুলে দিল।

  • সর্বশেষ
  • জনপ্রিয়