জাতীয় নির্বাচনসহ গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক ইস্যুকে ঘিরে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সক্রিয় হয়ে ওঠে নানা উদ্দেশ্যপ্রণোদিত সাইবার চক্র। ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচন ঘিরেও এমন বহু বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ছড়ানো হয়েছিল, যেগুলোর সত্যতা পরে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
বিশ্বজুড়ে প্রতারণা চক্রের তৎপরতা থেমে নেই। তারা এখন নতুন কৌশলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে ফাঁদ পাতছে।
প্রলোভনসঙ্কুল বার্তার ফাঁদ
ডিরেক্ট মেসেজের মাধ্যমে আকর্ষণীয় অফার বা অচেনা ওয়েবসাইটের নামে অসংখ্য ভুয়া লিংক পাঠানো হচ্ছে। অনেকেই যাচাই না করেই এসব লিংকে প্রবেশ করে বিপাকে পড়ছেন। কখনও আবার মেটা-এর নাম ব্যবহার করে অ্যাকাউন্ট বন্ধের হুমকি দিয়ে ভুয়া বার্তা পাঠানো হয়। এসব লিংকে ক্লিক করলেই ব্যবহারকারীর অ্যাকাউন্ট চলে যেতে পারে প্রতারকদের নিয়ন্ত্রণে। পরে সেই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে অন্যদের কাছ থেকেও প্রতারণা করা সম্ভব হয়।
কীভাবে চালানো হয় এই প্রতারণা
প্রথমে লক্ষ্যবস্তু ব্যক্তিকে ছদ্মবেশী ইমেইল পাঠানো হয়, যেখানে ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে লগইন করতে বলা হয় এবং একটি নির্দিষ্ট লিংক দেওয়া থাকে। ওই লিংকে প্রবেশ করলে ব্যবহারকারীর লগইন আইডি ও পাসওয়ার্ড চাওয়া হয়। আসলে এটি ভুয়া ওয়েবসাইট, যেখানে তথ্য দিলেই তা প্রতারকদের হাতে পৌঁছে যায় এবং অ্যাকাউন্ট হ্যাক হওয়ার ঝুঁকি তৈরি হয়।
সুরক্ষায় করণীয়
এ ধরনের ঝুঁকি এড়াতে বাড়তি সতর্কতা জরুরি। অচেনা বা চটকদার কোনো লিংকে ক্লিক না করাই ভালো। বিশেষ করে অর্থ লেনদেন বা উপহারের প্রলোভন দেখালে আগে যাচাই করা উচিত। অজানা সংযুক্তি ফাইলেও ক্ষতিকর সফটওয়্যার থাকতে পারে, তাই সেগুলোও খোলা থেকে বিরত থাকতে হবে।
কোনো অবস্থাতেই ওটিপি, পাসওয়ার্ড বা ব্যক্তিগত তথ্য শেয়ার করা যাবে না। পাশাপাশি নিরাপত্তা জোরদারে টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।